২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ (এওসি)। ৩৬ বছর বয়সী এই প্রগতিশীল নেত্রী এখনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তাঁর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও জনপ্রিয়তা সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা বাড়িয়েছে।
সম্প্রতি শিকাগো
বিশ্ববিদ্যালয়ের রকফেলার মেমোরিয়াল চ্যাপেলে এক বক্তব্যে এওসি
বলেন, তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা কোনো
পদ দখল করা নয়,
বরং ‘দেশকে পরিবর্তন করা’। বক্তব্যটি
উপস্থিত শ্রোতাদের ব্যাপক সাড়া পায়।
জুলাইয়ে ইউনিভার্সিটি
অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের এক
জরিপে সম্ভাব্য ডেমোক্রেটিক প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে ছিলেন এওসি। ইনস্টাগ্রামেও তাঁর অনুসারীর সংখ্যা
প্রায় এক কোটি। প্রগতিশীল
সংগঠন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা (ডিএসএ)
থেকে শুরু করে ডেমোক্রেটিক
পার্টির সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির মতো নেতাদের সমর্থনও
রয়েছে তাঁর।
২০১৮ সালে
১০ মেয়াদের কংগ্রেসম্যান জো ক্রাউলিকে হারিয়ে
জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনায় আসেন এওসি। এর
আগে তিনি বারটেন্ডার ও
ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করেছেন। সাধারণ
মানুষের অর্থনৈতিক উদ্বেগ তুলে ধরার সক্ষমতাকে
তাঁর অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে
দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
তবে প্রেসিডেন্ট
হওয়ার পথে তাঁর সামনে
রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। ডেমোক্রেটিক
প্রাইমারিতে কমলা হ্যারিস, পিট
বুটিগিগ, গ্যাভিন নিউজম, জন অসফ ও
রো খান্নার মতো নেতাদের সঙ্গে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতে পারে
তাঁকে।
বিশ্লেষকদের মতে,
আফ্রিকান-আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন পাওয়া, দলের বিভিন্ন অংশকে
এক করা এবং রিপাবলিকান
ও ডানপন্থী গণমাধ্যমের তীব্র আক্রমণ মোকাবিলা হবে এওসির বড়
পরীক্ষা।
২০২৮
সালে প্রার্থী হলে এওসি মার্কিন
ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে শেষ পর্যন্ত
তিনি প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন কি
না, সে সিদ্ধান্ত এখনো
অনিশ্চিত।