ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

বিনোদন

মধুমিতাকে নিয়েই ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ‘গুলশানের চামেলি’র শুটিং

মধুমিতাকে নিয়েই ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ‘গুলশানের চামেলি’র শুটিং

পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারকে নিয়ে ঢাকাই সিনেমা ‘গুলশানের চামেলি’ নির্মাণের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছেন পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল। তবে শুটিং শুরুর আগেই সিনেমাটি থেকে মধুমিতার সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করে পরিচালক জানিয়েছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে সিনেমাটির কাজ।মোহাম্মদ ইকবাল জানান, আগামী ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) দুই নম্বর ফ্লোরে মধুমিতাকে নিয়ে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। এ জন্য ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশে আসবেন এই অভিনেত্রী। এরই মধ্যে সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। চলতি মাসেই এফডিসিতে সেট নির্মাণ শুরু হবে।সিনেমা ছাড়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে মধুমিতা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিনই নানা ধরনের গুজব ছড়ায়। সিনেমাটিতে যুক্ত হওয়ার পরও তাঁকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছিল। এখন আবার সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার খবর ছড়ানো হচ্ছে।রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতা নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘গুলশানের চামেলি’। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন একজন যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও বারবার ক্ষমতাবানদের নির্মমতার শিকার হন।আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যে সিনেমাটিতে মধুমিতা ছাড়াও অভিনয় করবেন রোজিনা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, আমিন খান, বাপ্পারাজ ও মিশা সওদাগর।

আগুন ও প্রিয়াংকা বিশ্বাসের নতুন গান রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে

জনপ্রিয় গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী সুমী শারমীনের লেখা নতুন দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নব্বইয়ের দশকের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী আগুন এবং বর্তমান প্রজন্মের গায়িকা প্রিয়াংকা বিশ্বাস। গান দুটির সুর করেছেন রুমন হায়াত। সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতারে গান দুটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।নিজের লেখা গানে আগুন ও প্রিয়াংকা বিশ্বাসের মতো শিল্পীদের পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সুমী শারমীন। তাঁর মতে, আগুনের কণ্ঠে নিজের লেখা গান শোনা বিশেষ আবেগের বিষয়।সুমী শারমীন বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় আগুন ভাই আমাদের কৈশোরের ভীষণ ভালোলাগা ও ভালোবাসার একজন শিল্পী। বাংলাদেশ বেতারে প্রচারের জন্য এই প্রিয় শিল্পী আমার লেখা একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, এটা আমার জন্য পরম প্রাপ্তি।’এর আগে অনেক স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী তাঁর লেখা গান গাইলেও আগুনের কণ্ঠে নিজের গান শুনে বিশেষভাবে মুগ্ধ হয়েছেন বলে জানান সুমী শারমীন। তাঁর ভাষায়, আগুনের কণ্ঠে গানটি যেন তাঁর গীতিকবিতাকে আরও সার্থক করে তুলেছে।গান দুটিতে প্রিয়াংকা বিশ্বাসের অংশগ্রহণ নিয়েও আনন্দ প্রকাশ করেন এই গীতিকার। তিনি বলেন, আগুন ও প্রিয়াংকার কণ্ঠে নিজের লেখা গান শোনার অনুভূতি অন্য রকম, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। গান দুটি প্রচারে এলে শ্রোতাদের ভালো লাগবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।অন্যদিকে, নতুন গান দুটির অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে সংগীতশিল্পী আগুন বলেন, গানগুলোর কথা তাঁর ভীষণ ভালো লেগেছে। সুরও দারুণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে নিজের আবেগের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন এই শিল্পী। আগুন বলেন, বাংলাদেশ বেতার তাঁদের আবেগের জায়গা। সেখানে গান গাইতে এলে পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ে যায়।গান দুটি বাংলাদেশ বেতারে প্রচারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। রেকর্ডিং সম্পন্ন হওয়ায় এখন শ্রোতারা গান দুটি শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

আগুন ও প্রিয়াংকা বিশ্বাসের নতুন গান রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে

একই মঞ্চে নগরবাউল, ওয়ারফেজ, আর্কসহ পাঁচ ব্যান্ড

দেশের রকসংগীতপ্রেমীদের জন্য আয়োজন করা হচ্ছে বিশেষ কনসার্ট রক অ্যান রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন। এতে একই মঞ্চে গান পরিবেশন করবে দেশের জনপ্রিয় পাঁচ ব্যান্ড নগরবাউল, আর্ক, ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য। আগামী ২৩ অক্টোবর ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের কার্নিভাল অ্যারেনায় বসবে এই সংগীতের আসর।পাঁচ ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি কনসার্টে একক গিটার বাজাবেন দেশের দুই জনপ্রিয় গিটারিস্ট অনি হাসান ও এ কে রাহুল।ই-টিকিট প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ে (Tickify) ইতিমধ্যে কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রবেশ টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে।কনসার্টে অংশ নিতে দর্শকদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। একটি টিকিট দিয়ে একবারই ভেন্যুতে প্রবেশ করা যাবে। একবার বের হয়ে গেলে একই টিকিটে আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া হাতব্যাগ ছাড়া বড় আকারের কোনো ব্যাগ সঙ্গে নেওয়া যাবে না। ২০২২ সাল থেকে নিয়মিত ‘রক অ্যান রিদম কনসার্ট আয়োজন করে আসছে অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস। এবারের আয়োজনটি এ ফ্র্যাঞ্চাইজির পঞ্চম আসর। আয়োজকদের প্রত্যাশা, দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর এক মঞ্চে উপস্থিতি রকসংগীতপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করবে।

একই মঞ্চে নগরবাউল, ওয়ারফেজ, আর্কসহ পাঁচ ব্যান্ড

এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ, বললেন মেহজাবীন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি।আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন এই অভিনেত্রী।পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ। একই কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজারো মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। এ পরিস্থিতিতে সমাজ হিসেবে আমরা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করার জন্য তাঁকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন—এমন প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন। তিনি লেখেন, এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদে ‘এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত’—এ কথা বলতেও তাঁর আর ইচ্ছা করে না। কারণ, একজন মানুষকে সম্মান করার জন্য তাঁর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার প্রয়োজন কেন?অপমান করে আয়, প্রশ্ন মেহজাবীনেরসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ, লাইক, শেয়ার ও ট্রেন্ডিংয়ের মাধ্যমে আয় করার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মেহজাবীন।তিনি লেখেন, কিছু ভিউ, লাইক ও শেয়ার পাওয়া, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা কিংবা সেখান থেকে কয়েক ডলার আয়—এসবের জন্য অন্য একজন মানুষের অপমান ও অসম্মানকে কীভাবে উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নেওয়া হচ্ছে, সেটি ভাবার বিষয়।মেহজাবীন বলেন, মানুষের জীবনে নানা ধরনের সংগ্রাম রয়েছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। তিনি সেই বাস্তবতা অস্বীকার করেন না। তবে প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান ও অসম্মান মানুষের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?শিকার হতে পারেন যে কেউএ ধরনের ঘটনা শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন মেহজাবীন। তাঁর মতে, ভিউ, এনগেজমেন্ট ও ট্রেন্ডিংয়ের প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখা ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে যে কেউ যুক্ত হতে পারেন, আবার এর শিকারও হতে পারেন যে কেউ।মেহজাবীন লেখেন, তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই ব্যক্তি নন, যিনি এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করছেন; বরং সেই অসংখ্য মানুষও, যাঁরা স্বেচ্ছায় সেগুলো শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিয়ে একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেওয়া হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ, বললেন মেহজাবীন

তিশা কি কনকচাঁপার মেয়ে? যে ব্যাখ্যা দিলেন সংগীতশিল্পী

অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা কি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপার মেয়ে? দুজনের চেহারায় কিছুটা মিল থাকায় এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই এসেছে। দীর্ঘদিনের এই কৌতূহল দূর করতে এবার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন কনকচাঁপা। জানিয়েছেন, তিশা তাঁর মেয়ে নন। তবে অভিনেত্রীকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসেন তিনি।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিশার সঙ্গে তোলা পুরোনো একটি ছবি প্রকাশ করে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন কনকচাঁপা। ছবিটি কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানের সময় তোলা হয়েছিল।সেই স্মৃতিচারণ করে কনকচাঁপা জানান, তিশার সঙ্গে ছবি তোলার ইচ্ছা তাঁর মনে জাগতেই অভিনেত্রী এগিয়ে এসে তাঁকে আদর করে বলেন, ‘মা, আসো আমরা ছবি তুলি।’ তিশা তখন আরও বলেছিলেন, সারা পৃথিবীর মানুষ কনকচাঁপাকেই তাঁর মা হিসেবে জানে। তাই তাঁকে ‘মা’ বলে ডাকবেন না তো কী বলবেন!তিশার প্রতি নিজের ভালো লাগার কথাও জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। তাঁর ভাষায়, তিশা খুব ভালো একজন অভিনয়শিল্পী এবং তিনি নিজেও অভিনেত্রীর ভক্ত। অন্যদিকে, তিশাও তাঁকে পছন্দ করেন এবং মায়ের মতো শ্রদ্ধা করেন।তবে দুজনের সম্পর্কের বিষয়ে ভুল ধারণা দূর করতে কনকচাঁপা স্পষ্ট করে বলেন, তিশা তাঁর গর্ভজাত কন্যা নন। চেহারায় কিছুটা মিল থাকায় অনেকে তাঁদের মা-মেয়ে ভাবতে পারেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের মেয়ের পরিচয় জানিয়ে কনকচাঁপা বলেন, তাঁর একমাত্র কন্যাসন্তানের নাম ফারিয়া ইসলাম খান।পোস্টের শেষ দিকে কনকচাঁপা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর এই ব্যাখ্যার পর তিশাকে তাঁর মেয়ে মনে করার ভুল ধারণার অবসান হবে। পাশাপাশি ভক্ত ও অনুরাগীদের প্রতি শুভকামনাও জানান তিনি।রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও কনকচাঁপা ও তিশার মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার সম্পর্ক। তাঁদের এই স্নেহের বন্ধনই ভক্তদের কাছে দুজনকে ঘিরে তৈরি হওয়া কৌতূহলের একটি বড় কারণ।

তিশা কি কনকচাঁপার মেয়ে? যে ব্যাখ্যা দিলেন সংগীতশিল্পী

শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় বিশেষ দিন কাটছে আতিক ডালিমের

সংগীতশিল্পী আতিক ডালিমের আজ জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু ও কাছের মানুষের ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে ঘিরে প্রকাশ পাচ্ছে অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তা।জন্মদিনের এই বিশেষ মুহূর্তে ভক্তদের ভালোবাসা ও শুভকামনা তাঁর আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সংগীতজীবনের পথচলায় শ্রোতাদের এই সমর্থনকে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা হিসেবে দেখছেন তিনি।জন্মদিনের বিশেষ পরিকল্পনা ও অনুভূতি জানতে চাইলে আতিক ডালিম বলেন, এ দিনটি তাঁর কাছে আনন্দের পাশাপাশি নিজের জীবন ও কাজ নিয়ে নতুন করে ভাবার উপলক্ষ। নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়া, সংগীতের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা এবং শ্রোতাদের জন্য ভালো কিছু করার প্রত্যয়ই তাঁর কাছে জন্মদিনের অন্যতম প্রাপ্তি।

শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় বিশেষ দিন কাটছে আতিক ডালিমের

সিনেমা হল আধুনিকায়নে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ বিবেচনায়

দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়ন, সিনেমা হলের আধুনিকায়ন এবং প্রেক্ষাগৃহে দর্শক ফেরাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। এ ক্ষেত্রে সিনেমা হল মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতিসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। এরই অংশ হিসেবে সিনেমা হল মালিকদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া জানতে এ সভার আয়োজন করা হয়েছে।১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে আলোচনাসিনেমা হল টিকিয়ে রাখতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ অর্থ ছাড়ের বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বরাদ্দের অর্থ শুধু সিনেপ্লেক্সের জন্য নয়, প্রচলিত একক পর্দার সিনেমা হলগুলোর আধুনিকায়নেও কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।দর্শক ফেরাতে মানসম্মত চলচ্চিত্রের ওপর গুরুত্বমোবাইল ফোন ও হোম থিয়েটারের প্রসারের কারণে সিনেমা হলের প্রয়োজনীয়তা কমে যাবে—এমন ধারণার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, বড় পর্দায় একসঙ্গে চলচ্চিত্র দেখার অভিজ্ঞতা ঘরে বসে সিনেমা দেখার চেয়ে আলাদা।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও সিনেমা হল সফলভাবে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সিনেমা হলগুলো কেন টিকে থাকতে পারছে না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।প্রেক্ষাগৃহে দর্শক বাড়াতে ভালো মানের চলচ্চিত্র নির্মাণের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি সিনেমা হলের টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে দ্রুত ই-টিকেটিং ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনকে (বিএফডিসি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।চলচ্চিত্র আমদানি-রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনাবিদেশি চলচ্চিত্র আমদানির ক্ষেত্রে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন ইয়াসের খান চৌধুরী। শুধু বিদেশি চলচ্চিত্রের ওপর নির্ভর না করে দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি ও প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানান তিনি।একই সঙ্গে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিদেশে প্রদর্শন ও রপ্তানির মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের সুযোগ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে।দক্ষ শিল্পী তৈরির লক্ষ্যে বিএফডিসির মাধ্যমে ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কর্মসূচি চালুর কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।সভায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন এলাহী চৌধুরীসহ সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সিনেমা হলের সংকট, আধুনিকায়ন, অর্থায়ন, চলচ্চিত্র আমদানি-রপ্তানি এবং দর্শক বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।প্রতিমন্ত্রী সমিতির নেতাদের দাবিদাওয়াগুলো লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলেন। এসব দাবি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেন তিনি।

সিনেমা হল আধুনিকায়নে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ বিবেচনায়

পেছন দিক থেকে ছবি তুললে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি সালমানের

পাপারাজ্জিদের বিরুদ্ধে ফের সরব হয়েছেন বলিউড তারকা সালমান খান। অভিনেত্রীদের সম্মতি ছাড়া পেছন দিক থেকে আপত্তিকর ছবি তোলার প্রবণতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।‘বিগ বস ২০’-এর মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সালমানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।সালমানের দাবি, আগে সতর্ক করার পরও পাপারাজ্জিদের এ ধরনের ছবি তোলার প্রবণতা কমেনি, বরং বেড়েছে। কিছু তারকা নিজেরাই পাপারাজ্জিদের ডেকে এনে এ ধরনের ছবি তোলার জন্য অর্থ দেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সালমান বলেন, কিছু নারী এবং কিছু পুরুষও পাপারাজ্জিদের ডেকে আনেন, তাঁদের টাকা দেন এবং এ ধরনের ছবি তুলতে বলেন। তাঁরা কী-ই বা করবেন?তবে সব তারকা যে এমন ছবি পছন্দ করেন, তা নয় বলে মনে করেন এই অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা এ ধরনের ছবি তুলতে স্বচ্ছন্দ, তাঁদের ক্ষেত্রে তা করা যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা চান না, তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।নেহাকে উদ্দেশ করে সালমান বলেন, “তোমরা যখন এসে বলো যে এ ধরনের ছবি তোলা যাবে না, তারপরও যদি তাঁরা একই কাজ করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”‘বিষয়টিকে মজা হিসেবে নিচ্ছেন’পাপারাজ্জিরা তাঁর আগের সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সালমান। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টিকে তাঁরা মজা হিসেবে নিচ্ছেন। এমনকি কিছু বড় প্ল্যাটফর্মও এ ধরনের কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সালমান বলেন, আমি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।অভিনেত্রীদের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের ছবি তোলার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় সালমানকে ধন্যবাদ জানান নেহা ধুপিয়া। তাঁর মতে, গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চে বিষয়টি তুলে ধরে অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর এবং তাঁদের মতামতের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন সালমান।

পেছন দিক থেকে ছবি তুললে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি সালমানের

আলম আরা মিনুর কণ্ঠে নতুন গান ‘কৃষ্ণ কালা’

দেশের সংগীতাঙ্গনের পরিচিত কণ্ঠশিল্পী আলম আরা মিনুর কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে নতুন মৌলিক গান ‘কৃষ্ণ কালা’। প্রসেনজিৎ মণ্ডলের লেখা ও সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন আলামিন খান। গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন তৌফিক। সম্প্রতি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।নতুন গানটি নিয়ে আশাবাদী আলম আরা মিনু। তাঁর মতে, কথা, সুর ও সংগীতায়োজনে রয়েছে ভিন্নতা। বাণিজ্যিক ঘরানার হলেও গানটিতে আলাদা বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাবেন শ্রোতারা।গানটি প্রসঙ্গে আলম আরা মিনু বলেন, ‘গানটির কথা ও সুর আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। অনেক দিন পর একদম ভিন্ন ধাঁচের একটি মৌলিক গান গাইলাম। গানটি একটু বাণিজ্যিক ঘরানার; তবে এর কথা, সুর ও সংগীতায়োজনের মধ্যে বেশ ভিন্নতা রয়েছে। মিউজিক ভিডিওটিও খুব চমৎকারভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। আশা করছি গানটি শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যাবে।এমন একটি গান গাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় গীতিকার ও সুরকার প্রসেনজিৎ মণ্ডলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই শিল্পী।নতুন গান ও টেলিভিশন আয়োজন‘কৃষ্ণ কালা’ প্রকাশের পাশাপাশি অন্যান্য কাজ নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটছে আলম আরা মিনুর। সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ‘গান বাক্স’ অনুষ্ঠানে তিনি পরিবেশন করেছেন ‘কিছুটা ভালোবাসি’ শিরোনামের একটি মৌলিক গান। লালন লোহানীর লেখা গানটির সুর করেছেন নাজির মাহমুদ।এদিকে, খুব শিগগিরই জিটিভিতে প্রচারিত হবে আলম আরা মিনুর একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার।নতুন গানেও কণ্ঠ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই শিল্পী। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জহুরুল ইসলাম জনির কথা ও সুরে একটি এবং মান্নান মোহাম্মদের সুরে আরও একটি মৌলিক গানে তাঁর কণ্ঠ দেওয়ার কথা রয়েছে।বিটিভিতে মিনুর সুরের বিশেষ আয়োজননতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি বিটিভির জন্য আলম আরা মিনুর নিজের সুর করা গান নিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। মৌলিক গাননির্ভর এই আয়োজনে তাঁর নিজের সুরের গান ছাড়াও অন্যান্য গুণী সুরকারের সৃষ্টিও স্থান পাবে।দীর্ঘ সংগীতজীবনে জনপ্রিয় ও স্মরণীয় অনেক গান উপহার দিয়েছেন আলম আরা মিনু। ‘যে মাটির বুকে লুকিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা’, ‘রাজপ্রাসাদের সুখ চাই না আমি’, ‘সেই তারা ভরা রাতে’, ‘সোনা দানা দামি গহনা’, ‘যে বাতাসে ফুটে ফুল’ এবং ‘তারপর একযুগ কেটে গেলো’ এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা সংগীতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।নতুন গান ‘কৃষ্ণ কালা’ দিয়ে শ্রোতাদের কাছে আবারও নতুনভাবে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করছেন এই কণ্ঠশিল্পী।

আলম আরা মিনুর কণ্ঠে নতুন গান ‘কৃষ্ণ কালা’

৭৫ বছরে মারা গেলেন অভিনেতা নানা পাটেকর

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়িতে বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।অভিনয়ে পথচলা ‘গমন’ দিয়েনানা পাটেকরের আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের মুরুদ-জঞ্জিরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি।অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক ও লেখকঅভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ ও লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর পরিচয় দিয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ারে সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কারও পেয়েছেন এই অভিনেতা।ক্রান্তিবীর -এ তুমুল প্রশংসাক্রান্তিবীর সিনেমায় প্রতাপনারায়ণ তিলকের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পান নানা পাটেকর। চরিত্রটির ক্রোধ, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের তীব্র প্রকাশ তাঁর অভিনয়কে আলাদা মাত্রা দেয়। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।এরপর অগ্নিসাক্ষী সিনেমায় মানসিকভাবে বিপজ্জনক এক স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেও জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পান নানা পাটেকর। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। 

৭৫ বছরে মারা গেলেন অভিনেতা নানা পাটেকর

নিউইয়র্কে প্রথমবার মুসলিম নির্মাতাদের চলচ্চিত্র উৎসব

মুসলিম নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো আয়োজন হতে যাচ্ছে বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসব। ‘নিউ ইয়র্ক মুসলিম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ (এনওয়াইএমএফএফ) নামের এই আয়োজনে মুসলিম সংস্কৃতি, জীবনযাপন ও অনুভূতির নানা বাস্তব গল্প তুলে ধরা হবে।আন্তর্জাতিক বিনোদনবিষয়ক সাময়িকী ভ্যারাইটি জানিয়েছে, আগামী ১১ অক্টোবর ম্যানহাটনের ঐতিহ্যবাহী এসভিএ থিয়েটারে দিনব্যাপী উৎসবটির আয়োজন করা হবে। নিউইয়র্ক সিটিতে মুসলিম স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য এটিই প্রথম বড় আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম।উৎসবের আয়োজকেরা বলছেন, মুসলিমদের নিয়ে প্রচলিত ও বাঁধাধরা ধারণার বাইরে গিয়ে তাঁদের নিজেদের গল্পকে সামনে আনাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।উৎসবের আর্ট ডিরেক্টর হাসান বাবর বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমে মুসলিমদের নিয়ে তৈরি ভুল ধারণার শুধু প্রতিবাদ করাই তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। মুসলিমদের নিজেদের সত্য গল্পগুলোকে চলচ্চিত্রের জগতে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক নাওয়াল মুবিন বলেন, “এই শহরে মুসলিমদের নিজেদের গল্পগুলোর স্বগৌরবে আলো ছড়ানোর অধিকার রয়েছে; অন্য কারো তৈরি করা গণ্ডির সীমানায় থেকে নয়।”বিশেষ সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে উৎসবের কার্যক্রম শুরু হবে। দিনব্যাপী আয়োজনে বিশ্বের সাতটি দেশের মোট ১২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর অর্ধেকের বেশি পরিচালনা করেছেন নারী নির্মাতারা।উৎসবে ড্রামা, কমেডি, প্রামাণ্যচিত্র, অ্যানিমেশন ও সোশ্যাল এক্সপেরিমেন্ট—বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ছবিগুলো দুটি পৃথক পর্বে দেখানো হবে। পরে সেরা কাজের জন্য বিশেষ জুরি সম্মাননা ও পুরস্কার দেওয়া হবে।ছয় সদস্যের জুরি বোর্ডে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ও বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন ‘দ্য ডেইলি শো’–খ্যাত এমি পুরস্কারজয়ী তারকা আসিফ মান্ডভি, সেনেফিলিয়া প্রডাকশনসের প্রতিষ্ঠাতা ও আরব-আমেরিকান পরিচালক দারিন হোতাইত, ওয়াটারমেলন পিকচার্সের প্রযোজনা প্রধান মুনীর আতাউল্লাহ এবং পাকিস্তানি অস্কার মনোনীত চলচ্চিত্র ‘দ্য গ্লাসওয়ার্কার’-এর প্রযোজক আবুবকর খান।আয়োজকদের প্রত্যাশা, মুসলিম নির্মাতাদের নিজস্ব গল্প ও সৃজনশীলতাকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে নতুন এই চলচ্চিত্র উৎসব একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে।

নিউইয়র্কে প্রথমবার মুসলিম নির্মাতাদের চলচ্চিত্র উৎসব

পছন্দের ব্র্যান্ডের সঙ্গে এবার পেশাগতভাবে কেয়া পায়েল

রাজধানীর হোটেল সারিনায় রিমার্কের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লিলি বেস্ট প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ অনুষ্ঠান। জমকালো এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে লিলি ব্র্যান্ডের সঙ্গে তার নতুন পথচলার ঘোষণা দেওয়া হয়।প্রেস মিটে কেয়া পায়েলকে রিমার্কের ব্র্যান্ড ‘লিলি’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ সময় লিলির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে নিজের আনন্দ ও অনুভূতি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।কেয়া পায়েল জানান, মিডিয়ায় কাজ শুরু করার আগে থেকেই ব্যক্তিগত জীবনে তিনি লিলি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করে আসছেন। বিশেষ করে লিলি বডি ওয়াশসহ ব্র্যান্ডটির বেশ কিছু প্রসাধনী তার পছন্দের বলে জানান তিনি।অভিনেত্রী বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আগে থেকেই ব্যবহার করা একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে এবার পেশাগতভাবে যুক্ত হতে পারা তার জন্য আনন্দের বিষয়। লিলির পণ্যের প্রতি নিজের আস্থা ও ভালো লাগার কথাও তুলে ধরেন তিনি।অনুষ্ঠানে গর্জিয়াস লুকে দেখা যায় কেয়া পায়েলকে। ‘লিলি বেস্ট প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পণ্যের মোড়ক উন্মোচন ও উদযাপন পর্বেও অংশ নেন তিনি। পাশাপাশি উপস্থিত অতিথি ও ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।নতুন এই পথচলার মধ্য দিয়ে কেয়া পায়েল ও লিলি ব্র্যান্ডের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অংশীদারিত্বের সূচনা হলো।

পছন্দের ব্র্যান্ডের সঙ্গে এবার পেশাগতভাবে কেয়া পায়েল

দেশে চাঁদাবাজি ও অশিক্ষিত মানসিকতার বিস্তার: সাদিয়া আয়মান

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে ‘হৃদয়বিদারক’ ও ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে সাদিয়া আয়মান লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য। তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’স্টুডিওতে হামলার পাশাপাশি দেশে চাঁদাবাজি ও ‘অশিক্ষিত মানসিকতার’ বিস্তার নিয়েও ক্ষোভ জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘এতো অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে, যে ওরা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি আর দেখলেও সেটা হজম করতে পারে না।’পোস্টের শেষাংশে ঘটনাটিকে ‘চরম লজ্জার’ ও ‘ধিক্কারজনক’ বলে মন্তব্য করেন সাদিয়া। একই সঙ্গে তিনি হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেন।মূল পোস্টের পাশাপাশি মন্তব্যের ঘরেও সমালোচকদের জবাব দেন অভিনেত্রী। তাঁর দাবি, যাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল, তাদেরই কেউ কেউ পরে চাঁদাবাজদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করছেন।এ ধরনের মন্তব্যকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন সাদিয়া। তিনি বলেন, নেতিবাচক বা চাঁদাবাজদের পক্ষে করা এসব মন্তব্য ভবিষ্যতে মন্তব্যকারীদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের কাছেও দৃশ্যমান থাকবে। সাদিয়া আয়মানের পোস্ট ও পরবর্তী মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ ও সালমান মুক্তাদিরের ভক্তরা স্টুডিওতে হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দেশে চাঁদাবাজি ও অশিক্ষিত মানসিকতার বিস্তার: সাদিয়া আয়মান

এন্ডগেম এনকোর নিয়ে ফিরছে অ্যাভেঞ্জার্স, সঙ্গে জেসন স্ট্যাথামের ‘মিউটিনি’

অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে মুক্তির অপেক্ষায় যখন মার্ভেল ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে, তখনই বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। বড় পর্দায় আবারও ফিরছে ২০১৯ সালের আলোচিত ছবি অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম। তবে এবার এটি শুধু পুনর্মুক্তি নয়, বরং নতুন দৃশ্য ও অতিরিক্ত ফুটেজসহ বিশেষ সংস্করণ অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম এনকোর ।আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী একযোগে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। একই দিনে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে বাংলাদেশের দর্শকরাও এটি দেখার সুযোগ পাবেন।এন্ডগেম এনকোর-এ যুক্ত হয়েছে প্রায় চার মিনিটের নতুন দৃশ্য, একটি নতুন ভূমিকা এবং অতিরিক্ত ক্রেডিট দৃশ্য। এতে সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ১৮৫ মিনিটে। টনি স্টার্কের আত্মত্যাগ, নাতাশার বলিদান কিংবা ক্যাপ্টেনের হাতে মজলনির ফিরে আসার মতো স্মরণীয় মুহূর্তের পাশাপাশি নতুন ফুটেজে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ নিয়ে বিশেষ ইঙ্গিতও রাখা হয়েছে।আগামী ডিসেম্বরের ‘ডুমসডে’ বুঝতে মার্ভেল সম্প্রতি ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা ও সিরিজের একটি বিশেষ তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় গল্পের গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র ঝালিয়ে নিতেই এন্ডগেম এনকোর নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।পরিচালক জো রুশোর ভাষ্য, এনকোর মূলত মার্ভেলের পরবর্তী অধ্যায়ের সঙ্গে দর্শকদের সংযোগ তৈরির একটি সেতু হিসেবে কাজ করবে। মুক্তির আগে প্রকাশিত নতুন সংস্করণের ট্রেলারও পেয়েছে ব্যাপক সাড়া। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ট্রেলারটি ৭৭ মিলিয়ন ভিউ অর্জন করে রি-রিলিজ ট্রেলারের ক্ষেত্রে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।এদিকে অ্যাভেঞ্জার্স ডুমসডে নিয়েও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে নতুন ইতিহাস গড়েছে সিনেমাটি। শুধু উত্তর আমেরিকার বাজারেই প্রায় ৬০০ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।মার্ভেল ভক্তদের পাশাপাশি অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্যও ২৫ সেপ্টেম্বর থাকছে বিশেষ আয়োজন। একই দিন থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা জেসন স্ট্যাথামের নতুন সিনেমা মিউটিনি।জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে পরিচালিত মিউটিনি’তে নিউইয়র্ক পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা কোল রিডের চরিত্রে অভিনয় করেছেন স্ট্যাথাম। গল্পে দেখা যায়, এক ধনকুবেরের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় রিডের চোখের সামনে তার বস খুন হন। পরে সেই হত্যাকাণ্ডের দায় এসে পড়ে রিডের ওপর। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের পাশাপাশি প্রকৃত খুনিদের খুঁজে বের করতে কার্গো জাহাজে পালিয়ে ওঠেন রিড। এরপর সমুদ্রের মাঝেই তিনি জড়িয়ে পড়েন একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে। জেসন স্ট্যাথামের সঙ্গে সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অ্যানাবেল ওয়ালিস ও রোল্যান্ড মোলার। ‘আর রেটেড’ এই অ্যাকশন থ্রিলারটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দর্শকদের টানটান উত্তেজনায় রাখবে।

এন্ডগেম এনকোর নিয়ে ফিরছে অ্যাভেঞ্জার্স, সঙ্গে জেসন স্ট্যাথামের ‘মিউটিনি’

বকুল ফুল নাটকে পাগলি চরিত্রে সামিরা খান মাহী

নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে সামিরা খান মাহীকে নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকদের। সাবলীল অভিনয় এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা তাঁর কাজগুলোতে স্পষ্ট। ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ‘বকুল ফুল’ নাটকে পাগলি চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ‘বিয়ে করতে গিয়ে’, ‘সকাল বিকাল রাত্রি’, ‘গার্লস স্কোয়াড’সহ বেশ কিছু নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।মাহী মনে করেন, একই ধরনের চরিত্রে আটকে না থেকে অভিনয়ে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। দর্শকের পছন্দের বিষয়টি মাথায় রেখেও নিজের অভিনয়ের পরিধি বাড়াতে চান তিনি। নিজের অভিনয়জীবন, জনপ্রিয়তা, বৈচিত্র্যময় চরিত্র ও সিনেমায় কাজের ইচ্ছা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।যেভাবে অভিনয়ে এলেন২০১৪ সালে ‘র‌্যাং আরটিভি ২০ ২০ কালারস মডেল সার্চ প্রতিযোগিতা’র মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন সামিরা খান মাহী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়ে মডেলিংয়ে পা রাখেন তিনি। এরপর বাংলালিংক, প্রাইড গার্লস, সেলরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেন।অভিনয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয় ধারাবাহিক নাটক ‘তরুণ তুর্কী’র মাধ্যমে। এরপর ‘পারিবারিক গোলযোগ’, ‘নীড় খোঁজে গাঙচিল’, ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’, ‘শুভ্রার ওয়ারড্রব’, ‘আকাশ বাড়িয়ে দাও’, ‘ম্যাচিং ব্রাদার’, ‘এক পা দু-পা’সহ বিভিন্ন নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে টেলিফিল্ম ‘মায়াবী ফারিহা’ এবং ওয়েব সিরিজ ‘গার্লস স্কোয়াড’।‘গার্লস স্কোয়াড’, ‘হাঙর’ ও ‘বকুল ফুল’ যে পরিবর্তন আনলনিজের ক্যারিয়ারের মোড় ঘোরার সময় হিসেবে ‘গার্লস স্কোয়াড’, ‘হাঙর’ ও ‘বকুল ফুল’-এ অভিনয়ের সময়টিকে উল্লেখ করেছেন মাহী। তাঁর ভাষ্য, ওই সময় আরও কয়েকটি নাটকে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর থেকেই দর্শক তাঁকে আরও গুরুত্ব দিয়ে নিতে শুরু করেন।মাহী বলেন, একসময় দর্শকের নাটক দেখার প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিভিশন। এখন ইউটিউবেও নাটক দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন শিল্পীদের আসাটাও স্বাভাবিক। তাঁদের মধ্য থেকে দর্শক পছন্দের শিল্পীকে গ্রহণ করে নেবেন।তাঁর মতে, জনপ্রিয়তা পাওয়া আগের তুলনায় কিছুটা সহজ হলেও সেটি ধরে রাখা কঠিন। মাহী বলেন, তিনি যে সময়ে অভিনয় শুরু করেন, তখন তাঁর সঙ্গে আরও প্রায় ২০ জন শিল্পী এসেছিলেন। সবাই একইভাবে দর্শকের কাছে জায়গা করে নিতে পারেননি। তাঁর ভাষায়, দর্শকের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে ভালোবাসা পাওয়া খুব কঠিন। অল্প সময়ে দর্শকের ভালোবাসা পাওয়াকে নিজের সৌভাগ্য মনে করেন তিনি।‘ভার্সেটাইল অভিনেত্রী হতে চাই’নিজেকে একটি নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রের মধ্যে আটকে রাখতে চান না সামিরা খান মাহী। তাঁর ইচ্ছা, সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা।তবে তাঁর মতে, দর্শক কোনো শিল্পীকে একটি নির্দিষ্ট ধরনের চরিত্রে বেশি পছন্দ করলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। ভিউয়ের বিষয়টিও তখন সামনে আসে। যদিও ভালো কাজের ক্ষেত্রে সব সময় ভিউকে গুরুত্ব দিতে চান না তিনি।মাহী মনে করেন, শিল্পীরা যদি নিয়মিত নতুন কিছু দর্শকদের উপহার দেন, তাহলে ধীরে ধীরে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতার জায়গাটিও তৈরি হবে। একই ধরনের কাজ বারবার করতে থাকলে নতুন কিছু করার সুযোগ কমে যায়। এ কারণে কখনো কখনো তাঁর মন খারাপ হয় বলেও জানান তিনি।‘সবার নিজস্বতা থাকা দরকার’অভিনয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিল্পীর নিজস্বতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন মাহী। নিজের বিশেষ দক্ষতা হিসেবে সিলেটি ভাষায় কথা বলার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দর্শকও এটি পছন্দ করেন।তাঁকে কেউ বড়লোকের চরিত্রে ভালো মানানসই মনে করেন, আবার গ্রামের চরিত্রেও ভালো করার কথা বলেন। তবে অন্য কোনো অভিনেত্রীকে নিজের প্রতিযোগী মনে করেন না মাহী।তাঁর মতে, কাউকে প্রতিযোগী ভাবলে হিংসার বিষয়টি চলে আসতে পারে। বরং সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে চান তিনি।‘আমি একদম পানির মতো’নিজের অভিনয়ের ধরন বোঝাতে মাহী বলেন, তিনি অনেকটা পানির মতো। যে পাত্রে রাখা হয়, সেই পাত্রের আকার ধারণ করেন।মাহীর ভাষায়, তিনি মনে করেন না যে কেউ তাঁকে প্রতিযোগী হিসেবে দেখেন। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করাও তাঁর পছন্দ নয়।‘হাওয়া’ দেখে সিনেমার আগ্রহ‘হাওয়া’ সিনেমাটি দেখার পর বড় পর্দায় অভিনয়ের আগ্রহ তৈরি হয়েছে সামিরা খান মাহীর। তবে শুধু গ্ল্যামারনির্ভর চরিত্র নয়, গল্প ও চরিত্রের গুরুত্বকেই বেশি প্রাধান্য দিতে চান তিনি।‘হাওয়া’ সিনেমার উদাহরণ দিয়ে মাহী বলেন, সিনেমাটিতে তুষিকে খুব বেশি গ্ল্যামারাসভাবে উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু তাঁর চরিত্রটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের চরিত্রেই কাজ করতে চান তিনি।কম কাজ হলেও বেছে কাজ করতে চানগতানুগতিক অভিনেত্রী হতে চান না মাহী। তাই যেকোনো গল্প বা চরিত্রে অভিনয় করার পক্ষপাতী নন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে বরাবরই বৈচিত্র্য রাখতে চান। গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ের কারণে অন্যদের তুলনায় তাঁর কাজের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও এতে আপত্তি নেই তাঁর। বরং ভালো কাজের সংখ্যা কম হলেও তা দীর্ঘদিন দর্শকের মনে জায়গা করে রাখতে পারে—এমনটাই বিশ্বাস সামিরা খান মাহীর।

বকুল ফুল নাটকে পাগলি চরিত্রে সামিরা খান মাহী

পাঁচ বছর পর ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে শাকিব খান

নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড সিটির ‘ইভাঞ্জেল চার্চ সেন্টার’-এ আগামী ১০ অক্টোবর বসছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’। চলচ্চিত্র, সংগীত, নাটক ও ফ্যাশনসহ বিভিন্ন শাখায় সেরা তারকাদের সম্মাননা দেওয়া হবে এবারের আয়োজনে।দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এই আয়োজনের মঞ্চে ফিরছেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান। সর্বশেষ ২০২১ সালে নিউইয়র্কের জামাইকায় অনুষ্ঠিত ১৯তম আসরে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এবার সম্মাননা গ্রহণ ও প্রদান করার পাশাপাশি বিশেষ পারফর্ম্যান্সেও অংশ নেবেন এই অভিনেতা।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নিরব, তমা মির্জা, স্পর্শিয়া, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, শিরীন শিলা এবং সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন ও এস আই টুটুল।বড় আয়োজনের প্রস্তুতিশো টাইম Music-এর সিইও খাইরুল ইসলাম খোকনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবারের আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মূল উপস্থাপনা ও প্রোগ্রাম প্ল্যানিংয়ের দায়িত্বে থাকছেন শারমিনা সিরাজ সোনিয়া। নেপথ্যে সহযোগিতা করছেন মেহেদী হাসান, সাফওয়াত গণি ও রকি আলিয়ানে।শারমিনা সিরাজ সোনিয়া বলেন, প্রথমবারের মতো ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডের মতো বড় আয়োজনের উপস্থাপনা করতে যাচ্ছি। শাকিব খানের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আমাদের মিটিং সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য শিল্পীদের বিষয়েও সব চূড়ান্ত। আশা করছি এবারের আয়োজন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্ণাঢ্য হবে।স্মৃতিতে মনপুরাচঞ্চল চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালে ‘মনপুরা’ মুক্তির পর প্রথমবার এই অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিয়েছিলাম। এরপর আরও কয়েকবার গিয়েছি। এবারের বর্ণিল আয়োজনের জন্য শুভকামনা রইল।গান দিয়ে দর্শক মাতাতে প্রস্তুত রিজিয়া পারভীনও। নিউইয়র্কের এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন স্পর্শিয়া ও কানাডায় অবস্থানরত শিরীন শিলাও। নাচ, গান, তারকাদের উপস্থিতি এবং পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে ১০ অক্টোবর নিউইয়র্কে বসতে যাচ্ছে জমকালো এই সাংস্কৃতিক আসর। তবে এবারের আসরে কারা সম্মাননা পাচ্ছেন, তা জানতে ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে অনুষ্ঠানটির রাত পর্যন্ত।

পাঁচ বছর পর ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে শাকিব খান