ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

জাতীয়

বেনামি ফটোকার্ডে অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

বেনামি ফটোকার্ডে অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেনামি গণমাধ্যমের ফটোকার্ড ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেন কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি না ঘটে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব বিষয় নজরে রেখেই সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩২০

দেশে হামের প্রকোপ বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩২০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪৪। এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ১০০ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৪ শিশুর।একসময় হাম নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ এখন দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮১ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৩৯ শিশু।একই সময়ে ১ হাজার ১৪১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ৭৯ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ রোগী। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন। হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এরই মধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে।

হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩২০

তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে অনুমোদন, ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা

রাজধানীতে মেট্রোরেল সম্প্রসারণে তিনটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো মেট্রোরেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রোরেল লাইন-১ এবং মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট। তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়িত এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।এ ছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্পও অনুমোদন দিয়েছে একনেক। তিন প্রকল্পের অনুমোদনের ফলে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার মধ্যে মেট্রোরেল যোগাযোগ সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল।

তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে অনুমোদন, ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা

স্থানীয় সরকারকে সক্ষম করতে ইউএনডিপির সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার

দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্ষম ও কার্যকর করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ইউএনডিপির সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় আসে।মন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির কারিগরি অভিজ্ঞতা সরকারের জন্য সহায়ক হতে পারে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও এসডিজি বাস্তবায়নের বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতি ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা গেলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার আসাদুজ্জামান ও আনোয়ারুল হক, আন্তর্জাতিক প্রকল্প ব্যবস্থাপক যুগেশ প্রধানাং এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারকে সক্ষম করতে ইউএনডিপির সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার

২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮৯ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প করবে পিডিবি

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) নিজস্ব অর্থায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে সারাদেশে মোট ৬৮৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিভিন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে বড় আকারের গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি পিডিবির নিজস্ব ভবন ও জমিতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।পিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) প্রণয়ন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমিও নির্বাচন করা হয়েছে।পিডিবি ইতোমধ্যে বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।অন্যদিকে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করেছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।পিডিবির ওই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই সংস্থাটি ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করেছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে।পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির নিজস্ব ভবন ও জমিতে ১৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য দুই বছর আগে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও অন্যান্য স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।এর মধ্যে কাপ্তাইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং একাডেমিতে ১৭০ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। চট্টগ্রাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৩০ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার একটি ব্যবস্থা চলতি বছরের জুনে এবং রাজশাহী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১২০ কিলোওয়াট-পিকের একটি ব্যবস্থা ৫ সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর খুলনা পাওয়ার প্ল্যান্টে ২৬৮ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার আরেকটি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করা হয়।এদিকে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর কাজ করছে পিডিবি।পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৩০০ কিলোওয়াট-পিক, কাটাখালীতে ৭৩ কিলোওয়াট-পিক, বাঘাবাড়ী পাওয়ার স্টেশনে ৬৫ কিলোওয়াট-পিক, ভোলা ২২৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১৯০ কিলোওয়াট-পিক, কক্সবাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২৩০ কিলোওয়াট-পিক, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩৩২ কিলোওয়াট-পিক, ঘোড়াশাল পাওয়ার স্টেশনের ভবনগুলোতে ১ হাজার ৩০০ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৮৭ কিলোওয়াট-পিক, চট্টগ্রাম পাওয়ার স্টেশনে ৩৯০ কিলোওয়াট-পিক, দোহাজারী-কালীআইশ ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ১২২ কিলোওয়াট-পিক, শিকলবাহা পাওয়ার প্ল্যান্টে ৭৫০ কিলোওয়াট-পিক, হাটহাজারী ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টে ৮৬ কিলোওয়াট-পিক এবং ঘোড়াশাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ১৭০ কিলোওয়াট-পিক ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চলছে।পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বাসসকে বলেন, পিডিবির মালিকানাধীন অব্যবহৃত ছাদ ও জমিতে নিজস্ব অর্থায়নে এসব সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলবায়ু সংক্রান্ত অঙ্গীকার পূরণে সহায়তা করবে পিডিবি।তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিপর্যায়ে নিজ বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে মানুষকে উৎসাহিত করবে।

২০৩০ সালের মধ্যে ৬৮৯ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প করবে পিডিবি

ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় পরিবর্তন হতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্ট্রাটেজি ও তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রয়োজনে ইসির ঘোষিত সময় পেছানো বা এগিয়ে দেওয়া হতে পারে।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচন। এর বাইরে অন্যান্য নির্বাচন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন নিজেদের মতো করে সময় ঘোষণা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যকেই বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।আজ সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। এর আগে নির্বাচন কমিশন নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এ নিয়ে কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে ‘গ্যাপ’ হিসেবে দেখার কিছু নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে থেকেই কাজ করবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। একটা টাইমলাইন তো আপনাদের কাছে জানানো হয়েছে। এটাকে ফলো করে সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোলাবোরেট করে নির্বাচনে যাবে। নির্বাচন তো করবেই, নির্বাচন তো হবেই এটা নিয়ে কোনো কনফিউশনের কিছু নেই।তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়কে সরকারের সিদ্ধান্তের নির্দিষ্ট টাইমলাইন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার চাইলে ওই সময়ে নির্বাচন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আবার আলোচনার মাধ্যমে সময় পেছানো বা এগিয়ে নেওয়াও হতে পারে। ফলে ইসি যে তারিখ ঘোষণা করেছে, ঠিক সেই তারিখেই নির্বাচন হবে এমনটি নিশ্চিত করে বলা যায় না।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে কি না, এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন পরিবর্তন করে কোনো কোনো নির্বাচন সরকারের মাধ্যমে আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া সম্ভব। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচন স্বতন্ত্রভাবে পায়, আর অন্যান্য নির্বাচন আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়।ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময় উল্লেখ করে আইন ভঙ্গ করেছে কি না এমন প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তিনি বিষয়টিকে এভাবে বলতে চান না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়াই ভালো হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে কি না জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার এই অবস্থানেই থাকবে। বিষয়টিকে সংঘাত হিসেবে দেখার চেষ্টা করা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় পরিবর্তন হতে পারে:  তথ্য উপদেষ্টা

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে বিমানযোগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রশাসকসহ রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেটকারে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে সার্কিট হাউস থেকে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে তিনি হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারও জিয়ারত করবেন।মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউসে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেলে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। অনুষ্ঠান শেষে আবার সার্কিট হাউসে ফিরবেন তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বঙ্গভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল

রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন তাঁরা।সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।বৈঠকে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন ও রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ইউপি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই নির্বাচন কমিশন সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার কথা। কিন্তু এবার তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সরকারকে কিছুই জানানো হয়নি।স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, তফসিল নিয়ে সরকার কিছুই জানে না। পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবেও নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, আজকে আমি এতটুকুই বললাম, প্রশ্ন নেব না। প্রশ্ন নিলে প্যাচ লাগে। তিনি সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনো আলোচনা হয়নি এ বিষয়টিই স্পষ্ট করেন।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার সিলেটে যাচ্ছেন

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার সিলেট সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সফরসূচি অনুযায়ী, ওই দিন বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি।বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রপতি সিলেট সার্কিট হাউসে যাবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার এবং দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।বেলা সাড়ে ৩টায় নগরভবনের সামনে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। কর্মসূচি শেষে রাত ৮টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে তাঁর।রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।সফর ঘিরে প্রস্তুতিরাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির কর্মসূচির স্থান, যাতায়াতের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।রোববার বিকেলে হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের প্রস্তুতি ও চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি মাজার এলাকা ঘুরে দেখেন এবং রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে সিসিকের নেওয়া প্রস্তুতির অগ্রগতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে খোঁজ নেন।সিসিক প্রশাসক বলেন, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারসহ নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে সিলেট সিটি করপোরেশন নিয়মিত কাজ করে আসছে। রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে এসব কাজ আরও গতিশীল করা হয়েছে।জোরদার নিরাপত্তাব্যবস্থারাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। সফর উপলক্ষে গত শনিবার সমন্বয় সভা করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। সভায় সভাপতিত্ব করেন এসএমপির পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার সিলেটে যাচ্ছেন

হাম-রুবেলা টিকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল, টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ শিশু

চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু টিকা নিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এসেছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের মার্চের শেষ দিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। এর প্রথম ধাপে ৫ এপ্রিল দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১২ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ—এই চার সিটি করপোরেশনে টিকাদান শুরু করা হয়। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, যা এখনো চলমান।তবে দেশে এখনো হামের প্রাদুর্ভাব থাকায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাম প্রতিরোধে সরকার নতুন করে ব্যাপক টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুরুতে সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে টিকাদানের হার।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়া। কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকা নিয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু।বিভাগভিত্তিক টিকাদানস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-রুবেলা টিকার সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে ১১ লাখ ১০ হাজার ৬৯৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৮ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৯১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২ লাখ ১৩ হাজার ১৯৭ জন, রংপুর বিভাগে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৫ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে।সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে বরিশালে ৪৪ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রামে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭০ জন, কুমিল্লায় ৪৮ হাজার ৬৪৩ জন, ঢাকা উত্তরে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৮ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৯৭২ জন, গাজীপুরে ২ লাখ ৬ হাজার ৯২৭ জন, নারায়ণগঞ্জে ৮৩ হাজার ৬৯৭ জন, খুলনায় ৯৬ হাজার ৭৯২ জন, ময়মনসিংহে ৬২ হাজার ৩০৫ জন, রাজশাহীতে ৬৩ হাজার ৫৯ জন, রংপুরে ৮২ হাজার ২৫৩ জন এবং সিলেটে ৭২ হাজার ৩৪৯ জন শিশু টিকা নিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, শিশুদের টিকাদান একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেটি সরকারের বাড়তি তৎপরতার অংশ।তিনি বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য, যাতে কোনো শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে।

হাম-রুবেলা টিকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল, টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ শিশু

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দেশটির রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। পাকিস্তান থেকে তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হবে। একই ধরনের বাণিজ্য মেলা পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তৈরি পণ্য নিয়ে আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে চলতি বছর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়টি তুলে ধরে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি চা রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এবং ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্যের পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের কথাও বলেন তিনি।সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাঁকে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

টঙ্গীর ইজতেমা নিয়ে মুচলেকার দাবি অপপ্রচার: তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ

২০২৫ সালের পর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে ইজতেমা না করার বিষয়ে নিজামুদ্দিনপন্থিরা কোনো মুচলেকা দেয়নি বলে দাবি করেছে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ। সংগঠনটির দাবি, মুচলেকা দেওয়ার কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।একই সঙ্গে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ইজতেমা আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা বন্ধসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি তুলে ধরেন তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের সাথি শফিক বিন নাঈম।লিখিত বক্তব্যে শফিক বিন নাঈম বলেন, ইজতেমা ময়দানের মালামাল বুঝে নেওয়ার জন্য নিজামুদ্দিন অনুসারীদের পক্ষ থেকে দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা পরবর্তী বছর থেকে টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা না করার বিষয়ে কোনো মুচলেকা দেননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির পত্রেও এ ধরনের কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি।তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পত্রে পরবর্তী সময়ে ইজতেমা না করার শর্ত উল্লেখ করা হলেও নিজামুদ্দিন অনুসারীরা এতে একমত হননি। বিষয়টি ২৮ জানুয়ারি লিখিতভাবে জানানো হয়। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগের শর্ত থেকে সরে এসে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ৭৭ নম্বর পত্র জারি করে।২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গী ময়দানে সংঘটিত হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। শফিক বিন নাঈম বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও সেমিনারে মাওলানা সাদ অনুসারীদের দোষী সাব্যস্ত করে সরকার ও তদন্তকারী সংস্থার ওপর চাপ প্রয়োগ করা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্তরায়।মাওলানা সাদ সম্পর্কে শফিক বিন নাঈম বলেন, তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও দ্বীনের প্রচারক। তাঁর দাবি, মাওলানা সাদ কখনো ইসলামবিরোধী, নবীদের শানে বেয়াদবিপূর্ণ কিংবা উপমহাদেশের ওলামায়ে কেরামের আকিদাবিরোধী কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য দেননি। যাঁরা এ বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করেন, তাঁদের সঙ্গে নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে তথ্যভিত্তিক আলোচনা ও দলিল উপস্থাপনের মাধ্যমে বিভ্রান্তি দূর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।সাত দফা দাবিসংবাদ সম্মেলনে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো—১. টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীদের জন্য আগামী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ অনতিবিলম্বে ঘোষণা করা।২. টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সরকারের নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের ইজতেমা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় তা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করা।৩. কাকরাইল মসজিদ ‘তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের’ প্রাপ্য দাবি করে সেটি তাদের বুঝিয়ে দেওয়া।৪. দেশের সব মসজিদে বাধাহীনভাবে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং কেউ যাতে কাউকে বাধা দিতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারি আদেশ জারি করা।৫. অপপ্রচার ও মিথ্যাচার রটনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।৬. জুবায়েরপন্থীদের পাঁচজনকে সব অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী দাবি করে ওই পাঁচজনের আয়-ব্যয়ের তথ্য সংগ্রহ ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাঁদের কথিত অপকর্মের মূলোৎপাটন করা।৭. মাওলানা সাদকে প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও দ্বীনের প্রচারক উল্লেখ করে তাঁর বক্তব্য কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নয় এ দাবি তুলে সমালোচকদের এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ জানানো।

টঙ্গীর ইজতেমা নিয়ে মুচলেকার দাবি অপপ্রচার: তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ

১৭ সেপ্টেম্বরের তারেক রহমানের ফেনী সফর স্থগিত, নতুন তারিখ ১ অক্টোবর

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে তিনি ফেনী সফর করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুল করিম। তবে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মুন্সী রফিকুল আলম মজনু জানিয়েছেন, নতুন নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী ফেনী সফরে আসবেন।রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, অবকাঠামো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অক্টোবরের নির্ধারিত সময়ের আগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।মুন্সী রফিকুল আলম মজনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী ফেনী আসবেন এমন প্রস্তুতি ব্যাপকভাবে নেওয়া হচ্ছিল। তবে রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে সফরটি স্থগিত করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত তারিখে তিনি ফেনী সফর করবেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করবেন। সফর স্থগিত হলেও প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পরশুরাম ও ফুলগাজীতে প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। সফরকালে পরশুরামে সম্প্রতি একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের’ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এদিকে পরশুরাম-সুবা বাজার সড়কের মুহুরী নদীর তীরে মাটি সমতল করে সভাস্থল, মঞ্চ ও উদ্বোধনী ফলক তৈরির কাজ চলছে। শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) নির্মাণাধীন পথসভাস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছে।সম্ভাব্য আকাশপথে সফরের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরশুরাম মডেল সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফেনী-পরশুরাম সড়ক মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।পরশুরামের পাশাপাশি ফুলগাজীতেও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ, সোলার প্যানেল ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড বিতরণ, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের মধ্যে প্রণোদনা বিতরণ এবং দুস্থ ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। এ ছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কথা রয়েছে। একইদিন প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে তাঁর নানার বাড়িতে যাবেন এবং প্রয়াত স্বজনদের কবর জিয়ারত করবেন।

১৭ সেপ্টেম্বরের তারেক রহমানের ফেনী সফর স্থগিত, নতুন তারিখ ১ অক্টোবর

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ

ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ হয়ে যাওয়া দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।আজ রোববার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে আদানি পাওয়ার এক বার্তায় জানায়, এপিএল গোড্ডার দ্বিতীয় ইউনিটটি ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে সফলভাবে চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই ইউনিটটি চালুর জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানানো হয়।গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ওই ইউনিটের বয়লারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি বন্ধ করতে হয়।কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়ার পর আজ দুপুরে সেটি বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়েছে।

আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ

পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইশতিয়াক হাসান আমীনকে ঢাকার বিশেষ শাখায় (এসবি) এবং পাবনার বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লাবীব আবদুল্লাহকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে শিল্পাঞ্চল পুলিশে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে এবং খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাফিউর রহমানকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে হবে। তা না হলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা বদলি