ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রপতির

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের তাগিদ রাষ্ট্রপতির

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, কার্যকর বিচার এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এসব অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।সোমবার বেলা ১১টার দিকে শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় কন্যাশিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।তিনি বলেন, বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সব ক্ষেত্রেই কন্যাশিশুর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।শিশুবিয়ে প্রতিরোধে দারিদ্র্য দূরীকরণ, অবৈতনিক শিক্ষা, উপবৃত্তি ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি জন্মনিবন্ধন যাচাই এবং কন্যাশিশুর উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সরকারের গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।কুমিল্লার শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যার প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছি।’ সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মেয়েটি তিন দিন বাড়িতে ছিল না, কিন্তু অভিভাবকদের মধ্যে কোনো উদ্বেগ দেখা যায়নি।দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন স্কুলের পাশে মায়েরা পেপার বিছিয়ে বসে থাকে সন্তানকে বাসায় নিতে, তখনই বুঝা যায়, সমাজ কতটা অনিরাপদ।

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এনসিপির সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে। জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, রামিসা মামলা থেকে শুরু করে রংপুরের সাম্প্রতিক চারটি হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় স্বল্পতম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের বিচার করা বিচার বিভাগের দায়িত্ব। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো অপরাধ তদন্ত করা, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেন তিনি। তাঁর মতে, এ ধরনের অভিযোগ নির্দিষ্ট ঘটনা ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে করা উচিত।সংসদ সদস্যের উদ্ধৃত অপরাধসংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদে কোনো পরিসংখ্যান উপস্থাপনের সময় এর উৎস ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি উল্লেখ করা প্রয়োজন।পুলিশ সদস্যদের নৈতিক প্রশিক্ষণ নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জন্য বর্তমানে পৃথক কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। তবে পুলিশ একাডেমিগুলোতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।একজন সংসদ সদস্য বলেন, কয়েকজন বিপথগামী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের দায় পুরো বাহিনীর ওপর দেওয়া উচিত নয়। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই নৈতিকতা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী