ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
যে শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপির তিন নেতা

যে শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপির তিন নেতা

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গ্রেপ্তারের পর রোববার সকালে তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। পরে নির্দিষ্ট শর্তে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।সিজেপির আইনজীবী দলের প্রধান রত্না সিংহ জানিয়েছেন, মুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দীপকে, সৌরভ ও আশুতোষ আগামী এক বছর কোথাও ‘শান্তি ভঙ্গ’ করতে পারবেন না।মুক্তি পাওয়ার পর আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাঁরা সংবাদ সম্মেলন করবেন।তিন নেতার মুক্তির পর এক বিবৃতিতে সিজেপি বলেছে, ‘ককরোচরা কখনো মরে না। অবশেষে দীপকে, সৌরভ ও রাঙ্কাকে ছাড়তে বাধ্য হলো দিল্লি পুলিশ।ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় সতর্কতামূলকভাবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।দিল্লিতে একটি আন্দোলনে যোগ দিতে শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে রাজধানীতে পৌঁছান সিজেপির এই তিন নেতা। বিমান থেকে নামার আগেই পুলিশ তাঁদের আটক করে।সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

মুক্তি পেলেন সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে

ভারতের দিল্লিতে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমানের ভেতর থেকেই তাঁদের আটক করা হয়েছিল। পরে আজ সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এরপর দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে তিন নেতাকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।নেতাদের মুক্তির খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, ‘অবশেষে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে।’ পোস্টে আরও বলা হয়, ‘ককরোচরা কখনো মরে না।’ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার থেকে মধ্য দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল। ওই কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের অভিযানে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধী দলের নেতা, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন কনটেন্ট নির্মাতাও ছিলেন।

 মুক্তি পেলেন সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার সকালে হরিয়ানার গুরুগ্রামে তাঁর পারিবারিক বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয় বলে পুলিশের সূত্র জানিয়েছে।সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর সেন্ট্রাল পার্ক বিহারে ধ্রুব রাঠির পরিবারের বাসা। শনিবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে দিল্লি পুলিশের সদস্যরা ওই বাসায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর মা দরজা খুলে দেন। এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে বাসাটির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য জড়ো হয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সিজেপির পরিকল্পিত বিক্ষোভে অংশ নিতে ধ্রুব রাঠি দিল্লিতে এসেছিলেন বলে সূত্রের দাবি। শনিবার রাজধানীর যন্তর মন্তরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল।তবে ধ্রুব রাঠিকে আটকের বিষয়ে দিল্লি পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সূত্র: নিউজ১৮

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল দিল্লি পুলিশ

দিল্লিতে কড়াকড়ি, হোটেল-ছাত্রাবাসে পুলিশের তল্লাশি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। যন্তর মন্তরে শনিবারের কর্মসূচির আগে হোটেল, গেস্ট হাউস ও ছাত্রাবাসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ৮ থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে দিল্লির বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের বড় দল একসঙ্গে অবস্থান করলে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে ৪১ হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। যন্তর মন্তরের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা। পাশাপাশি মেট্রো ও রেল চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।যেসব দাবিতে বিক্ষোভদেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রত্যাহার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগসংক্রান্ত আইন পরিবর্তনের দাবিতে এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।‘যন্তর মন্তর ২.০’ নামের এই কর্মসূচিতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণেরা যোগ দিতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। এ কারণে দিল্লির প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।৪১ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনদিল্লি পুলিশের ১৫ হাজারের বেশি সদস্যের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর অন্তত ২৬ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ থেকে পাঁচ হাজার নিরাপত্তাকর্মী আনা হচ্ছে।এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করতে নয়াদিল্লিকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে থাকবেন উপকমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। আন্দোলনকারীদের মিছিল আসতে পারে—এমন ৩৭টি স্থানে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড।শুক্রবার রাত থেকেই যন্তর মন্তরের আশপাশে মাইকিং করছে পুলিশ। বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় বড় জমায়েতসহ নির্দিষ্ট কিছু কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লাউডস্পিকারে বারবার নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হচ্ছে।চার কিলোমিটার এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধনিরাপত্তার অংশ হিসেবে জনপথ ও কর্তব্যপথের সংযোগস্থল থেকে চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।৪৫টি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ-প্রস্থান বন্ধবিক্ষোভের কারণে দিল্লির গণপরিবহনেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রথমে ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আন্দোলন ঠেকাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।এরপর দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার কথা জানায়।বাতিল ট্রেন, যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণবিক্ষোভ ঘিরে রেল চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। শনিবার ভোর চারটা থেকে দুপুর দুইটার মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিল—এমন মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো বাতিল করা হয়েছে।দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, সকাল ছয়টা থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ বা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। যাঁদের বাইরে যেতে হবে, তাঁদের হাতে অতিরিক্ত সময় নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আহ্বানএদিকে সিজেপি ও অন্য আন্দোলনকারী সংগঠনের নেতারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। সিজেপির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপক শুক্রবার রাতে মুম্বাই থেকে বলেছেন, শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।তবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ থাকার বার্তা দিয়েছেন।বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও দৈনন্দিন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখাও প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দিল্লিতে কড়াকড়ি, হোটেল-ছাত্রাবাসে পুলিশের তল্লাশি

দিল্লিতে ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন, বন্ধ ৪৫ মেট্রো স্টেশন

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। শনিবারের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ৪১ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ। মধ্য দিল্লির একটি বড় এলাকায় বন্ধ রয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাতিল করা হয়েছে ২৫৪টি ট্রেন।বিক্ষোভের অনুমতি না দিলেও সিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা দিল্লিতে প্রবেশ করে জমায়েতের চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। এ কারণে রাজধানীর প্রবেশপথ, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিবেশী উত্তর প্রদেশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শুক্রবার রাত থেকেই দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। যন্তর মন্তরের চারপাশে বসানো হয়েছে একাধিক স্তরের ব্যারিকেড। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের পাশাপাশি চালানো হয়েছে মহড়া।৪১ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনদিল্লি পুলিশের ১৫ হাজারের বেশি সদস্যের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অন্তত ২৬ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করতে নয়াদিল্লিকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে রয়েছেন উপকমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।আন্দোলনকারীদের মিছিল আসতে পারে—এমন ৩৭টি স্থান চিহ্নিত করে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ থেকেও পাঁচ হাজার নিরাপত্তাকর্মী আনা হচ্ছে।যন্তর মন্তর, জনপথ, নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ও দিল্লি পুলিশের সদর দপ্তর ঘিরে প্রায় দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকাকে বিশেষভাবে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে ছয় হাজার ৫০০-এর বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রাখার কথা রয়েছে। যন্তর মন্তরমুখী সড়কগুলোতে তৈরি করা হয়েছে অন্তত সাত স্তরের ব্যারিকেড।এ ছাড়া বিক্ষোভের সময় আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য ১২টি আটককেন্দ্র প্রস্তুত করেছে দিল্লি পুলিশ। নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির হোটেল, লজ ও অতিথিশালাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।৪৫ মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধনিরাপত্তার কারণে দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) প্রথমে ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করলেও পরে তা কমিয়ে ৪৫টিতে আনে।৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকার কথা। সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, নয়াদিল্লি, মান্ডি হাউস, আইটিও, খান মার্কেট, হাউজ খাস, লাজপত নগর, কাশ্মীরি গেট, সিলামপুর, শাহদরা ও রিঠালা।তবে অধিকাংশ স্টেশনে এক মেট্রো লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার সুবিধা চালু থাকবে। শুধু নয়াদিল্লি স্টেশনে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।এ বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, জনপরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তিসংগত ও আনুপাতিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সাধারণ যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত যেন অযথা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধনিরাপত্তার অংশ হিসেবে জনপথ ও কর্তব্য পথের সংযোগস্থলকে কেন্দ্র করে চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। ৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকার কথা।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা এ নির্দেশ জারি করেছে। এয়ারটেল, জিও, ভোডাফোন আইডিয়া ও এমটিএনএলকে নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।বিক্ষোভের জন্য লোকজন জড়ো করার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। বিভিন্ন অনলাইন পোস্ট ও বার্তা পর্যালোচনার জন্য ২০০-এর বেশি কনটেন্ট নির্মাতাকে নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অডিও ও ভিডিও ধারণের সুবিধাসহ ৩০০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুলিশের পদক্ষেপ নথিবদ্ধ করতে প্রায় ১০০ জন আলোকচিত্রী ও ভিডিও ধারণকারীকে কাজে লাগানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।বাতিল ২৫৪ ট্রেন, ভোগান্তিতে যাত্রীরানিরাপত্তাব্যবস্থার প্রভাব পড়েছে রেল চলাচলেও। ১০ অক্টোবর সকাল চারটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত মোট ২৫৪টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ১৭৯টি লোকাল ট্রেন রয়েছে।এতে দিল্লির সঙ্গে গাজিয়াবাদ, মিরাট, পানিপথ ও কুরুক্ষেত্রের মতো এলাকার রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশন থেকে যাত্রার আগে ট্রেনের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে নিতে যাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তবে পুরোনো দিল্লি, আনন্দ বিহার ও দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন চালু রয়েছে। অন্যদিকে, নমো ভারত রেলের সরাই কালে খান ও নিউ অশোক নগর স্টেশন ৯ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা।দিল্লি-লখনউ রেলপথেও প্রভাব পড়েছে। ১০ অক্টোবর এ পথে চলাচলকারী একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লখনউ মেল ও নয়াদিল্লি-লখনউ এসি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। এ ছাড়া ১১ অক্টোবরের লখনউ-নয়াদিল্লি গোমতী এক্সপ্রেসও বাতিল করা হয়েছে।৩০ সড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধের আশঙ্কাদিল্লি ট্রাফিক পুলিশ প্রায় ৩০টি সড়ক চিহ্নিত করেছে, যেখানে ১০ অক্টোবর সকাল ছয়টা থেকে যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে যন্তর মন্তর, কনট প্লেস, মান্ডি হাউস, প্যাটেল চক, অশোকা রোড, জনপথ, লোধি রোড ও ধৌলা কুয়ো।ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দীনেশ কুমার গুপ্ত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী যান চলাচলের পথ পরিবর্তন করা হবে। তবে কোনো সড়ক পুরোপুরি বন্ধ করা বা যান চলাচল সম্পূর্ণ আটকে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই।জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। বাইরে বের হলে হাতে অতিরিক্ত সময় রাখা এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রেলস্টেশন, আন্তরাজ্য বাস টার্মিনাল ও বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।নিরাপত্তার কারণে ৯ ও ১০ অক্টোবর দিল্লির সব খুচরা মদের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কনট প্লেসের নিউ দিল্লি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনও শনিবার দোকান, কার্যালয়, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে। ভাগীরথ প্যালেস ও চাঁদনি চক বাজার কর্তৃপক্ষও বাজার বন্ধ রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।উত্তর প্রদেশেও বাড়তি সতর্কতাসিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তর প্রদেশেও উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দিল্লিসংলগ্ন মিরাট ও বেরেলি অঞ্চলের জেলাগুলোকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীমুখী সড়কে যানবাহনে তল্লাশি ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।লখনউ, আগ্রা, মিরাট, বেরেলি, গাজিয়াবাদ, নয়ডা, প্রয়াগরাজ ও বারাণসীতে সম্ভাব্য বিক্ষোভ কর্মসূচির ওপর নজর রাখছে প্রশাসন। গৌতম বুদ্ধ নগর জেলায় ১০ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। বিক্ষোভ, উৎসব ও বিভিন্ন জনসমাবেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এদিকে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন ৯ অক্টোবর দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশপ্রধানদের চিঠি দিয়েছেন। এতে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আহ্বানসিজেপি ও অন্যান্য আন্দোলনকারী সংগঠনের নেতারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। সিজেপির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপক শুক্রবার রাতে মুম্বাই থেকে জানান, শনিবার সকালে তিনি দিল্লি পৌঁছাবেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।তবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও আন্দোলন যেন থেমে না যায়, সে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সমর্থকদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের বার্তা দিয়েছেন।বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়া এবং সম্ভাব্য জমায়েত ঠেকাতে নেওয়া ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রভাব ইতিমধ্যে দিল্লির গণপরিবহন, রেল যোগাযোগ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পড়েছে। এখন প্রশাসনের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও যাতায়াত যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখা।

দিল্লিতে ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন, বন্ধ ৪৫ মেট্রো স্টেশন

দিল্লিতে ছয়তলা ভবন ধসে নিহত ৬, ধ্বংসস্তূপে আরও আটকের শঙ্কা

ভারতের রাজধানী দিল্লির চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় একটি ছয়তলা ভবন ধসে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত ১১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ধ্বংসস্তূপ পুরোপুরি সরানো সম্ভব না হওয়ায় সেখানে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।ধসে পড়া ভবনটি ‘পেইং গেস্ট’ হোস্টেল হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সেখানে থাকা ব্যক্তিদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভবনটির বয়স অন্তত ৫০ বছর।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগেও ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। ভবনটির মালিক হরিরাম বনসাল প্রায় ২০ বছর আগে গুরুগ্রামে চলে যান। সম্প্রতি তিনি পুরোনো ভবনটি সংস্কার করে শিক্ষার্থী ও অন্যদের ভাড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেন।ভবনটির কাছেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। চলতি বছরের আগস্ট থেকে সেখানে ভাড়াটিয়া উঠতে শুরু করেন। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন শিক্ষার্থী। তবে ভবনটির সংস্কার ও নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি।ভবন ধসে পড়ার সময়ও শ্রমিকেরা বেসমেন্টে কাজ করছিলেন বলে জানা গেছে। এ কারণে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারীরা।ঘটনার পর ভবনটির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যথাযথভাবে সংস্কার না করেই ভাড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। রোববারের দুর্ঘটনার জন্য তাঁরা ভবন মালিকের আর্থিক লাভের বিষয়টিকেই দায়ী করছেন। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

দিল্লিতে ছয়তলা ভবন ধসে নিহত ৬, ধ্বংসস্তূপে আরও আটকের শঙ্কা

দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ভারতের প্রতি ঢাকার তীব্র ক্ষোভ

ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণ সম্পর্কে বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, যা নিন্দনীয়।বিবৃতিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বাংলাদেশ আগেই ভারত সরকারকে উদ্বেগ জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও এ ধরনের আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে যখন দেশজুড়ে শহীদদের স্মরণ করা হচ্ছিল, তখন ভারতীয় মাটিতে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে উপস্থিতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শিশু-সহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছেন। তবে বাংলাদেশের জনগণ অতীতের মতো এবারও এমন প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা করবে বলে উল্লেখ করা হয়।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে দেশের জনগণ ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি রোধে অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো স্থান নেই।বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় জানায়, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। তবে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ–ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের একাধিক অনুরোধের এখনো কোনো সাড়া দেয়নি ভারত সরকার। বরং তাঁকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যও তা সহায়ক নয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ভারতের প্রতি ঢাকার তীব্র ক্ষোভ