ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
শিক্ষককে পিটিয়ে পুলিশের কাছে দিল স্থানীয়রা, অভিযোগ ধর্ষণের

শিক্ষককে পিটিয়ে পুলিশের কাছে দিল স্থানীয়রা, অভিযোগ ধর্ষণের

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরান (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে মারধর করার পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে শিশুটি পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ায় তার বাবা-মা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। পরে সোমবার তাকে সুধারাম থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।হাসপাতালে শিশুটি পরিবারের কাছে অভিযোগ করে, গত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসাশিক্ষক মোবারক হোসেন ওরফে এমরান তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেছেন।পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁর নিজের বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন। সেখানেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের মারধরে আহত হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে পুলিশ পাহারায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।অভিযুক্ত এমরান উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। আর ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন। পরিবারের অভিযোগ, সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে মোবারক হোসেন ওরফে এমরানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দিনাজপুরে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার

দিনাজপুরের বিরলে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুস সাত্তার (৬১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বিরল পৌর এলাকার শংকরপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে।শুক্রবার দিবাগত রাতে (৫ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী পুত্রবধূ বাদী হয়ে আব্দুস সাত্তারকে আসামি করে বিরল থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। পরে ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে নিজ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে ভুক্তভোগী বলেন, তাঁর স্বামী শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। বিয়ের প্রায় এক মাস পর থেকেই শ্বশুর আব্দুস সাত্তার তাঁকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। এতে রাজি না হওয়ায় প্রায় চার মাস আগে তাঁকে শয়নকক্ষে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন আব্দুস সাত্তার। ওই হুমকির কারণে ভুক্তভোগী বিষয়টি গোপন রাখেন। পরে একই সুযোগে আরও দুই দিন তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই ২০২৬ রাতে খাবার শেষে ভুক্তভোগী তাঁর স্বামীর ঘরে ঘুমাতে যান। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আব্দুস সাত্তার তাঁর শয়নকক্ষে ঢুকে আবারও জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় ৫ সেপ্টেম্বর রাতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে বিরল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করে। বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল এমরান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর মামলার পর আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

দিনাজপুরে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার