ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ফাইনালের পথে বাংলাদেশ, হারাতে হবে ভারতকে

ফাইনালের পথে বাংলাদেশ, হারাতে হবে ভারতকে

এশিয়া কাপে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়ে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবে গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর বদলে গেছে সেই হিসাব। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিই এখন আর সম্ভব নয়। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ সেই ভারতের বিপক্ষেই মাঠে নামছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত সেমিফাইনাল শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত নিজেদের তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে দারুণ ছন্দে আছে ভারত। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ। তবে সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে আগের পরিসংখ্যান বা শক্তির ব্যবধান যে শেষ কথা নয়, সেটিই প্রমাণের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্সও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১২৯ রান করার পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলটি করে ১১৪ রান। শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আরও বড় ধাক্কা খায় ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।আমিরাতের বিপক্ষে একপর্যায়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। একাদশে ফিরেই ৩১ বলে ৩৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। সপ্তম উইকেটে নাহিদা আক্তারকে নিয়ে তার ৪২ রানের জুটিতে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় বাংলাদেশ।ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব থাকলেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে বোলিং। কম পুঁজি নিয়েও ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় এসেছে বোলারদের কার্যকর পারফরম্যান্সে। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষেও তাই বাংলাদেশের প্রধান ভরসা থাকবে বোলিং আক্রমণ।আজকের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। ভারতকে হারাতে পারলে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার সুযোগ তৈরি হবে। আর হারলেই শেষ হয়ে যাবে টুর্নামেন্টের পথচলা। গ্রুপ পর্বের ফল যে হিসাব বদলে দিয়েছে, সেই ভারতের বিপক্ষেই জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে যেতে মরিয়া নিগার সুলতানার দল।নারী এশিয়া কাপের সূচিপ্রথম সেমিফাইনাল বাংলাদেশ–ভারত ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম রাত ৮টা ৩০ মিনিটদ্বিতীয় সেমিফাইনাল শ্রীলঙ্কা–পাকিস্তান ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ফাইনাল সেমিফাইনালের দুই বিজয়ী দল ১৩ সেপ্টেম্বর, রোববার

ভারতের কাছে ৫৫ রানে অলআউট, নিজেদের লজ্জার রেকর্ড ভাঙল পাকিস্তান

ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে পাকিস্তান। মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৭ উইকেটে হেরেছে ফাতিমা সানার দল। এই পরাজয়ের সঙ্গে নারী টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডও গড়েছে পাকিস্তান।১৮.১ ওভার ব্যাট করে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ৫৫ রানে। এর আগে নারী টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ছিল ৫৬ রান। ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই রানে অলআউট হয়েছিল তারা।এদিন পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শাওয়াল জুলফিকার। মুনিবা আলি করেন ১৩ রান। দুই ওপেনার মিলে দলের স্কোরে যোগ করেন ২৭ রান। বাকি নয় ব্যাটারের সম্মিলিত সংগ্রহ ২৮ রান।ভারতের বোলারদের মধ্যে শ্রী চরনি ও প্রেমা রাওয়াত তিনটি করে উইকেট নেন। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে রাখেন তাঁরা।জবাবে ৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত ৮.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে। শেফালি ভার্মা ১৩ এবং প্রতিকা রাওয়াল ১৮ রানে আউট হন। স্মৃতি মান্ধানাও ফিরে গেলেও জয় পেতে সমস্যা হয়নি ভারতের। ৬৮ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পায় তারা।বলের হিসাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি ভারতের অন্যতম বড় জয়। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে ৫৫ রানে অলআউট হয়ে পাকিস্তান নারী টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সবচেয়ে কম দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড করেছে। ভারতের বিপক্ষে এর আগে মালয়েশিয়া ২৭, থাইল্যান্ড ৩৭ এবং বাংলাদেশ ৫১ ও ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল। আন্তর্জাতিক নারী টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড ৬ রান বাংলাদেশের বিপক্ষে মালদ্বীপ এবং একই সংগ্রহে মালি অলআউট হয়েছিল।

ভারতের কাছে ৫৫ রানে অলআউট, নিজেদের লজ্জার রেকর্ড ভাঙল পাকিস্তান