ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
কারিগরি শিক্ষার দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সমঝোতা বাংলাদেশের

কারিগরি শিক্ষার দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সমঝোতা বাংলাদেশের

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঘোষিত ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস বা ‘বেইজিং এগ্রিমেন্টে’ সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চীনের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে দেশটি।শনিবার চীনের তিয়ানজিনের মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক কাঠামোটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন। তিনি এ কাঠামোকে সমর্থনকারী দেশগুলোর অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে মঞ্চে অংশ নেন।সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টির বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বেইজিং এগ্রিমেন্টের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’, ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ এবং আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আরও কয়েকটি উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থনের মাধ্যমে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতায় প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসম্মেলনের যৌথ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান এতে স্বাক্ষর করেন।এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমঝোতা স্মারক ও বেইজিং এগ্রিমেন্ট একসঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে গতি আনবে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।সমঝোতা স্মারক ও বৈশ্বিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয় পক্ষ। পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে তারা আশাবাদ জানিয়েছে।