ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
মাদক ও কিশোর গ্যাংকে কোনোভাবেই আশ্রয়-প্রশ্রয় নয়: জনপ্রশাসন সচিব

মাদক ও কিশোর গ্যাংকে কোনোভাবেই আশ্রয়-প্রশ্রয় নয়: জনপ্রশাসন সচিব

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরের নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই সমাজে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল জলিল মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জনপ্রশাসন সচিব বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চালিয়ে মাদক ও কিশোর অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বর্তমানে সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকাসক্তির ক্ষতি শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে।অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বানকিশোর অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সন্তান যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অভিভাবকদের তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। একই সঙ্গে সন্তানের চলাফেরা ও বন্ধু নির্বাচনের বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবেনবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশ ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাইফুল ইসলাম, কলেজের উপাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেল পরিচয়, রিকশা বশির এখন বিএনপিতে

একসময় দিনমজুরি ও রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন বশির আহমেদ। বাড্ডা এলাকায় এখন তিনি ‘রিকশা বশির’ নামে পরিচিত। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দেড় দশকে রাজনৈতিক প্রভাব ও রিকশা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েছে। চাঁদাবাজি, অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গেও তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাড্ডা থানা শ্রমিক লীগের সহসভাপতি ছিলেন বশির। ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। ওই সময় মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট, পোস্ট অফিস রোড, আফতাবনগর ও পুলিশ প্লাজা এলাকায় অবৈধ অটোরিকশা পরিচালনা ও চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।স্থানীয় সূত্রের দাবি, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে বশিরের নিয়ন্ত্রণে ২০০টির বেশি অবৈধ অটোরিকশা ও ৩০০টির বেশি ম্যানুয়েল রিকশা রয়েছে। পুরো ওয়ার্ডের হাজার হাজার রিকশা থেকেও চাঁদা আদায়ের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঁদার অর্থের একটি অংশ ট্রাফিক পুলিশ, থানা ও প্রভাবশালী মহলের কাছে যেত বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।বশিরের রিকশার গ্যারেজ ঘিরে মাদক ব্যবসার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, বশিরের শ্যালক আলাচন ও আক্তারের নেতৃত্বে একটি মাদক সিন্ডিকেট এসব গ্যারেজ ব্যবহার করে। মাদক সংরক্ষণ ও কেনাবেচার পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি ও রিকশা চোর চক্রের সদস্যদের যাতায়াত ও আশ্রয়ের স্থান হিসেবেও গ্যারেজগুলো ব্যবহৃত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় বশিরের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন কাউন্সিলর জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আন্দোলন দমনে অংশ নেওয়া এবং সরকারের পক্ষে মাইকিং করার অভিযোগে বাড্ডা থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বশিরের দলীয় পরিচয়ও বদলেছে বলে জানিয়েছেন তাঁর সাবেক সংগঠনের নেতারা। বাড্ডা থানা রিকশা শ্রমিক লীগের সভাপতি মকবুল আহমেদ বলেন, বশির আগে আমাদের সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল এবং সহসভাপতি ছিল। তবে পটপরিবর্তনের পর সে এখন বিএনপি করছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, রাজনৈতিক পরিচয় বদলের পরও কীভাবে বশির তাঁর প্রভাব ও রিকশা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও মামলার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেল পরিচয়, রিকশা বশির এখন বিএনপিতে

মেরুল বাড্ডায় মামুনকে ঘিরে ইয়াবা ও ধর্ষণের অভিযোগ

রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায় মামুন নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে এসব অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদক সেবন, যৌনসম্পর্কে জড়ানো এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর বিষয়।অভিযোগ অনুযায়ী, কাশেম সাহেবের ছেলে মামুনের বাসায় এক ডিভোর্সি নারী ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকার সময় তাঁর সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ওই সময় মামুন নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন এবং ওই নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।তবে মামুনকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি করেছেন তাঁর পরিবারেরই একজন সদস্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই স্বজনের দাবি, মামুন তাঁর ফুফুর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌনসম্পর্ক স্থাপন করে আসছেন। এ অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগীদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।ভুক্তভোগীদের ভিডিও সাক্ষাৎকারসহ এ বিষয়ে কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া।একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও এতদিন বিষয়গুলো প্রকাশ্যে না আসার কারণ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগগুলোর পেছনে কী ধরনের ঘটনা রয়েছে, কারা ভুক্তভোগী এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না এসব বিষয়ও অনুসন্ধানে গুরুত্ব পাচ্ছে।এদিকে, এসব অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ নিয়ে নবকালের ডিজিটাল মিডিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানী ভিডিও প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীদের ভিডিও বক্তব্য, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে। একই সঙ্গে মামুনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।নবকালের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হবে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগতভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বা নেওয়া হবে সেটিও অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর অভিযোগগুলো অসত্য বা বিভ্রান্তিকর হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও ব্যাখ্যাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে। মামুনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

মেরুল বাড্ডায় মামুনকে ঘিরে ইয়াবা ও ধর্ষণের অভিযোগ

কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাই আনিসুর রহমান রিপন ও সোহেলের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, জুয়ার আসর বসানো এবং কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ও বাসিন্দার দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তাঁরা এলাকায় একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বললে হামলা ও হয়রানিমূলক মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।গত ২৯ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মানববন্ধনে দুবাইপ্রবাসী আলমগীর কবিরের প্রায় চার বিঘা জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় বায়েজিদ হাসান শিবলী নামের এক যুবককে মারধর এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, জিয়ারুল, মিন্টু মোল্লা, সজল শেখ, মাহফুজ ও লতিফ মোল্লাসহ কয়েকজনকে নিয়ে বাবলু একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই চক্র সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে সুবিধা আদায় করে।বিলাসবহুল গাড়ি ও সম্পদ নিয়ে প্রশ্নস্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের মধ্যে খালেকুজ্জামান বাবলু বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর একটি বিলাসবহুল প্রাডো গাড়ি এবং রাজপ্রাসাদসদৃশ বাড়ি নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।মাদক কারবারের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে তাঁর এক ভাগনে মিন্টুর ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর। তবে ভাগনের গ্রেপ্তারের সঙ্গে বাবলুর সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা অভিযোগকারীরা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেননি।সম্প্রতি শ্রীপুরের পাগলা ব্রিজ এলাকায় বাবলুর ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় কয়েকজন এ ঘটনাকে মাদক ব্যবসা বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করলেও, হামলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও অভিযোগখালেকুজ্জামান বাবলুর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর দাবি, তিনি একদিকে দলের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকলেও অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। এ নিয়ে দলটির স্থানীয় পর্যায়ে অসন্তোষ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযোগ অস্বীকার বিএনপিরভুক্তভোগীদের অভিযোগের পর গত ২৯ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে ‘বানোয়াট, সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাটক’ বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, দলীয় পদ ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের অভিযোগকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য, অভিযোগগুলোর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা খালেকুজ্জামান বাবলু এবং তাঁর দুই ভাইয়ের সম্পদের উৎস, জমি দখল, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।তাঁদের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগের সত্যতা না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।কালীগঞ্জের সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কেউ যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী ব্যবস্থা নেবে।

কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও মাদক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ১৯টি মামলা করা হয়েছে। অভিযানে একটি দেশীয় রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি, ৬ হাজার ৩২৪টি ইয়াবা, ৩৩ পুরিয়া গাঁজা ও নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।বুধবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩২ জন, লালবাগে ৩৬ জন, ওয়ারীতে ৫০ জন, মতিঝিলে ৫৬ জন, তেজগাঁওয়ে ৫৯ জন, মিরপুরে ১৩৩ জন, গুলশানে ২৩ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫০ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।অভিযানে অস্ত্র ও গুলির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ হাজার ৩২৪টি ইয়াবা ও ৩৩ পুরিয়া গাঁজা। এ ছাড়া নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২

দারাজের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা, পণ্য সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

মাদক ব্যবসার অভিযোগে বহুল ব্যবহৃত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। সোমবার রাজধানীর বাড্ডা থানায় দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।এর আগে রোববার বিকেলে অভিযান চালিয়ে দারাজের পণ্য সরবরাহকারী আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সম্প্রতি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশোধনী এনে সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাদক কেনাবেচার বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সংশোধিত আইনের ওই ধারায় এটিই প্রথম মামলা বলে তাঁরা জানান।ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাদক কেনাবেচায় কঠোর শাস্তিমাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশোধিত ২০২০ ও ২০২৬ সালের বিধান অনুযায়ী, সাইবার স্পেস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাকটিভ সাবস্টেন্স অবৈধভাবে কেনাবেচা, সরবরাহ, প্রস্তাব, প্রচার বা লেনদেনে যুক্ত হলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) হাসান মারুফ বলেন, সরকার যেকোনো মূল্যে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে চায়। এ জন্য সংশোধিত আইনে সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তিনি বলেন, দারাজ ছাড়াও সন্দেহজনক বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ওপর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।পণ্য সরবরাহকারীকে গ্রেপ্তারমাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা অঞ্চলের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, দারাজে বিক্রি হওয়া একটি পণ্যে মাদক পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পণ্যের কারখানায় অভিযান চালানো হয়।রোববার বিকেলে বাড্ডার সাঁতারকুল এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিবিটি ওয়েল ও এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন উপকরণ পাওয়া যায়। এ সময় কারখানার মালিক ও দারাজের পণ্য সরবরাহকারী আনিসুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন জাপানে ছিলেন। সেখানে তিনি গাঁজার তরল উপাদান ব্যবহার করে বিশেষ ধরনের তেল তৈরির কৌশল রপ্ত করেন। পরে ঢাকায় ফিরে সুগন্ধী সাবান তৈরির আড়ালে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

দারাজের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা, পণ্য সরবরাহকারী গ্রেপ্তার