ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নজরুল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন: রিজভী

নজরুল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন: রিজভী

জীবনভর অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি ছিলেন যুগান্তরের কবি এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, যেকোনো অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছেন নজরুল। যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামেও তিনি প্রধান অনুপ্রেরণা।তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান-  নজরুলই ছিলেন মূল অনুপ্রেরণা। আজও দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করলে নজরুলের বাণী আমাদের রুখে দাঁড়াতে শেখায়।৫০ বছরেও প্রাসঙ্গিক নজরুলদ্রোহ, মানবতা ও সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে, যা তৎকালীন পিজি হাসপাতাল নামে পরিচিত ছিল, মৃত্যুবরণ করেন তিনি।মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে নজরুলের কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর সৃষ্টিকর্ম এখনো অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষকে প্রতিবাদে উদ্বুদ্ধ করে।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠেন তিনি। দারিদ্র্যের কাছে হার না মেনে নিজের সৃষ্টিশীলতা দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অনন্য অবস্থান তৈরি করেন।কবিতা ও গানের পাশাপাশি হামদ, নাত, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীতসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তিনি অবদান রাখেন।মাত্র ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবনকাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীল সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। এই স্বল্প সময়ে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি।তাঁর কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মধ্যে নবজাগরণের চেতনা তৈরি করেছিল। শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা জাগিয়েছিল তাঁর লেখা।সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি মানবমুক্তির প্রত্যাশায় সংগ্রামেও যুক্ত ছিলেন নজরুল। তাঁর সৃষ্টিতে দ্রোহ, মানবতা, সাম্য ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বারবার উঠে এসেছে।নজরুলের সেই চেতনারই প্রতীক হয়ে আছে তাঁর বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।

নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুবার্ষিকীতে নবকাল পরিবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক রাজ্জাকের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।অভিনয়, নির্মাণ ও চলচ্চিত্রের নানা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের মাধ্যমে নায়করাজ রাজ্জাক বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করেন। তাঁর অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন, সংলাপ উপস্থাপন ও পর্দায় উপস্থিতি বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে আছে।ষাটের দশক থেকে শুরু করে কয়েক দশক ধরে তিনি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তাঁর অভিনীত বহু চলচ্চিত্র আজও দর্শকের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়। একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাণেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।নায়করাজ রাজ্জাক শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের একটি প্রতিষ্ঠানের মতো। তাঁর হাত ধরে চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ পেয়েছেন এবং অনুপ্রাণিত হয়েছেন পরবর্তী প্রজন্মের অনেক শিল্পী ও কলাকুশলী। তাঁর চলে যাওয়ায় দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলা চলচ্চিত্রের এই কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছে নবকাল পরিবার। তাঁর কর্ম ও স্মৃতি চিরদিন বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের মাঝে বেঁচে থাকবে।নায়করাজ রাজ্জাকের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন নবকাল পরিবার।

নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুবার্ষিকীতে নবকাল পরিবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি