ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
মধ্যরাতে ছয় ছাপাখানা পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, দেখলেন নতুন বই ছাপার কাজ

মধ্যরাতে ছয় ছাপাখানা পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, দেখলেন নতুন বই ছাপার কাজ

নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান দেখতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই এসব ছাপাখানা পরিদর্শন করেন তিনি।পরিদর্শন করা ছাপাখানাগুলো হলো—মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফায়িজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স ও ন্যাশনাল প্রিন্টার্স।পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন প্রেসে পাঠ্যবই ছাপার বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বইয়ের ছাপার মান, কাজের অগ্রগতি এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করেন।শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে ছাপার কাজে নির্ধারিত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে বই ছাপার ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বই ছাপার কাজ পুরোদমে চলছে।এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই ছাপানো হবে। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বইও ছাপানো হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতার উদ্যোগ

শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বাড়ানোর লক্ষ্যেই শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে এ প্রতিযোগিতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৮ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তখন তিনি বলেছিলেন, শিক্ষার সব ক্ষেত্রে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও তখন জানিয়েছিলেন তিনি।নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ের কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতার উদ্যোগ