ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
কীটনাশকের অতিব্যবহারে মাটির উর্বরতা হারানোর শঙ্কা

কীটনাশকের অতিব্যবহারে মাটির উর্বরতা হারানোর শঙ্কা

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফসলের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারে মাটির উর্বরতা ও পরিবেশের ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বারবার কীটনাশক প্রয়োগ করেও অনেক ক্ষেত্রে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় বাড়ছে কৃষকদের উৎপাদন খরচ। এতে মাটির গুণাগুণ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধানসহ বিভিন্ন ফসলের পোকামাকড় দমনে একাধিকবার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হচ্ছে। এতে বাড়তি অর্থ ব্যয় করেও আশানুরূপ ফল মিলছে না। দীর্ঘমেয়াদে জমির উর্বরতা কমে যেতে পারে—এমন উদ্বেগও রয়েছে তাঁদের মধ্যে।উপজেলার পাঙ্গাসী এলাকার কৃষক জাকারিয়া শেখ বলেন, ধানের জমিতে পোকামাকড় দমনে একাধিকবার কীটনাশক দিতে হচ্ছে। এতে চাষের খরচ বাড়ছে, অথচ কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।ধামাইনগরের কৃষক জিন্নাহ ফকির বলেন, ফসল ভালো রাখতে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে। তবে জমির মাটির আগের অবস্থা আছে কি না, তা নিয়ে চিন্তা হচ্ছে।কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ করলে মাটির উপকারী অণুজীব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি এসব রাসায়নিক জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে দেশি প্রজাতির মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এর প্রভাব পড়তে পারে পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য ও কৃষির দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনক্ষমতার ওপর।এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপদ কৃষিচর্চা নিশ্চিত করা জরুরি। কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ মেনে নির্ধারিত মাত্রায় তা প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, মাটির উর্বরতা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি জৈব সার ব্যবহার, ফসল পর্যায়ক্রমে চাষ এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা অনুসরণের মাধ্যমে রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমানো জরুরি।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়াও কঠিন হবে: টুকু

বাংলাদেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, বিপুল ঋণের কারণে একসময় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়াও কঠিন হয়ে যেতে পারে।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার হলরুমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকার এমন একটি বাজেট দিয়েছে, যাতে মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ না পড়ে। তবে এ বাজেট বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।এর আগে শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ড্রামট্রাকসহ ছয়টি গাড়ি বিতরণ করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি নিজেও একটি ট্রাকে ওঠেন।এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে চায়ের দোকানে এটা নিয়ে সমালোচনা করবে, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমি মানুষকে দেখানোর জন্য ট্রাকে উঠিনি। আজ থেকে ৩০-৪০ বছর আগে দেখেছি, ঘুম থেকে উঠে দেখেছি, এ রকম একটি গাড়ি রাস্তা পরিষ্কার করছে। রাস্তা চকচক করছে—সেই উচ্ছ্বাসে আমি ট্রাকে উঠেছি।’পৌরসভার বিতরণ করা গাড়িগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এসব গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সবার। কারণ, সরকারের বাপ-মা জনগণ।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়াও কঠিন হবে: টুকু