ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
শ্রমিক বিক্ষোভের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রমিক বিক্ষোভের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে তাঁদের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত কোনো কোনো মহল দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পোশাক কারখানার মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কেউ যদি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ সময় সাংবাদিকেরা অনেক পোশাক কারখানা বন্ধ থাকার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনেন। জবাবে তিনি বলেন, আশা করি এগুলো খুব শিগগির খোলার ব্যবস্থা করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতায় ফাঁদে পড়েছেন ইশরাক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার কারণে ফাঁদে পড়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। মাদক নির্মূলের উদ্দেশ্য নিয়ে ইশরাক নতুনভাবে রাজনীতিতে কাজ শুরু করেছিলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সোমবার সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ইশরাক ভাই নতুনভাবে রাজনীতিতে নেমেছেন। উনার মতলব ভালো ছিল, মাদকের বিষয়টি যাতে বন্ধ হয়, কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতায় ফাঁদে পড়লেন তিনি।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই? অর্থাৎ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দোষ করে। আরেকজন এই পাপে ভোগেন। এটা আসলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা। মাঝখান দিয়ে ইশরাক ভাই ফাঁদে পড়ে গেলেন।হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নবিএনপি সরকারের আমলে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলা হলেও তাঁরা ভালো নেই। বিএনপি সরকার তাঁদের যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গত তিন-চার মাসের যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, সেখানেও বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের ঘটনা দেখা গেছে।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে সম্প্রীতির আহ্বানজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাইয়ের ঘটনা প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিষয়টি তাঁদের কাছে তুলে ধরার জন্য তাঁকে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ক্ষোভ, দুঃখ বা আঘাত পান।তিনি বলেন, আবার এই কথা বলতে গিয়ে আজকে আমাকে শাহবাগী হিন্দুদের নতুন ভার্সন এ ধরনের ট্যাগ দিয়ে দিয়েন না। তারা বিষয়টা বলেছেন আপনাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য। তারাও আপনাদের ভালোবাসেন, আর আপনারাও তাদের ভালোবাসেন। আমি আপনাদের কাছে মেসেজটা পৌঁছে দিয়েছি।দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, প্রয়োজনে উভয় পক্ষের একসঙ্গে বসা উচিত। তাঁর আশা, আলোচনার মাধ্যমে ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতায় ফাঁদে পড়েছেন ইশরাক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রটোকল থেকে বিচ্ছিন্ন: সালমান মুক্তাদির

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে নিজের স্টুডিওতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মামলা করা হয়নি এমন বক্তব্য অসত্য দাবি করে সালমান প্রশ্ন তুলেছেন, মামলা হওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানেন না কীভাবে।রোববার দুপুরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় সালমান বলেন, ঘটনার পর তিনি রাত চারটা পর্যন্ত ক্যান্টনমেন্ট থানায় অবস্থান করে অভিযোগ দায়েরের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের সামনে এসে বলেছেন, কোনো মামলা করা হয়নি।সালমান বলেন, ‘আপনার আন্ডারে থাকা প্রতিটি থানা ও কর্তৃপক্ষ আপনার একটি কলের দূরত্বে। অথচ আপনি জানেনই না যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রটোকল থেকে আপনি কতটা বিচ্ছিন্ন?’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিংয়ের বক্তব্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সালমান। তাঁর অভিযোগ, বড় ধরনের হামলার ঘটনাকে ‘টুকটাক ভাঙচুর’ হিসেবে উপস্থাপন করে বিষয়টি লঘু করার চেষ্টা করা হয়েছে।সালমানের দাবি, হামলার ঘটনায় তিনজনকে অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ হাতেনাতে আটক করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মারধরের শিকার হওয়ার পর তাঁরা মানুষের সামনে বিএনপির নাম ব্যবহার করেছেন এবং স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।ঘটনাস্থলের অবস্থান নিয়েও কথা বলেন সালমান। তিনি জানান, তাঁর স্টুডিও যে এলাকায়, সেটি ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি আসন। তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে এমন একটি ঘটনা ঘটার পরও প্রশাসন কেন বিষয়টিকে হালকাভাবে উপস্থাপন করছে।সালমান আরও বলেন, সরকারের কাছে তাঁর কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা সাহায্যের দাবি নেই। তাঁর বক্তব্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেশের সাধারণ নাগরিক ও তরুণদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; কোনো রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় জনসংযোগ করা নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে নাগরিকদের প্রতি আরও সংবেদনশীলতা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন বলে জানান সালমান মুক্তাদির।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রটোকল থেকে বিচ্ছিন্ন: সালমান মুক্তাদির

ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

পুলিশের কিছু সদস্য এখনো ‘ফ্যাসিবাদীদের’ সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শৃঙ্খলা না মানলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশের কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং নানা ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে আগামী সপ্তাহে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই ইউনিটের শাখা মেট্রো, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটে আধুনিক যন্ত্রপাতিও থাকবে।তিনি বলেন, বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় সাপোর্ট হেডকোয়ার্টার ও বিভাগীয় পর্যায়ে রাখা হবে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে যেসব অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তা আধুনিক অপরাধপ্রবণতার একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো রাষ্ট্রে মোট অপরাধের ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত সাইবার বা স্ক্যামভিত্তিক হয়ে থাকে। এ কারণে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এনসিপির সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে। জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, রামিসা মামলা থেকে শুরু করে রংপুরের সাম্প্রতিক চারটি হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় স্বল্পতম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের বিচার করা বিচার বিভাগের দায়িত্ব। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো অপরাধ তদন্ত করা, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেন তিনি। তাঁর মতে, এ ধরনের অভিযোগ নির্দিষ্ট ঘটনা ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে করা উচিত।সংসদ সদস্যের উদ্ধৃত অপরাধসংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদে কোনো পরিসংখ্যান উপস্থাপনের সময় এর উৎস ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি উল্লেখ করা প্রয়োজন।পুলিশ সদস্যদের নৈতিক প্রশিক্ষণ নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জন্য বর্তমানে পৃথক কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। তবে পুলিশ একাডেমিগুলোতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।একজন সংসদ সদস্য বলেন, কয়েকজন বিপথগামী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের দায় পুরো বাহিনীর ওপর দেওয়া উচিত নয়। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই নৈতিকতা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন, কাশেমপুর কারাগারে একসঙ্গে ছিলাম: সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রয়াত জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলী তার বন্ধু ছিলেন এবং কাশেমপুর কারাগারে তারা একসঙ্গে বন্দি ছিলেন। দেশে ফেরার কারণ জানতে চাইলে মীর কাশেম আলী তাকে বলেছিলেন, তিনি ফিরে না এলে তার ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো।বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ব্যক্তিদের বক্তব্যও তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। জুলাই আন্দোলনে সামনে ও পেছনে থেকে যাঁরা সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের অবদানও স্মরণ করেন তিনি। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী যদি দীর্ঘদিন নির্বাসনে না থাকতেন, তাহলে আন্দোলন আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হতে পারত। সে সময় মাঠপর্যায়ের অধিকাংশ নেতৃত্ব কারাগারে, গুম কিংবা আত্মগোপনে ছিলেন। এরপরও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ স্বৈরাচারের পতন ঘটে।নিজের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি আয়নাঘরে ৬১ দিন ছিলেন এবং সেখানে ২৪ ঘণ্টাও টিকে থাকা একজন মানুষের জন্য অত্যন্ত কঠিন। মীর কাশেম আলীর পরিবারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচার শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, তার পরিবারকেও ধ্বংস করেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি আমরা বলতে শুরু করি—জুলাই কার, তাহলে জুলাই কারও থাকবে না।’তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক জাতি শত বছর সংগ্রাম করেও স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে। এটি আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘ প্রস্তুতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের ফল। তাই এ অর্জনকে কোনোভাবেই দলীয়করণ করা উচিত হবে না।

মীর কাশেম আলী আমার বন্ধু ছিলেন, কাশেমপুর কারাগারে একসঙ্গে ছিলাম: সালাহউদ্দিন আহমদ