বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’
শুক্রবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া
এক
বাণীতে
প্রধানমন্ত্রী এ
শুভেচ্ছা জানান।
তিনি
হিন্দু
সম্প্রদায়ের মানুষকে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্তে ও
নিরাপদে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান
জানান।
বাণীতে তারেক
রহমান
বলেন,
সাম্য,
মানবিক
মর্যাদা ও
সামাজিক সুবিচার সব
ধর্মেরই মূল
শিক্ষা। মানবতার কল্যাণও সব
ধর্মের
অন্যতম
উদ্দেশ্য। তাই
নিজ
নিজ
ধর্মীয়
বিধান
ও
সংস্কৃতি চর্চার
পাশাপাশি মানুষের প্রতি
পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান
ও
সহমর্মিতা বজায়
রেখে
সমাজে
শান্তির পরিবেশ
নিশ্চিত করা
জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
হিন্দুধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের
মঙ্গল
কামনায়
দেবী
দুর্গা
স্বর্গলোক থেকে
মর্ত্যলোকে আসেন।
তিনি
ভক্তদের কল্যাণ
সাধন,
শত্রুর
বিনাশ
এবং
সৃষ্টিকে লালন
করেন।
অশুভ
শক্তির
বিনাশ
এবং
সত্য
ও
সুন্দরের আরাধনা
শারদীয়
দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য
মাত্রা
দিয়েছে।
তারেক রহমান
বলেন,
বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ
নিজ
নিজ
ধর্মীয়
উৎসব
পালন
করেন।
এসব
উৎসব
দেশের
দীর্ঘদিনের ধর্মীয়
ও
সামাজিক মূল্যবোধ এবং
সংস্কৃতির সৌন্দর্য তুলে
ধরে।
ধর্মীয়,
সাংস্কৃতিক ও
সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য
দিয়ে
বিভিন্ন ধর্ম,
গোত্র
ও
সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে
বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও
ভ্রাতৃত্বের বন্ধন
আরও
দৃঢ়
হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও
বলেন,
হাজারো
প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর
বাংলাদেশ আবারও
গণতন্ত্রের পথে
যাত্রা
শুরু
করেছে।
শুরু
হয়েছে
দেশ
পুনর্গঠনের বিশাল
কর্মযজ্ঞ। দল,
মত,
ধর্ম
ও
বর্ণনির্বিশেষে সব
নাগরিকের জন্য
কল্যাণমূলক, নিরাপদ
ও
মানবিক
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা তাঁদের
অঙ্গীকার।
বাণীতে তিনি প্রত্যাশা করেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যেন সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে দুর্গাপূজার উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।