সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে পৃথক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
সৌদি
আরবের
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য
অনুযায়ী, দেশটির
শায়বা
তেলক্ষেত্রে সৌদি
আরামকোর একটি
প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনায় ড্রোন
হামলার
চেষ্টা
করা
হয়।
ড্রোনটি প্রতিহত করা
হলেও
এর
ধ্বংসাবশেষ পড়ে
দুজন
নিহত
হন।
আহত
হন
আরও
দুজন।
বৃহস্পতিবার ভোরে
দেওয়া
এক
বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়,
নিহত
ব্যক্তিদের একজন
ফিলিপাইনের এবং
অন্যজন
নেপালের নাগরিক। তেলক্ষেত্রের বাইরে
একটি
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে
আগুন
ধরে
যায়।
তবে
এ
ঘটনায়
তেল
উৎপাদন
বা
স্থাপনাটির কার্যক্রমে কোনো
বিঘ্ন
ঘটেনি।
আহত
দুজনের
একজন
পাকিস্তানি এবং
অন্যজন
ভারতীয়
নাগরিক।
অন্যদিকে, বুধবার
দাম্মামের বাদশা
ফাহদ
বিমানবন্দরে হামলার
ঘটনায়
দুজন
নিহত
ও
আটজন
আহত
হয়েছেন
বলে
জানিয়েছে সৌদি
আরবের
বেসামরিক বিমান
চলাচল
কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার ভোরে
এ
তথ্য
প্রকাশ
করা
হয়।
এদিকে
সৌদি
আরবের
পূর্বাঞ্চলে আরও
কয়েকটি
ড্রোন
ভূপাতিত করার
দাবি
করেছে
ইয়েমেনে বৈধতা
পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত জোট।
বৃহস্পতিবার ভোরে
জোটটি
জানায়,
পূর্বাঞ্চলের আকাশে
চারটি
ড্রোন
গুলি
করে
নামানো
হয়েছে।
এর
আগে
বুধবার
জোটটি
দাবি
করেছিল,
সৌদি
আরবের
দিকে
ছোড়া
সাতটি
ড্রোন
প্রতিহত করা
হয়েছে।
এসব
ড্রোনের মধ্যে
মদিনা
অঞ্চলের দিকে
ছোড়া
ড্রোনও
ছিল।
মদিনায়
মহানবী
হজরত
মুহাম্মদ (সা.)-এর মসজিদ অবস্থিত।
জোটের
মুখপাত্র মেজর
জেনারেল তুর্কি
আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে
দেওয়া
এক
পোস্টে
বলেন,
সৌদি
আরবের
দিকে
ছোড়া
চারটি
ড্রোন
প্রতিহত ও
ধ্বংস
করা
হয়েছে।
পরবর্তী আরেকটি
পোস্টে
তিনি
জানান,
ড্রোনগুলো সৌদি
আরবের
পূর্বাঞ্চল ও
মদিনা
অঞ্চলে
ভূপাতিত করা
হয়।
পরে
পূর্বাঞ্চলে আরও
একটি
ড্রোন
প্রতিহত করার
কথাও
জানান
তিনি।
বুধবার সন্ধ্যায় জোটটি আরও জানায়, হুথিদের ছোড়া ষষ্ঠ ড্রোনটি সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাচ্ছিল। সপ্তম ড্রোনটি ছোড়া হয়েছিল দেশটির পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে। জোটের দাবি, ড্রোন দুটি প্রতিহত করা হয়েছে।