ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করলে পাকিস্তান-তুরস্ককে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি হুথিদের

ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করলে পাকিস্তান-তুরস্ককে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি হুথিদের

ইয়েমেনের সংঘাতে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি ইরাকি টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘অ্যানাদার রিডিং’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তান যদি এই সংঘাতে সামরিকভাবে যুক্ত হয়, তাহলে তাদের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দেওয়া হবে। তবে তাঁর দাবি, এই হুঁশিয়ারি দুই দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নয়; বরং দেশ দুটির সরকারের বিরুদ্ধে।মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনাসৌদি আরবের ওপর হুথিদের ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।চুক্তির আওতায় কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলাকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।তুরস্কের অবস্থানতুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা গুরুতর হুমকির মুখে পড়লে জোটের অংশ হিসেবে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এ বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তানপাকিস্তান শুরু থেকেই সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে আসছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা রক্ষা করা পাকিস্তানের ধর্মীয় দায়িত্ব। এ জন্য কোনো চুক্তির ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীও সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি পাকিস্তানের নিঃশর্ত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, হারামাইন শরিফাইন ও সৌদি রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে পাকিস্তান ‘যেকোনো পর্যায়ে’ যেতে প্রস্তুত।হুথিদের নতুন এই হুঁশিয়ারির পর ইয়েমেন সংঘাতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

ইয়েমেনে হুথিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা, লোহিত সাগর নিয়ে নতুন উদ্বেগ

ইয়েমেনের উপকূলীয় সমতলভূমি তিহামাহর দক্ষিণাঞ্চলে দ্রুত অগ্রসর হয়ে বড় এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথিরা। কয়েক দিনের মধ্যে হুথিবিরোধী জোট ‘ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স’-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা বিস্তীর্ণ এলাকা তাদের দখলে চলে যায়।বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, লোহিত সাগরের উপকূলে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার এলাকা এখন হুথিদের নিয়ন্ত্রণে। কয়েক বছরের মধ্যে এটিকে গোষ্ঠীটির সবচেয়ে বড় সামরিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, ১২ বছরের গৃহযুদ্ধ, সৌদি আরবের ব্যাপক বিমান হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও যুক্তরাজ্যের সামরিক অভিযানের পরও হুথিরা যে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে টিকে আছে, সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা তার প্রমাণ।ব্রাসেলসভিত্তিক ইউরোপিয়ান ইনস্টিটিউট অব পিসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হিশাম আল-ওমেইসি বিবিসিকে বলেন, হুথিদের এখন নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা থেকে সরানো সহজ হবে না। তারা সেখানে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করবে এবং তাদের সরাতে বড় মূল্য দিতে হবে।বাব আল-মান্দাব ঘিরে উদ্বেগহুথিদের এই অগ্রযাত্রা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দাব নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাব আল-মান্দাবের কাছে পেরিমসহ গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে গেলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলে তাদের প্রভাব আরও বাড়তে পারে।গাজা যুদ্ধের পর হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজ লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে তারা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করেছে। তবে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থাকা জাহাজও তাদের হামলার শিকার হয়েছে।ইয়েমেন বিশেষজ্ঞ আইওনা ক্রেগ বলেন, বাব আল-মান্দাবের ওপর নজরদারির সুযোগ থাকা এলাকা এখন হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের প্রভাব আরও বাড়তে পারে।ইরানের কৌশলগত সুবিধালন্ডনের চ্যাথাম হাউসের গবেষণা ফেলো ফারেয়া আল-মুসলিমি বলেন, ইরান সরাসরি ও মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দাবের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও তেল বাণিজ্যের ৩৫ শতাংশের বেশি এসব পথের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক বারাআ শাইবান বলেন, জুলাই থেকে ইয়েমেনে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে। তাঁর মতে, এরপর থেকেই লোহিত সাগরে ইরানের আরও বড় উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নহুথিদের অগ্রযাত্রার পর প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইয়েমেনের সংঘাতে সরাসরি জড়াবে কি না। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে নতুন সংঘাতে জড়ানোর আগ্রহ কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চাইলেও এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন তাতে সাড়া দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সৌদি আরবকে সমর্থন জোরদার করতে চায়, অন্যদিকে সরাসরি সামরিকভাবে জড়িয়ে পড়া এড়াতে চাইছে। এদিকে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনও সম্ভাব্য হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইয়েমেনে আবার পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হলে সবচেয়ে বড় সংকটে পড়বে দেশটির সাধারণ মানুষ। এক যুগের যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত ইয়েমেনিদের জন্য নতুন সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

ইয়েমেনে হুথিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা, লোহিত সাগর নিয়ে নতুন উদ্বেগ

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামরিক সহযোগিতার কারণে অনেকে এটিকে ‘মুসলিম ন্যাটো’ বললেও বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি ন্যাটোর মতো কোনো সামরিক জোট নয়।তুরস্কের হাসান কালিয়ানকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি বিশ্লেষক মুরাত আসলাম বলেন, জোটটিকে আক্রমণাত্মক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মূলত সদস্যদেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর একটি উদ্যোগ। এর কোনো নির্দিষ্ট শত্রু দেশ নেই। একই সঙ্গে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সংঘাত এড়ানো এবং বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোও এর লক্ষ্য।প্রাথমিকভাবে তিন দেশ নিয়ে চুক্তি হলেও ভবিষ্যতে আরও দেশ এতে যুক্ত হতে পারে। সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের নামও আলোচনায় এসেছে।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে ঢাকা ইতিবাচক। তবে এখনো জোটে যোগ দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমান সদস্যরা বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানালে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।নিরাপত্তা বিশ্লেষক হাসিব আজিজের মতে, বাংলাদেশ এই জোটে যুক্ত হলে যৌথ সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। বিশেষ করে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতা বাড়তে পারে। তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের বায়রাক্তার ড্রোন ও অটোকার কোবরা ভেহিকেল আমদানির বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।তবে মুরাত আসলাম মনে করেন, মক্কা জোটকে ন্যাটোর সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না। কারণ এর কোনো ন্যাটো-ধাঁচের সামরিক কমান্ড কাঠামো বা যৌথ সেনাবাহিনী নেই।তবে জোটটি নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান এই জোটের সদস্য হওয়ায় ভারত বিষয়টিকে সন্দেহের চোখে দেখছে। ভবিষ্যতে ভারত-পাকিস্তানের কোনো সংঘাত হলে জোটটির অবস্থান কী হবে এবং বাংলাদেশ এতে যুক্ত হলে কোনো সামরিক পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে কি না- এগুলো এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সূত্র: বিবিসি বাংলা

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি, যেকোনো হামলা তিন দেশ মোকাবিলা করবে

পবিত্র মক্কা নগরীতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।মক্কায় অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা সম্মেলনে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান।চুক্তির বিষয়ে এরদোয়ান বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতায় আগ্রহী অন্যান্য ভ্রাতৃপ্রতিম দেশও ভবিষ্যতে এতে যোগ দিতে পারবে।তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, এ চুক্তি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্কের গভীরতার প্রতিফলন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একসঙ্গে কাজ করার রাজনৈতিক সদিচ্ছারও বহিঃপ্রকাশ এটি।পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হলো তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করা।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিটিকে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষায়, এটি তিন দেশের জন্য একটি ‘শান্তির ঢাল’ হিসেবে কাজ করবে এবং বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।সূত্র: ডন, জিও নিউজ

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি, যেকোনো হামলা তিন দেশ মোকাবিলা করবে