ইয়েমেনের সংঘাতে পাকিস্তান ও তুরস্ক সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো।
হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য
মোহাম্মদ আল-বুখাইতি ইরাকি টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘অ্যানাদার রিডিং’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন,
তুরস্ক
ও
পাকিস্তান যদি
এই
সংঘাতে
সামরিকভাবে যুক্ত
হয়,
তাহলে
তাদের
‘উপযুক্ত শিক্ষা’
দেওয়া
হবে।
তবে
তাঁর
দাবি,
এই
হুঁশিয়ারি দুই
দেশের
জনগণের
বিরুদ্ধে নয়;
বরং
দেশ
দুটির
সরকারের বিরুদ্ধে।
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি
নিয়ে
আলোচনা
সৌদি আরবের
ওপর
হুথিদের ধারাবাহিক হামলার
পর
সৌদি
আরব,
পাকিস্তান ও
তুরস্কের মধ্যকার ‘মক্কা
যৌথ
প্রতিরক্ষা চুক্তি’
নিয়ে
নতুন
করে
আলোচনা
শুরু
হয়েছে।
চুক্তির আওতায়
কোনো
সদস্য
দেশের
ওপর
হামলাকে সব
সদস্য
দেশের
ওপর
হামলা
হিসেবে
বিবেচনা করার
কথা
রয়েছে।
এ
পরিস্থিতিতে সৌদি
আরবের
পাশে
পাকিস্তান ও
তুরস্ক
সামরিকভাবে দাঁড়াবে কি
না,
তা
নিয়ে
নতুন
করে
আলোচনা
তৈরি
হয়েছে।
তুরস্কের অবস্থান
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান
ফিদান
বলেছেন,
সৌদি
আরবের
সার্বভৌমত্ব ও
ভৌগোলিক অখণ্ডতা গুরুতর
হুমকির
মুখে
পড়লে
জোটের
অংশ
হিসেবে
তুরস্ক
প্রয়োজনীয় সামরিক
ও
কারিগরি সহায়তা
দিতে
প্রস্তুত।
এ বিষয়ে
পাকিস্তানের সঙ্গেও
আলোচনা
করা
হবে
বলে
জানিয়েছেন তিনি।
সৌদি আরবের পাশে
পাকিস্তান
পাকিস্তান শুরু
থেকেই
সৌদি
আরবের
ওপর
হুথিদের হামলার
নিন্দা
জানিয়ে
আসছে।
দেশটির
প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা
আসিফ
বলেছেন,
মক্কা
ও
মদিনার
নিরাপত্তা রক্ষা
করা
পাকিস্তানের ধর্মীয়
দায়িত্ব। এ
জন্য
কোনো
চুক্তির ওপর
নির্ভর
করার
প্রয়োজন নেই
বলেও
মন্তব্য করেন
তিনি।
পাকিস্তানের সামরিক
মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ
শরিফ
চৌধুরীও সৌদি
আরবের
নিরাপত্তার প্রতি
পাকিস্তানের নিঃশর্ত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন,
হারামাইন শরিফাইন ও
সৌদি
রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষায়
প্রয়োজন হলে
পাকিস্তান ‘যেকোনো
পর্যায়ে’ যেতে
প্রস্তুত।
হুথিদের নতুন
এই
হুঁশিয়ারির পর
ইয়েমেন
সংঘাতে
আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে
উত্তেজনা আরও
বাড়ার
আশঙ্কা
তৈরি
হয়েছে।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন