ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ছয় সপ্তাহে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে ড্রোন হামলার ঘাঁটি গড়ল রাশিয়া

ছয় সপ্তাহে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে ড্রোন হামলার ঘাঁটি গড়ল রাশিয়া

মাত্র ছয় সপ্তাহে ইউক্রেনের কাছাকাছি একটি বড় ড্রোন হামলার ঘাঁটি নির্মাণ প্রায় শেষ করেছে রাশিয়া। বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলের মিলেরোভোর কাছে নির্মাণাধীন ঘাঁটিটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছিল ফাঁকা মাঠ। বুধবারের স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে প্রায় ১২৬টি ফুটবল মাঠের সমান আয়তনের একটি বড় স্থাপনা দেখা গেছে। প্ল্যানেট ল্যাবস ও এয়ারবাসের সরবরাহ করা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে রয়টার্স।ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হামলার সক্ষমতা বাড়ানোর সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ঘাঁটিকে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের ওপর জেটচালিত আক্রমণকারী ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে মস্কো। এসব ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে। তুলনামূলক বেশি গতির কারণে ড্রোনগুলোকে প্রতিহত করতে হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেন।পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়ানোর মধ্যে আসন্ন শীতকালে রাশিয়া জেটচালিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কিয়েভ।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনিক বলেন, অল্প সময়ে ঘাঁটি নির্মাণের এই গতি দেখাচ্ছে, রাশিয়া এখন প্রতিষ্ঠিত আক্রমণ সক্ষমতা দ্রুত কাজে লাগাতে পারছে। তাঁর মূল্যায়ন, স্থাপনাটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, এমনকি তারও আগে এটি পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে।ন্যাটোর জন্যও বাড়ছে উদ্বেগরাশিয়ার নতুন ঘাঁটি নির্মাণের সময়েই দেশটির সঙ্গে ন্যাটো সামরিক জোটের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে।ইউরোপের বিভিন্ন সরকার মস্কোর বিরুদ্ধে নাশকতা, ড্রোন অনুপ্রবেশ ও সাইবার হামলা বাড়ানোর অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে, গত মাসে রাশিয়া সতর্ক করে বলেছে, ন্যাটো তাদের কালিনিনগ্রাদ ছিটমহল বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করলে মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।মনিকের মতে, জেটচালিত ড্রোনের শিল্পভিত্তিক উৎপাদন, এসব অস্ত্রের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং ন্যাটোভুক্ত অনেক দেশে কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থার ঘাটতি পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।সূত্র: রয়টার্স

ইয়েমেনে ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে গত ৪৮ ঘণ্টায় দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ প্রদেশে সংঘর্ষ ও ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আল আরাবিয়া।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের অধিকাংশ হুথিদের আল-সামাদ ব্রিগেডের সদস্য।এদিকে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুথিরা বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ইয়েমেন ফিউচার। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইজ শহরের পশ্চিমে আল-বারহ ফ্রন্টে নতুন করে সেনা ও যোদ্ধা পাঠিয়েছে হুথিরা।নতুন করে পাঠানো সদস্যদের মধ্যে হুথিদের বিশেষ বাহিনী, কমান্ডো এবং সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যোদ্ধারাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।হুথিরা আরও যোদ্ধা সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলেও বিভিন্ন সূত্রের বরাতে খবর পাওয়া গেছে। সানার সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার কয়েকটি কারাগার থেকে শত শত বন্দিকে মুক্তি দিতে শুরু করেছে গোষ্ঠীটি। বিনিময়ে তাঁদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার শর্ত দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাদা, হাজ্জাহ ও সানা প্রদেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রায় ৮৫০ বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অপরাধ ও মাদকসংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। পাশাপাশি দামার প্রদেশে আরও প্রায় ১ হাজার ৪০০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর বিনিময়ে তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা প্রত্যাহার অথবা আইনি অবস্থান নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কিছু বন্দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে হুথি বাহিনীতে নিয়োগ ও আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। এমনকি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে কারাগারে থাকা কয়েকজনের দেনা পরিশোধের বিনিময়ে তাঁদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।সূত্র: আল আরাবিয়া

ইয়েমেনে ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ হুথি যোদ্ধা নিহত