ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কোনো দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখিয়েছেন বলেও জানান তিনি।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।ব্রিটেনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে, বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করতে আগ্রহী।ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ বা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করতে চান বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে দাপ্তরিক যোগাযোগ এগিয়ে নিতে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি দল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনস্থানীয় সরকার নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের মতো অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকার আইন সংশোধন করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। এটি সাধারণ নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে এবং বৈধ যেকোনো ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন।রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, যেহেতু নির্বাচনটি দলীয় নয়, তাই কোনো বিশেষ দলের প্রশ্ন আসে না। তবে বিএনপি স্থানীয়ভাবে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কৌশল নিতে পারে।একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।বদলাচ্ছে অর্থবছরপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করেছে বলেও জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। ২০২৮ সাল থেকে অর্থবছর ১ এপ্রিল শুরু হয়ে ৩১ মার্চ শেষ হবে।ব্রিটিশ প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের মতে, এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।মীর শাহে আলম বলেন, অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তনের জন্য সংবিধানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হবে। মহান সংসদ গঠিত সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে এ বিষয়ে কাজ চলছে। এ ছাড়া জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং বিএনপির প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোও সংবিধান সংশোধনের সময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।