ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) বাংলাদেশের গণতন্ত্র অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর
সেগুনবাগিচায় ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত
অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা
বলেন।
রুহুল কবির
রিজভী বলেন, ঢাকার কোথাও নিশ্চিন্ত মনে বসার সুযোগ
না থাকলেও ডিআরইউতে এসে তিনি নিশ্চিন্তে
চা খেতে পারতেন। নিজের
গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন,
আমি সর্বশেষ গ্রেপ্তার হয়েছিলাম প্রেসক্লাব থেকে। আমি শুনেছি, প্রেসক্লাবের
নেতৃত্বের কাছ থেকেই আমাকে
গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছিল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন,
যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থান না হতো, তারা
যদি আরো বেশি দিন
থাকতে পারত, তাহলে কী হতো জানি
না। মিডিয়া, টেলিভিশন, পত্রিকা ও টকশো সরকারের
নিয়ন্ত্রণে ছিল। সেখানে কেবল
মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকেরা ধুঁকে ধুঁকে গণতন্ত্রের পক্ষে আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।
তিনি বলেন,
জুলাইয়ের আগে হত্যা, খুন
ও গুমের ঘটনা ঘটলেও সেগুলো
গণমাধ্যমে প্রচার করা হতো না।
গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব সত্য
তুলে ধরা উল্লেখ করে
রিজভী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে
প্রশাসন, আদালত ও সিভিল সোসাইটির
পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও ভূমিকা পালন করতে হয়।
গণতন্ত্র ও
আইনের শাসন নিশ্চিত করতে
গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালনের আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা। একই
সঙ্গে গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ
করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব
দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে
ডিআরইউর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কমিটির নেতৃবৃন্দ,
সংগঠনের সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক
দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।