ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
গণতন্ত্র অর্জনে ডিআরইউ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে: রিজভী

গণতন্ত্র অর্জনে ডিআরইউ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে: রিজভী

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) বাংলাদেশের গণতন্ত্র অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, ঢাকার কোথাও নিশ্চিন্ত মনে বসার সুযোগ না থাকলেও ডিআরইউতে এসে তিনি নিশ্চিন্তে চা খেতে পারতেন। নিজের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমি সর্বশেষ গ্রেপ্তার হয়েছিলাম প্রেসক্লাব থেকে। আমি শুনেছি, প্রেসক্লাবের নেতৃত্বের কাছ থেকেই আমাকে গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছিল।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থান না হতো, তারা যদি আরো বেশি দিন থাকতে পারত, তাহলে কী হতো জানি না। মিডিয়া, টেলিভিশন, পত্রিকা ও টকশো সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। সেখানে কেবল মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকেরা ধুঁকে ধুঁকে গণতন্ত্রের পক্ষে আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন।তিনি বলেন, জুলাইয়ের আগে হত্যা, খুন ও গুমের ঘটনা ঘটলেও সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হতো না। গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব সত্য তুলে ধরা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আদালত ও সিভিল সোসাইটির পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও ভূমিকা পালন করতে হয়।গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা। একই সঙ্গে গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডিআরইউর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কমিটির নেতৃবৃন্দ, সংগঠনের সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে

বিএনপির নেতৃত্বেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাঁর দাবি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে দেশের মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছিলেন এবং বিএনপির নেতৃত্বেই এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রকে লালন করেছেন।মঙ্গলবার টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। তাঁর নেতৃত্বের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত প্রতিটি গণতন্ত্রকামী আন্দোলনে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যতবার ষড়যন্ত্র হয়েছে, ততবারই বিএনপি গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তা প্রতিষ্ঠিত করেছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, বিএনপি কখনো গণতন্ত্রের বিপক্ষে যায়নি।ছয় মাসে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিসরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ ও পোশাক দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছেদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রও চলছে। এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে

খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আপসহীনভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে তিনি কারও সঙ্গে আপস করেননি এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শেষ পর্যন্ত দৃঢ় ছিলেন।রিজভী বলেন, বিএনপি ওয়াদা রক্ষাকারী ও জনগণের কাছে অঙ্গীকার রক্ষার দল।মঙ্গলবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রুহুল কবির রিজভী বলেন, নানা ধরনের নিপীড়ন, নির্যাতন, অত্যাচার ও নৈরাজ্যের মধ্যেও খালেদা জিয়া দেশ ও বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তি এবং নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তাঁর অবস্থান থেকে সরে যাননি।তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার সামনে রেখে খালেদা জিয়া তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত দলের নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করেছেন এবং আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের আন্দোলন একপর্যায়ে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয়।রিজভীর ভাষ্য, রাজপথের সেই আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে এবং তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ও প্রতিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। মানুষের হৃদয়ে তিনি ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটানোর যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য।খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তাঁর আদর্শ, সাহস, বীরত্ব এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনা সামনে রেখে বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পতাকা এবং খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ তারেক রহমানের হাতে অর্পিত হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে সারা দেশে বিএনপি সংগঠিত হচ্ছে এবং জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন: রিজভী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে দেখছে সরকার: জামায়াত নেতা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণকে সরকার উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিতে না দেখে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার সঙ্গে মূল্যায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য বলেছেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধী দলের সংবিধান সংস্কার পরিষদে নেওয়া শপথ আর টেকে না। এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য হলে সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কীভাবে বৈধ থাকে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।তিনি বলেন, ২০২৬ সালে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় কোনো সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।জামায়াতের এই নেতা দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। একই সঙ্গে এটি গণতান্ত্রিক চর্চার একটি নতুন উদ্যোগ।হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা বিরোধী দল আগে থেকেই জানত। এরপরও জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং গণতন্ত্রের দাবি জোরালো করার জন্য তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।তাঁর মতে, এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে নতুন করে উপলব্ধি তৈরি হয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করতে সংবিধান সংস্কার প্রয়োজন।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা না করে এর গণতান্ত্রিক বার্তা উপলব্ধি করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।তিনি আরও বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে না।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে দেখছে সরকার: জামায়াত নেতা