এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। আর ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল
১০টায়
দেশের
১১টি
শিক্ষা
বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল
প্রকাশ
করা
হয়।
শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্য
দিয়ে
ফল
দেখতে
পারছে।
পর্যায়ক্রমে সব
শিক্ষার্থীর নিবন্ধিত মোবাইল
নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল
পাঠানো
হচ্ছে।
গত ১০
আগস্ট
এসএসসি
ও
সমমান
পরীক্ষার মূল
ফল
প্রকাশ
করা
হয়েছিল। সে
হিসাবে
মূল
ফল
প্রকাশের ৩১
দিন
পর
পুনর্নিরীক্ষণের ফল
প্রকাশ
হলো।
এবার ফল
প্রকাশের পর
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য
বিপুলসংখ্যক আবেদন
জমা
পড়ে।
১১টি
শিক্ষা
বোর্ডে
মোট
প্রায়
পৌনে
১৩
লাখ
খাতা
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
করা
হয়।
আবেদনকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা
ছিল
৪
লাখ
২
হাজার
৫১
জন।
একজন
পরীক্ষার্থী একাধিক
বিষয়ের
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
করতে
পারায়
খাতার
সংখ্যা
পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায়
বেশি
হয়েছে।
গত ১১
আগস্ট
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
শুরু
হয়।
১৭
আগস্ট
রাত
পর্যন্ত আবেদন
করার
সুযোগ
ছিল।
এর
মধ্যে
লিখিত
পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য
১০
লাখ
৫৬
হাজার
৪৫৫টি
এবং
ব্যবহারিক পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য
২
লাখ
৩১
হাজার
৪৭১টি
আবেদন
জমা
পড়ে।
সবচেয়ে বেশি
আবেদন
পড়ে
ঢাকা
শিক্ষা
বোর্ডে। এ
বোর্ডে
৯৪
হাজার
২৩৬
জন
পরীক্ষার্থী লিখিত
পরীক্ষার ২
লাখ
৭৭
হাজার
৬৬৫টি
এবং
ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮
হাজার
১২টি
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
করেন।
এ ছাড়া
কুমিল্লা শিক্ষা
বোর্ডে
৩৫
হাজারের বেশি,
রাজশাহীতে ৩৯
হাজারের বেশি,
যশোরে
২৮
হাজারের বেশি,
চট্টগ্রামে ৩৯
হাজারের বেশি,
বরিশালে ১৭
হাজারের বেশি,
সিলেটে
২০
হাজারের বেশি,
দিনাজপুরে ৩৭
হাজারের বেশি
এবং
ময়মনসিংহ শিক্ষা
বোর্ডে
২৭
হাজার
৬৭৬
জন
পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
করেন।
অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন। চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছে। তাঁদের মধ্যে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিলেন।