ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

সোনালি আঁশের ভালো ফলনে স্বস্তি পাটচাষিদের


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

সোনালি আঁশের ভালো ফলনে স্বস্তি পাটচাষিদের
ছবি: সংগ্রহ

দেশের বিভিন্ন জেলায় এবার পাটের ভালো ফলনে খুশি কৃষকেরা। মে-জুনের খরার পর জুলাই-আগস্টের বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে। কোথাও বাজারদর ভালো থাকলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।

বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদন করে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ। প্রায় ৪০ লাখ কৃষক সরাসরি পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত।

ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলায় এবার আবাদ ফলন ভালো হয়েছে। রাজশাহীতে প্রতি মণ পাট হাজার থেকে হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কয়েকটি এলাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক কম দাম পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাট পাটপণ্যের রপ্তানি প্রায় পৌনে শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে কাঁচা পাটের রপ্তানি ৭৭ শতাংশ কমে ৩৮ হাজার টনে নেমেছে। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বহুমুখী পাটপণ্যের উৎপাদন নতুন বাজার বাড়ানো গেলে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় প্রতি মণ পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সরকারি উদ্যোগে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাট কেনা হোক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য দাম রপ্তানি বাজার নিশ্চিত করা গেলে পাট খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।

বিষয় : পাটের ফলন দাম ও রপ্তানি ন্যায্যমূল্য পাটপণ্যের রপ্তানি

দৈনিক নবকাল

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সোনালি আঁশের ভালো ফলনে স্বস্তি পাটচাষিদের

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের বিভিন্ন জেলায় এবার পাটের ভালো ফলনে খুশি কৃষকেরা। মে-জুনের খরার পর জুলাই-আগস্টের বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে। কোথাও বাজারদর ভালো থাকলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে।

বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদন করে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ। প্রায় ৪০ লাখ কৃষক সরাসরি পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত।

ফরিদপুর, রাজশাহী, নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলায় এবার আবাদ ফলন ভালো হয়েছে। রাজশাহীতে প্রতি মণ পাট হাজার থেকে হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কয়েকটি এলাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক কম দাম পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাট পাটপণ্যের রপ্তানি প্রায় পৌনে শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে কাঁচা পাটের রপ্তানি ৭৭ শতাংশ কমে ৩৮ হাজার টনে নেমেছে। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বহুমুখী পাটপণ্যের উৎপাদন নতুন বাজার বাড়ানো গেলে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় প্রতি মণ পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত এবং সরকারি উদ্যোগে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পাট কেনা হোক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য দাম রপ্তানি বাজার নিশ্চিত করা গেলে পাট খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
সোনালি আঁশের ভালো ফলনে স্বস্তি পাটচাষিদের
0:00 0:00
1.0x