ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা পেলেন: ট্রাম্প

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা পেলেন: ট্রাম্প

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন চলাকালে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সুনির্দিষ্ট হুমকির মুখে পড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আশঙ্কা করা হয়েছিল, তুরস্ক থেকে ফেরার সময় ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য হতে পারে।এ কারণে প্রকাশ্যে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার পরও ট্রাম্পকে বিকল্প কৌশলে তুরস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।ইরানের কাছে ট্রাম্পের অবস্থানের তথ্য ছিলনাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, একাধিক গোয়েন্দা সূত্র থেকে তথ্য পাওয়ার পর কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন যে এয়ার ফোর্স ওয়ানকে লক্ষ্য করে ইরানের হামলার আশঙ্কা বাস্তব ছিল। ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।এ ছাড়া ন্যাটো সম্মেলনস্থলের আশপাশে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ একজনকে দেখা গিয়েছিল বলেও কর্মকর্তারা জানান।তাদের দাবি, ইরানের পক্ষ ট্রাম্পের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানত। এমনকি তিনি আঙ্কারায় যে ভবনে অবস্থান করছিলেন, সেটির কোন তলায় ছিলেন, সেই তথ্যও তাদের জানা ছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন।বিকল্প পথে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্পগোয়েন্দা তথ্যকে যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য মনে করে ট্রাম্পকে দ্রুত তুরস্ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয় মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে পুরো বিষয়টি গোপন রাখতে নেওয়া হয় বিশেষ কৌশল।ক্যামেরার সামনে ট্রাম্প পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন। এর আগে তিনি ‘পুরোনো দিনের কথা ভেবে’ ওই বিমানটিতে উঠবেন বলে জানিয়েছিলেন।তবে পরে বিমানবন্দরের একটি ক্যাটারিং কনটেইনারে লুকিয়ে তাকে অন্যত্র নেওয়া হয়। সেখান থেকে একটি সামরিক বিমানে করে তিনি তুরস্ক ত্যাগ করেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান।আগেও হত্যার হুমকিতে ট্রাম্পইরানের হুমকি এর আগেও ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ২০২৪ সালে পেনসিলভেনিয়ার বাটলারে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক বন্দুকধারীর গুলি ট্রাম্পের গা ঘেঁষে যায়। একই বছরের শেষ দিকে ফ্লোরিডায় তাঁর গলফ কোর্সেও একজন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর চেষ্টা করেন। তবে এসব ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।এ ছাড়া বাইডেন প্রশাসনের সময় ট্রাম্পকে হত্যার জন্য ভাড়াটে খুনি নিয়োগের একটি ষড়যন্ত্রের ঘটনায় একজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, ইরানি কর্মকর্তারা একটি প্রক্সি বাহিনীর মাধ্যমে ওই ষড়যন্ত্র পরিচালনা করেছিলেন।তবে ন্যাটো সম্মেলন চলাকালে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে কথিত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।