ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ঢাকায় পীর-মাশায়েখদের সম্মেলন, সুফি অনুসারীদের ঐক্যের আহ্বান

ঢাকায় পীর-মাশায়েখদের সম্মেলন, সুফি অনুসারীদের ঐক্যের আহ্বান

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পীর-মাশায়েখ ও সুফি তরিকার অনুসারীদের একটি বড় সম্মেলন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান, ভারত, ইরানসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন দরবার ও খানকা শরীফের প্রায় ৩ হাজার পীর-মাশায়েখ ও প্রতিনিধি অংশ নেন।পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক ও সমন্বয়ক ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা।সম্মেলন থেকে সুফি তরিকার অনুসারীদের মধ্যে ঐক্য জোরদার, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা ও ভালোবাসা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সুফিবাদ ও ঈদে মিলাদুন্নবীকে ঘিরে বিদ্বেষ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।ইমাম কুদরত এ খোদা বলেন, কোনো একটি দরবার সমস্যায় পড়লে অন্য দরবারের অনুসারীদেরও তার পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, “পীর-মাশায়েখরা আছেন বলেই আজও বাংলার জমিনে রাসুল (সা.)-এর মহব্বত জাগ্রত আছে।”ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নিয়ে বিরোধিতা ও অপপ্রচারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসার জন্য আশেকে রাসুলদের কোনো দলিলের প্রয়োজন নেই। দেওয়ানবাগ শরীফ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “দেওয়ানবাগ শরীফে শরিয়তের বাইরে কোনো কার্যক্রম চলে না।”তিনি আরও বলেন, এ সম্মেলনের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। তরিকাপন্থীরা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা থেকেই একত্রিত হয়েছেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইমাম কুদরত এ খোদা উপমহাদেশের সুফিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্যের একটি ক্ষেত্র তৈরি করছেন।ইরানের আল-মুস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাবুদ্দিন মাশায়েখী ইরানের সুফিদের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।ভারত থেকে আজমীর শরীফের সৈয়দ সালাউদ্দিন চিশতি, হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া দরগাহের সৈয়দ আনিস নিজামী ও সৈয়দ ফাইজ নিজামী এবং পাকিস্তান থেকে দরগাহে হযরত বাবা গানসকল মাসুদের দিওয়ান আহমেদ মাসুদ, দরগাহে হযরত শাহ জাফর আলির পীর সৈয়দ আমীর হোসেনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের মাইজভান্ডার, সুরেশ্বর, শেরে বাংলা, সাইফিয়া, মোহাম্মদীয়া, হাক্কানি, চিশতিয়া পাক পাঞ্জাতন, পরদেশি, সুফি আস্তানা, দয়াময়, নুরে মদীনা, চিশতিয়া নিজামিয়া, করন নগর, মাওলা ভরসা, ছতুরা, ভুলুয়া হায়দারি ও কুতুবদিয়া পাক দরবার শরীফসহ বিভিন্ন দরবারের পীর-মাশায়েখরাও সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।‘হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন। শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। এ দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন ও উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। এ জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান।এ ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের আহ্বায়ক ড. পিয়ার মোহাম্মদ।

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।‘হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন। শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। এ দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন ও উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। এ জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান।এ ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (ARGOO) আহ্বায়ক ড. পিয়ার মোহাম্মদ।

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান