ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান



ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান
মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শশীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর . কুদরত খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।

প্রফেসর কুদরত খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র আচরণে প্রতিফলিত হয়।

ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব--খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি . সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস . আনিসুজ্জামান।

ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক . আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (ARGOO) আহ্বায়ক . পিয়ার মোহাম্মদ।

বিষয় : ঈদে মিলাদুন্নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জীবনাদর্শ সেমিনার আশেকে রাসুল

দৈনিক নবকাল

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শশীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর . কুদরত খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।

প্রফেসর কুদরত খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র আচরণে প্রতিফলিত হয়।

ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব--খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি . সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস . আনিসুজ্জামান।

ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক . আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (ARGOO) আহ্বায়ক . পিয়ার মোহাম্মদ।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান
0:00 0:00
1.0x