শিল্প ও কৃষিতে সমৃদ্ধ নরসিংদী। রাজধানীর ঘেঁষা এই জেলায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, বিস্তীর্ণ কৃষি অঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ জনপদ। অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলায় যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে দীর্ঘদিনের নানা প্রত্যাশা রয়েছে মানুষের।
এরই মধ্যে
নরসিংদীর দুই
নেতা
সরকারের দুটি
গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায়
জেলাজুড়ে তৈরি
হয়েছে
নতুন
আগ্রহ।
স্বাস্থ্য ও
পরিবার
কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সরদার
মো.
সাখাওয়াত হোসেন
বকুল।
আর
গত
২১
আগস্ট
মন্ত্রিসভার সর্বশেষ রদবদলে
স্থানীয় সরকার,
পল্লী
উন্নয়ন
ও
সমবায়
মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ
মন্ত্রী হয়েছেন
ড.
আবদুল
মঈন
খান।
বিএনপি সরকার
গঠনের
সময়ই
স্বাস্থ্য ও
পরিবার
কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান
সরদার
মো.
সাখাওয়াত হোসেন
বকুল।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভার সর্বশেষ রদবদলে
ড.
আবদুল
মঈন
খান
স্থানীয় সরকার,
পল্লী
উন্নয়ন
ও
সমবায়
মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ
মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
ড. আবদুল
মঈন
খান
নরসিংদী-২ আসনের
নেতা।
এ
আসনের
মধ্যে
রয়েছে
পলাশ উপজেলা। অন্যদিকে সরদার
মো.
সাখাওয়াত হোসেন
বকুল
নরসিংদী-৪
আসনের
নেতা,
যে
আসনটি
মনোহরদী ও
বেলাব
উপজেলা
নিয়ে
গঠিত।
একই জেলার
দুই
সংসদীয়
এলাকার
দুই
নেতা
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুটি
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায়
স্থানীয়দের প্রত্যাশাও বেড়েছে। বিশেষ
করে
রায়পুরার চরাঞ্চলসহ জেলার
প্রত্যন্ত এলাকার
সড়ক
যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো ও
জনসেবার মান
উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ
চান
তাঁরা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, স্থানীয় সরকার,
পল্লী
উন্নয়ন
ও
সমবায়
মন্ত্রণালয়ের সুযোগ
কাজে
লাগিয়ে
জেলার
উন্নয়ন
প্রকল্পগুলোতে গতি
আনা
সম্ভব
হবে।
পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকার
যোগাযোগব্যবস্থা ও
নাগরিক
সেবার
ঘাটতিও
কমবে।
স্বাস্থ্য খাত
নিয়েও
রয়েছে
স্থানীয়দের নানা
প্রত্যাশা। জেলার
হাসপাতাল ও
স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক ও
জনবল
সংকট
দূর
করা,
প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা
এবং
চিকিৎসাসেবার পরিধি
বাড়ানোর দাবি
রয়েছে
তাঁদের। এতে
সাধারণ
মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার
সুযোগ
আরও
সহজ
হবে
বলে
আশা
করছেন
স্থানীয়রা।
উন্নয়নসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নরসিংদীর দুই নেতা থাকায় জেলার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো থেকে স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান- দীর্ঘদিনের এসব প্রত্যাশা পূরণে এখন দুই মন্ত্রীর কার্যকর ভূমিকার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন জেলাবাসী।