ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নরসিংদী জেলা হাসপাতালে এক বিছানায় দুজনের চিকিৎসা

নরসিংদী জেলা হাসপাতালে এক বিছানায় দুজনের চিকিৎসা

নরসিংদী জেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ১০০। অথচ সেখানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ডেঙ্গু ও হামের রোগীর পাশাপাশি শিশু ও বয়স্ক রোগীদেরও মিলছে না শয্যা। বাধ্য হয়ে অনেককে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বারান্দার মেঝেতে। কোথাও আবার একটি শয্যায় থাকছেন দুজন রোগী।সীমিত জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও শয্যা নিয়ে অতিরিক্ত রোগীর সেবা দিতে গিয়ে চাপে পড়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এ পরিস্থিতিতে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বাড়াতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।নরসিংদী জেলা হাসপাতাল জেলার সাধারণ মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসাস্থল। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীরাও আসেন। পাশাপাশি জেলার বৃহত্তর রায়পুরা উপজেলার একটি বড় অংশের মানুষ এ হাসপাতাল থেকে সেবা নেন। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ও সেবার মানের কারণে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।দুই সপ্তাহ ধরে রোগী তিন শতাধিকহাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার এ হাসপাতালে অধিকাংশ সময়ই দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে রোগীর সংখ্যা তিন শতাধিক। সর্বশেষ গত সোমবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৩৩৫ জন রোগী।তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১০৫ জন, নারী ১৩২ জন এবং শিশু ৯৮ জন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত ছিলেন ৩০ জন। এর আগের দিন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৩১৩।জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক জরিপ অনুযায়ী, নরসিংদী শহর ও আশপাশের এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। ডেঙ্গু ও হামের রোগীদের পাশাপাশি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও শয্যা না পেয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন। অনেককে হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও একটি নির্ধারিত শয্যায় দুজন রোগীকেও থাকতে দেখা গেছে।শিশুকে নিয়ে দুই দিন ধরে বারান্দায় আমেনারায়পুরা থেকে ছয় মাস বয়সী শিশুকে নিয়ে দুই দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছেন আমেনা বেগম। কিন্তু শয্যা না পাওয়ায় শিশুকে নিয়ে থাকতে হচ্ছে বারান্দার মেঝেতে।আমেনা বেগম বলেন, ‘আমরা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল। ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো লোকও নেই। এই হাসপাতালের সেবার মান ভালো। তাই সিট না পেলেও বারান্দার মেঝেতে রেখে চিকিৎসা নিচ্ছি। তাতেই আগের তুলনায় একটু ভালো।’শিবপুরের বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী মোমেন খান ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শয্যা না পেয়ে অন্য এক রোগী বাইরে যাওয়ার সুযোগে তাঁর বিছানায় শুয়ে শরীরে স্যালাইন নিচ্ছেন তিনি। অপেক্ষা করছেন, কখন একটি শয্যা খালি হবে।মোমেন খান বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরই বা কী করার আছে? এক শয্যার হাসপাতালে রোগী প্রায় সাড়ে তিন শ।’পরীক্ষার চাপও বেড়েছেরোগীর সংখ্যা বাড়ায় চাপ বেড়েছে হাসপাতালের পরীক্ষাগারেও। হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান শাহ আলম বলেন, আগে ভর্তি রোগী ও বাইরে থেকে আসা রোগীদের মিলিয়ে দৈনিক ৭০ থেকে ৮০টি পরীক্ষা করা হতো। এখন প্রতিদিন দেড় শতাধিক পরীক্ষা করতে হচ্ছে। লোকবল কম থাকায় কাজ সামলাতে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে।হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাজহারুল আলম বলেন, ১০০ জন রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও সীমিত জনবল ও লজিস্টিক সুবিধা দিয়ে তিন গুণের বেশি রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। এতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। তারপরও রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।শয্যা ও জনবল বাড়ানোর দাবিনরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ এন এম মিজানুর রহমান বলেন, হাসপাতালটি ১০০ শয্যার হলেও অধিকাংশ সময় দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। বর্তমানে প্রতিদিনই তিন শতাধিক রোগী ভর্তি থাকছেন। এরপরও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।তিনি ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা হবে। এতে নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়া সহজ হবে এবং রোগীদের বারান্দার মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার দুর্ভোগ কমবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বেলাব বিএনপির আহসান হাবিব বিপ্লব

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বেলাব উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আহসান হাবিব বিপ্লব।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।আহসান হাবিব বিপ্লব বেলাব উপজেলা বিএনপির একজন পরীক্ষিত ও লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি।বেলাব উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আহসান হাবিব বিপ্লব স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে পুরো উপজেলা জুড়েই তার জনপ্রিয়তা রয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা, নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার কারণে আহসান হাবিব বিপ্লব তৃণমূল বিএনপিতে একজন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, নতুন দায়িত্বে আহসান হাবিব বিপ্লব মন্ত্রীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বেলাবসহ বৃহত্তর এলাকার মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বেলাব বিএনপির আহসান হাবিব বিপ্লব

বেলাব বিএনপির রাজনীতিতে সমন্বয়ের বার্তা

নরসিংদীর বেলাব উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় দলীয় রাজনীতিতে নানা ধরনের গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের খবর থাকলেও বেলাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লব ও সদস্যসচিব এম এ কাদের জলিল পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির অন্য নেতা-কর্মীরাও সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বেলাব রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের দিকনির্দেশনায় উপজেলা বিএনপির নেতারা সমন্বয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান।নেতা-কর্মীদের মতে, মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের ভাষ্য, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় থাকলে এলাকার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশও শান্তিপূর্ণ রাখার সুযোগ তৈরি হয়। বেলাব উপজেলা বিএনপির বর্তমান সমন্বয়ধর্মী কার্যক্রমকে তাঁরা সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখছেন।

বেলাব বিএনপির রাজনীতিতে সমন্বয়ের বার্তা

বেলাব ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইপিএস দিল বাদশা সাইফান আলী ফাউন্ডেশন

নরসিংদীর বেলাব ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইপিএস (ইনভার্টার) দিয়েছে বাদশা সাইফান আলী ফাউন্ডেশন। শিক্ষার্থীদের পাঠদানসহ বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।বাদশা সাইফান আলী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী কায়েস আহমেদ সেলিমের পক্ষ থেকে তাঁর পিতা মো. হযরত আলী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের হাতে আইপিএসটি তুলে দেন। এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাজেদুর রাহমান রাহাত, সহ-সভাপতি রাসেল আহমেদ ভুলু, বেলাব উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. আখতারুজ্জামানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মো. হযরত আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের সুন্দর ও স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আইপিএস দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমাদের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।

বেলাব ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আইপিএস দিল বাদশা সাইফান আলী ফাউন্ডেশন

বেলাবতে দ্বিনি ও আধুনিক শিক্ষার মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বেলাব ইউনিয়নের গাংকুল পাড়া গ্রামে দ্বিনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি শিক্ষার সমন্বয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নিয়ে একটি নতুন মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল মাদ্রাসাটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।প্রায় ছয় গন্ডা জমির ওপর মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসাটির পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন মো. হজরত আলী। তাঁর সঙ্গে সহযোগী হিসেবে থাকবেন নাজিম উদ্দিন ও স্বপন।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, মাদ্রাসাটিতে দ্বিনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করাই তাঁদের লক্ষ্য।কায়েস আহমেদ সেলিম আরও বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই মাদ্রাসাটিতে দ্বিনি শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় করা হবে।মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. হজরত আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের পাশাপাশি আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে পরিচালক মো. হজরত আলী, নাজিম উদ্দিন, স্বপন, সাংবাদিক দুলাল সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মাদ্রাসাটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।আয়োজকেরা জানান, শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে মাদ্রাসাটিতে দ্বিনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক শিক্ষার সুযোগ থাকবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। 

বেলাবতে দ্বিনি ও আধুনিক শিক্ষার মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ কে এম আক্তারুজ্জামান

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বেলাব সদর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন গাংকুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এ কে এম আক্তারুজ্জামান। সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন দেশের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।স্থানীয়ভাবে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আক্তারুজ্জামানকে মানুষের পাশে থাকা একজন সমাজসেবক হিসেবে উল্লেখ করছেন তাঁর পরিচিতজনেরা। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে বেলাব সদর ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।গাংকুলপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়েও মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি।এ কে এম আক্তারুজ্জামান মনে করেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মানুষের সমস্যা শোনা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করা সম্ভব। এ কারণে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পেলে বেলাব সদর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে বেলাব সদর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আক্তারুজ্জামানের দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা ও দেশের সেবায় কাজ করার অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তাঁর সমর্থকেরা। এ কে এম আক্তারুজ্জামানের প্রত্যাশা, মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ভবিষ্যতে বেলাব সদর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবেন।

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ কে এম আক্তারুজ্জামান

মহানবীর আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার আহ্বান আবদুল মঈন খানের

নিজ সংসদীয় আসন নরসিংদীর পলাশে সফর করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বুধবার সফরের শুরুতে তিনি তাঁর প্রয়াত বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এবং মা খোরশেদা বেগমের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।পরে পলাশ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় অংশ নেন মন্ত্রী।আলোচনা সভায় আবদুল মঈন খান বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয়। তাঁর শিক্ষা ছিল শান্তি, ন্যায়, মানবিকতা ও সম্প্রীতির শিক্ষা।তিনি বলেন, বিভেদ ও বিদ্বেষ পরিহার করে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। এর মাধ্যমে একটি মানবিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।এ জন্য সবাইকে মহানবীর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।পরে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মহানবীর আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার আহ্বান আবদুল মঈন খানের

নরসিংদী সরকারি কলেজে কৃষক দলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নরসিংদী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে নরসিংদী জেলা কৃষক দল। জেলা কৃষক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।কলেজ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কলেজের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করা হয়।কৃষক দলের নেতাকর্মীরা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়ন বাড়াতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে বেশি করে গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।জেলা কৃষক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নরসিংদী সরকারি কলেজে কৃষক দলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

রায়পুরায় ২২৪ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ তিনজন আটক

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরই মধ্যে অভিযান চালিয়ে ২২৪ কেজি গাঁজা, একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে রায়পুরা থানা-পুলিশ।এ ঘটনায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশের দাবি, রায়পুরা থানা এলাকার একটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ২২৪ কেজি গাঁজা, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, গুলি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন।এ ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রায়পুরা এলাকায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

রায়পুরায় ২২৪ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ তিনজন আটক

ধর্ম, সাহিত্য ও ইতিহাসের স্মৃতিতে গিরিশ চন্দ্র সেন

নরসিংদীর মেহেরপাড়ায় গেলে ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মেলে। পাঁচদোনা গ্রামের ড্রিম হলিডে পার্কের সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ি। বর্তমানে বাড়িটিতে গড়ে তোলা হয়েছে ‘ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন মিউজিয়াম’।দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা বাড়িটি ২০১৬ সালে মূল কাঠামো অক্ষুণ্ন রেখে পুনর্নির্মাণ করা হয়। ভারতীয় কমিশনারের অনুদানে সংস্কারের পর এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।পুরোনো কাঠামোয় নতুন করে সংরক্ষণগিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ি সংস্কারের সময় ঐতিহ্যবাহী নির্মাণসামগ্রী চুন ও সুরকির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করা মূল্যবান কাঠ ও টালি ব্যবহার করা হয়েছে। বাড়ির অন্দরমহল সাজানো হয়েছে ব্রিটিশ আমলের আসবাব দিয়ে।বাড়ির সামনের অংশে স্থাপন করা হয়েছে গিরিশ চন্দ্র সেনের একটি আবক্ষ মূর্তি। সেখানে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবন ও কর্মের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।বাড়িতে গড়ে তোলা জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে গিরিশ চন্দ্র সেনের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র, তাঁর বাস্তুভিটায় পাওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং তাঁর লেখা বই। এসব নিদর্শন দর্শনার্থীদের তাঁর জীবন, গবেষণা ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়।প্রতি সপ্তাহের রোববার ছাড়া অন্য ছয় দিন জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদগিরিশ চন্দ্র সেন ১৮৩৪ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ। ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন গ্রন্থ নিয়ে তিনি গবেষণা ও অনুবাদ করেন।ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হয়েও তিনি পবিত্র কোরআন শরীফ বাংলায় অনুবাদের উদ্যোগ নেন। কোরআন ও ইসলামি ধর্মীয় গ্রন্থ অনুবাদের কারণে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক হিসেবে তাঁকে ‘ভাই’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। পরে আরবি ও ফারসি ভাষায় দক্ষতা অর্জন এবং কোরআন-হাদিসের অনুবাদক হিসেবে তিনি ‘মৌলভি’ উপাধিও লাভ করেন।ইতিহাস জানার একটি স্থানগিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ি ও জাদুঘর শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়; এটি নরসিংদীর ইতিহাস, ভাষা, সাহিত্য ও ধর্মীয় গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। এখানে সংরক্ষিত বই, ব্যবহার্য সামগ্রী ও প্রত্ননিদর্শন অতীতের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের একটি সংযোগ তৈরি করেছে।১৯১০ সালের ১৫ আগস্ট গিরিশ চন্দ্র সেন মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্মভূমিতে গড়ে ওঠা এই জাদুঘর তাঁর জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।লেখক: মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম সাধারণ সম্পাদক: বাংলাদেশ ইতিহাস চর্চা পরিষদ

ধর্ম, সাহিত্য ও ইতিহাসের স্মৃতিতে গিরিশ চন্দ্র সেন

বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মো. এহসান উল্লাহ পিয়াল (৩২) নামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার পিয়াল নিলক্ষীয়া নামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত জহিরুল হক ওরফে উল্লাহর ছেলে। তাঁর মা মোসা. খাদিজা বেগম। পিয়াল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেলাব থানায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ১৬ এবং তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলার ধারায় পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধৃত আসামিকে যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নরসিংদীর দুই নেতা

শিল্প ও কৃষিতে সমৃদ্ধ নরসিংদী। রাজধানীর ঘেঁষা এই জেলায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, বিস্তীর্ণ কৃষি অঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ জনপদ। অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলায় যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে দীর্ঘদিনের নানা প্রত্যাশা রয়েছে মানুষের।এরই মধ্যে নরসিংদীর দুই নেতা সরকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন আগ্রহ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। আর গত ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভার সর্বশেষ রদবদলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন ড. আবদুল মঈন খান।বিএনপি সরকার গঠনের সময়ই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। অন্যদিকে, মন্ত্রিসভার সর্বশেষ রদবদলে ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসনের নেতা। এ আসনের মধ্যে রয়েছে পলাশ উপজেলা। অন্যদিকে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল নরসিংদী-৪ আসনের নেতা, যে আসনটি মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা নিয়ে গঠিত।একই জেলার দুই সংসদীয় এলাকার দুই নেতা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের প্রত্যাশাও বেড়েছে। বিশেষ করে রায়পুরার চরাঞ্চলসহ জেলার প্রত্যন্ত এলাকার সড়ক যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনসেবার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ চান তাঁরা।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে জেলার উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে গতি আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সেবার ঘাটতিও কমবে।স্বাস্থ্য খাত নিয়েও রয়েছে স্থানীয়দের নানা প্রত্যাশা। জেলার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক ও জনবল সংকট দূর করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর দাবি রয়েছে তাঁদের। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।উন্নয়নসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নরসিংদীর দুই নেতা থাকায় জেলার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো থেকে স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান- দীর্ঘদিনের এসব প্রত্যাশা পূরণে এখন দুই মন্ত্রীর কার্যকর ভূমিকার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন জেলাবাসী।  

দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নরসিংদীর দুই নেতা

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই ছাত্রলীগের নেতা গ্রেপ্তার

নরসিংদীর বেলাবোয় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) উপজেলার বিন্নাবাইদ এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বেলাবো উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬) এবং পাটুলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম টুটুল। সাইফুল ইসলাম বিন্নাবাইদ এলাকার মৃত আবদুল মজিদ মিয়ার ছেলে। রফিকুল ইসলাম টুটুল একই এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেলাবো থানায় দায়ের করা ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির ১৬ নম্বর মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)-এর ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় তাঁদের আসামি করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলাবো থানার একটি দল শুক্রবার বিন্নাবাইদ গ্রামে সাইফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম টুটুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বেলাবো থানা পুলিশ।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই ছাত্রলীগের নেতা গ্রেপ্তার

ছেলের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বাবাকে শাসালেন যুবদল নেতা

ইতালিপ্রবাসী এক ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টে বিএনপি ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর বাবাকে শাসানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নরসিংদীর রায়পুরায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।অভিযোগ ওঠা প্রবাসীর নাম মো. মনির হোসেন। তিনি রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ মির্জানগর মধ্যপাড়া এলাকার হারাধন মোল্লার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থানের জন্য ইতালিতে বসবাস করছেন তিনি।স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, সম্প্রতি ইতালি থেকে মনির হোসেন ফেসবুকে বিএনপি ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করেন। পরে ওই পোস্ট বা মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।এরপর আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের যুবদল নেতা পাকির ইসলাম মনির হোসেনের বাড়িতে যান। সেখানে তাঁর বাবা হারাধন মোল্লার সঙ্গে কথা বলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।ভাইরাল ভিডিওতে পাকির ইসলামকে হারাধন মোল্লাকে তাঁর ছেলের ফেসবুকের কথিত অশালীন মন্তব্য সরিয়ে নিতে বলতে শোনা যায়। তা না হলে ছেলের পরিবর্তে বাবাকে বিচারের মুখোমুখি করার কথাও তিনি বলেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।গত ১৪ আগস্ট থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। পরিবারের একজন সদস্যের কথিত কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁর বাবাকে এভাবে শাসানোর ঘটনায় অনেকে প্রশ্ন তোলেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে পাকির ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি হারাধন মোল্লার কাছে গিয়ে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। পরে সেই ভিডিওটিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।তবে মনির হোসেনের কথিত ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা ও এর সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর ভিত্তিতেই ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে।

ছেলের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বাবাকে শাসালেন যুবদল নেতা

নারায়ণপুর ইউনিয়নে জমকালো আয়োজনে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায় মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে উৎসবমুখর পরিবেশে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।মেলা পরিচালনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বেলাবো উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লব।নারায়ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রশিদুল ইসলাম লাল মিয়ার সভাপতিত্বে এবং বেলাবো উপজেলা যুবদলের নেতা মো. মাসুদ মোল্লার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাবো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানউল্লাহ, সল্লাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল হক তানভীর, নারায়ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন শ্যামলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।উদ্বোধনী বক্তব্যে আহসান হাবীব বিপ্লব বলেন, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ও অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনতে এ ধরনের মেলার গুরুত্ব রয়েছে। মেলার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা তাঁদের পণ্য বিপণনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বেলাবোর মানুষের বিনোদনেরও সুযোগ তৈরি হবে।আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, মেলায় দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কুটির শিল্পের পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, পোশাক ও প্রসাধনীর স্টল রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা।শিশুদের জন্য মেলায় রয়েছে সার্কাস, নাগরদোলা, চরকি ও বিভিন্ন ধরনের রাইড। মেলা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রথম দিনেই মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে।আয়োজকেরা জানান, মাসব্যাপী মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেলাবো থানা পুলিশ কাজ করছে।

নারায়ণপুর ইউনিয়নে জমকালো আয়োজনে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

সাপ্তাহিক হাটে ব্যাগ তল্লাশি, ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার গাংকূল পাড়ায় সাপ্তাহিক হাটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলাবো সদর ইউনিয়নের গাংকূল পাড়ায় মাদক নির্মূল কমিটির সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।মাদক নির্মূল কমিটি সূত্রে জানা যায়, সাপ্তাহিক হাট চলাকালে এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ব্যাগ থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেন কমিটির সদস্যরা। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।আটক ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে নিজের নাম জুনাইদ এবং বাবার নাম হারুন মিয়া বলে জানিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন থেকে বেলাবোয় এসেছেন বলে জানান।অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেলাবো মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া। এ সময় কমিটির সদস্য মো. স্বপন মিয়া, মোহাম্মদ সাদেক ও মোহাম্মদ মঞ্জিল উপস্থিত ছিলেন।মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বেলাবো, বিশেষ করে বেলাবো সদর ইউনিয়নকে মাদক ও জুয়ামুক্ত রাখতে তাঁরা কাজ করছেন।কমিটির সদস্য ও শ্রমিক দলের সভাপতি মো. স্বপন মিয়া বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদের বেলাবোকে মাদকমুক্ত করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেলাবো উপজেলায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাপ্তাহিক হাটে ব্যাগ তল্লাশি, ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১