ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

ইসলাম ও জীবন

মির্জাখীল দরবার শরীফে ওরস শুরু আজ, থাকছে নানা ধর্মীয় আয়োজন

মির্জাখীল দরবার শরীফে ওরস শুরু আজ, থাকছে নানা ধর্মীয় আয়োজন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফে হজরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীন সৈয়দ মৌলানা মুহাম্মদ আরেফুল হাই (ক.)-এর প্রথম ওরস শরীফ ও ওফাত দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর, বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এ আয়োজন চলবে।ওরস উপলক্ষে দরবার শরীফে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ, দোয়া মাহফিল এবং তাঁর জীবন, আধ্যাত্মিক সাধনা ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশ-বিদেশ থেকে মুরিদান, ভক্ত ও আশেকানদের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা। সিলসিলাহ-ই-আলীয়াহ জাহাঁগীরিয়াহর অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র ও প্রধান মারকায হিসেবে পরিচিত মির্জাখীল দরবার শরীফ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। দরবারটিতে নিয়মিত মাসিক ও দৈনিক ফাতেহা, খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়া, মিলাদ ও সামা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।দরবার শরীফের আধ্যাত্মিক শিক্ষায় আত্মশুদ্ধি, নৈতিক চরিত্র গঠন, পীর-মুর্শিদের নির্দেশনা অনুসরণ এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকদের আশা, তিন দিনব্যাপী ওরস শরীফের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মানবসেবার চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।

নির্বাচনের আগে টুপি পরে মসজিদে যান, পরে ইসলামবিরোধী আইন করেন: মুফতি আলী হাসান উসামা

ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, নির্বাচনের আগে অনেকেই টুপি পরেন, মসজিদে যান এবং আলেমদের সঙ্গে সময় কাটান। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে গিয়ে ইসলামবিরোধী আইন বাস্তবায়ন করেন। তাঁদের কথা ও কাজের মধ্যে এ ধরনের অসামঞ্জস্য গ্রহণযোগ্য নয়।মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুনামগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেকেই টুপি পরেন, মসজিদে যান, আলেমদের সঙ্গে থাকেন। কিন্তু নির্বাচন শেষে সংসদে গিয়ে ইসলামবিরোধী আইন বাস্তবায়ন করেন। তারা আসলে কথার বরখেলাফ করেন। আপনাদের এই আইন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা মেনে নেবে না।’তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ শুধু ব্যক্তিগত ইবাদত-বন্দেগির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে। তাই সীরাতুন্নবী (সা.) থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা প্রয়োজন।মুফতি আলী হাসান উসামা আরও বলেন, মানুষের কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। শুধু মানুষের কাছে ভালো সাজা বা নির্বাচনের সময় ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানো যথেষ্ট নয়। ক্ষমতা ও দায়িত্ব পাওয়ার পরও ন্যায়নীতি, সততা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকতে হবে।সুনামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুস সাত্তার মু. মামুনের সভাপতিত্বে মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান।মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট মো. শামছউদ্দিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহেরা জামেয়া ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কলাউড়া ফাজিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুছ ছাত্তার এবং বাংলাদেশ মাজলিসুল মোফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার। মাহফিলে জামায়াতে ইসলামী ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের আগে টুপি পরে মসজিদে যান, পরে ইসলামবিরোধী আইন করেন: মুফতি আলী হাসান উসামা

ঢাকায় পীর-মাশায়েখদের সম্মেলন, সুফি অনুসারীদের ঐক্যের আহ্বান

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পীর-মাশায়েখ ও সুফি তরিকার অনুসারীদের একটি বড় সম্মেলন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান, ভারত, ইরানসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন দরবার ও খানকা শরীফের প্রায় ৩ হাজার পীর-মাশায়েখ ও প্রতিনিধি অংশ নেন।পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক ও সমন্বয়ক ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা।সম্মেলন থেকে সুফি তরিকার অনুসারীদের মধ্যে ঐক্য জোরদার, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা ও ভালোবাসা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সুফিবাদ ও ঈদে মিলাদুন্নবীকে ঘিরে বিদ্বেষ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।ইমাম কুদরত এ খোদা বলেন, কোনো একটি দরবার সমস্যায় পড়লে অন্য দরবারের অনুসারীদেরও তার পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, “পীর-মাশায়েখরা আছেন বলেই আজও বাংলার জমিনে রাসুল (সা.)-এর মহব্বত জাগ্রত আছে।”ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নিয়ে বিরোধিতা ও অপপ্রচারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসার জন্য আশেকে রাসুলদের কোনো দলিলের প্রয়োজন নেই। দেওয়ানবাগ শরীফ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “দেওয়ানবাগ শরীফে শরিয়তের বাইরে কোনো কার্যক্রম চলে না।”তিনি আরও বলেন, এ সম্মেলনের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। তরিকাপন্থীরা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা থেকেই একত্রিত হয়েছেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইমাম কুদরত এ খোদা উপমহাদেশের সুফিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্যের একটি ক্ষেত্র তৈরি করছেন।ইরানের আল-মুস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হুজ্জাতুল ইসলাম শাহাবুদ্দিন মাশায়েখী ইরানের সুফিদের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।ভারত থেকে আজমীর শরীফের সৈয়দ সালাউদ্দিন চিশতি, হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া দরগাহের সৈয়দ আনিস নিজামী ও সৈয়দ ফাইজ নিজামী এবং পাকিস্তান থেকে দরগাহে হযরত বাবা গানসকল মাসুদের দিওয়ান আহমেদ মাসুদ, দরগাহে হযরত শাহ জাফর আলির পীর সৈয়দ আমীর হোসেনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের মাইজভান্ডার, সুরেশ্বর, শেরে বাংলা, সাইফিয়া, মোহাম্মদীয়া, হাক্কানি, চিশতিয়া পাক পাঞ্জাতন, পরদেশি, সুফি আস্তানা, দয়াময়, নুরে মদীনা, চিশতিয়া নিজামিয়া, করন নগর, মাওলা ভরসা, ছতুরা, ভুলুয়া হায়দারি ও কুতুবদিয়া পাক দরবার শরীফসহ বিভিন্ন দরবারের পীর-মাশায়েখরাও সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

ঢাকায় পীর-মাশায়েখদের সম্মেলন, সুফি অনুসারীদের ঐক্যের আহ্বান

হালাল রিজিক ও ঋণমুক্তির জন্য যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

জীবনে হালাল ও উত্তম রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা মুমিনের অন্যতম আমল। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর কাছে হালাল রিজিক প্রার্থনা করতেন এবং দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতেন। ঋণমুক্তির জন্যও একটি বিশেষ দোয়া বর্ণিত হয়েছে।দোয়াটি হলো-আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়াগনিনী বিফাদ্বলিকা আম্মান সিওয়াক।অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার হালাল রিজিক দিয়ে আমাকে হারাম থেকে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহে আপনি ছাড়া অন্য সবার অমুখাপেক্ষী করে দিন।আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে নিজের ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার কথা জানান। তখন আলী (রা.) তাকে এই দোয়াটি শিখিয়ে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে দোয়াটি শিখিয়েছিলেন। বর্ণনায় এসেছে, কারও ওপর পাহাড়সম ঋণ থাকলেও এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৬৩)ইসলামে রিজিক বলতে শুধু খাবার-পানীয়কে বোঝানো হয় না। আল্লাহর দেওয়া জীবনের সব ধরনের উপকরণ ও নেয়ামতই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। খাবার, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং জীবনধারণের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধাও এর মধ্যে পড়ে।কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, জমিনে বিচরণকারী যত প্রাণী আছে, সবার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর। (সুরা হুদ: ৬)অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা রিজিক দান করেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাপরাক্রমশালী। (সুরা শুরা: ১৯)তাই হালাল ও উত্তম রিজিকের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিয়মিত দোয়া ও সৎভাবে উপার্জনের চেষ্টা করা উচিত। মহানবী (সা.)-এর শেখানো দোয়াগুলো আমল করার পাশাপাশি হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকাও জরুরি।

হালাল রিজিক ও ঋণমুক্তির জন্য যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।‘হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন। শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। এ দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন ও উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। এ জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান।এ ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের আহ্বায়ক ড. পিয়ার মোহাম্মদ।

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে বাধা দেওয়ার নিন্দা জানিয়ে সরকারকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।‘হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশন। শনিবার রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন সৃষ্টিজগতের জন্য আনন্দের দিন। এ দিনকে কেন্দ্র করে রাসুলপ্রেমীরা যাতে নির্বিঘ্নে আয়োজন ও উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা। বক্তব্যে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।প্রফেসর কুদরত এ খোদা বলেন, ধর্মের শিক্ষা মানুষের জীবনে তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা মানুষের অন্তর, চরিত্র ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।ঈদে মিলাদুন্নবী প্রচলনে সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী হুজুরের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে ১২ রবিউল আউয়ালকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ থেকে মুসলমানরা বঞ্চিত ছিলেন। তবে হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.) ঐতিহাসিক দলিলের মাধ্যমে রাসুল (সা.)-এর ওফাত ১ রবিউল আউয়াল এবং জন্ম ১২ রবিউল আউয়াল বলে প্রমাণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।বাংলাদেশে আগে সিরাতুন্নবি পালনের প্রচলন ছিল উল্লেখ করে কুদরত এ খোদা বলেন, হযরত দেওয়ানবাগী (রহ.)-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন শুরু করেছে। এ জন্য রাসুলপ্রেমীরা তাঁকে আজীবন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতের সাবেক সদস্য বিচারপতি মো. আওলাদ আলী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান।এ ছাড়া বক্তব্য দেন নজরুল গবেষক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. দেওয়ান ফারুকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।সেমিনারে বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ইসলামী চিন্তাবিদসহ বিভিন্ন পেশার আশেকে রাসুলরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও আশেকে রাসুল জেনারেল অফিসিয়ালস অর্গানাইজেশনের (ARGOO) আহ্বায়ক ড. পিয়ার মোহাম্মদ।

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে বাধা না দেওয়ার আহ্বান

আজ নির্ধারিত হবে ঈদে মিলাদুন্নবীর তারিখ

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।সন্ধ্যা ৭টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে এ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা-সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) তারিখ ঘোষণা করা হবে।দেশের কোথাও রবিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা গেলে তা ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে টেলিফোন বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও তথ্য জানানোর কথা বলা হয়েছে।চাঁদ দেখার তথ্য জানাতে যোগাযোগের নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭।

আজ নির্ধারিত হবে ঈদে মিলাদুন্নবীর তারিখ

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ডাকসুর তীব্র দাবির মুখে অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় মসজিদের এসিগুলো চালু রয়েছে এবং কয়েকজন মুসল্লি সেখানে নামাজ আদায় করছেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি