ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, নির্বাচনের আগে অনেকেই টুপি পরেন, মসজিদে যান এবং আলেমদের সঙ্গে সময় কাটান। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে গিয়ে ইসলামবিরোধী আইন বাস্তবায়ন করেন। তাঁদের কথা ও কাজের মধ্যে এ ধরনের অসামঞ্জস্য গ্রহণযোগ্য নয়।
মঙ্গলবার বিকেল
৩টায়
সুনামগঞ্জ জেলা
শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সুনামগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত
সীরাতুন্নবী (সা.)
মাহফিলে প্রধান
আলোচকের বক্তব্যে তিনি
এসব
কথা
বলেন।
মুফতি আলী
হাসান
উসামা
বলেন,
‘নির্বাচনের আগে
অনেকেই
টুপি
পরেন,
মসজিদে
যান,
আলেমদের সঙ্গে
থাকেন।
কিন্তু
নির্বাচন শেষে
সংসদে
গিয়ে
ইসলামবিরোধী আইন
বাস্তবায়ন করেন।
তারা
আসলে
কথার
বরখেলাফ করেন।
আপনাদের এই
আইন
ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা মেনে
নেবে
না।’
তিনি বলেন,
মহানবী
হযরত
মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ শুধু
ব্যক্তিগত ইবাদত-বন্দেগির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল
না।
ব্যক্তি, সমাজ
ও
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তাঁর
জীবনে
গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে।
তাই
সীরাতুন্নবী (সা.)
থেকে
শিক্ষা
নিয়ে
জীবনের
প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী
(সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ
করা
প্রয়োজন।
মুফতি আলী
হাসান
উসামা
আরও
বলেন,
মানুষের কথা
ও
কাজের
মধ্যে
সামঞ্জস্য থাকা
জরুরি।
শুধু
মানুষের কাছে
ভালো
সাজা
বা
নির্বাচনের সময়
ধর্মীয়
আবেগকে
কাজে
লাগানো
যথেষ্ট
নয়।
ক্ষমতা
ও
দায়িত্ব পাওয়ার
পরও
ন্যায়নীতি, সততা
ও
ধর্মীয়
মূল্যবোধের প্রতি
অবিচল
থাকতে
হবে।
সুনামগঞ্জ পৌর
জামায়াতের আমীর
আব্দুস
সাত্তার মু.
মামুনের সভাপতিত্বে মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
সঞ্চালনা করেন
পৌর
জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান।
মাহফিলে প্রধান
অতিথি
হিসেবে
বক্তব্য দেন
সুনামগঞ্জ জেলা
জামায়াতের নায়েবে
আমীর
অ্যাডভোকেট মো.
শামছউদ্দিন।
বিশেষ অতিথি
হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন
আলহেরা
জামেয়া
ইসলামিয়া ফাজিল
ডিগ্রি
মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল
কালাম
আজাদ,
কলাউড়া
ফাজিল
মাদরাসার ভাইস
প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুছ
ছাত্তার এবং
বাংলাদেশ মাজলিসুল মোফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় সহকারী
সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান
দিলাওয়ার।
মাহফিলে জামায়াতে ইসলামী
ও
এর
সহযোগী
সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।