ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
দেশে চাঁদাবাজি ও অশিক্ষিত মানসিকতার বিস্তার: সাদিয়া আয়মান

দেশে চাঁদাবাজি ও অশিক্ষিত মানসিকতার বিস্তার: সাদিয়া আয়মান

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে ‘হৃদয়বিদারক’ ও ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে সাদিয়া আয়মান লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য। তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’স্টুডিওতে হামলার পাশাপাশি দেশে চাঁদাবাজি ও ‘অশিক্ষিত মানসিকতার’ বিস্তার নিয়েও ক্ষোভ জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘এতো অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে, যে ওরা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি আর দেখলেও সেটা হজম করতে পারে না।’পোস্টের শেষাংশে ঘটনাটিকে ‘চরম লজ্জার’ ও ‘ধিক্কারজনক’ বলে মন্তব্য করেন সাদিয়া। একই সঙ্গে তিনি হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেন।মূল পোস্টের পাশাপাশি মন্তব্যের ঘরেও সমালোচকদের জবাব দেন অভিনেত্রী। তাঁর দাবি, যাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল, তাদেরই কেউ কেউ পরে চাঁদাবাজদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করছেন।এ ধরনের মন্তব্যকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন সাদিয়া। তিনি বলেন, নেতিবাচক বা চাঁদাবাজদের পক্ষে করা এসব মন্তব্য ভবিষ্যতে মন্তব্যকারীদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের কাছেও দৃশ্যমান থাকবে। সাদিয়া আয়মানের পোস্ট ও পরবর্তী মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ ও সালমান মুক্তাদিরের ভক্তরা স্টুডিওতে হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করতে হবে। শুধু ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।ভিডিওতে শুধু ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন, কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না। রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন।এ ছাড়া সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক পোস্টও কার্যকর হতে পারে।ফেসবুক থেকে আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম