ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
ফেসবুকের নীতিমালা
অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও,
নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর
কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব
গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত
করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।
অন্যের ভিডিও
বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য,
বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি
যোগ করতে হবে। শুধু
ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক
কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।
ভিডিওতে শুধু
ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন,
কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর
মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না।
রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা
প্রয়োজন।
এ ছাড়া
সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয়
নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ
এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে
অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ
রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক
পোস্টও কার্যকর হতে পারে।
ফেসবুক থেকে
আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট
মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি
কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে।
ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং
যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস
ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও
আয়ের সুযোগ রয়েছে।
সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।