ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
গবেষণা থেকে বাস্তব সমাধানের পথে এআইইউবির উদ্যোগ

গবেষণা থেকে বাস্তব সমাধানের পথে এআইইউবির উদ্যোগ

গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) আয়োজন করেছে গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘গবেষণা থেকে বাস্তবতা’ কীভাবে আমরা বৈদ্যুতিক ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড যানবাহনের সম্ভাব্যতা প্রকল্প তৈরি করেছি। অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন নিয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩লিফ টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ তাজুল ইসলাম রুমেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইর্তিজা আহম্মদ রাইফা। অনুষ্ঠানে এআইইউবির উপাচার্য, অধ্যাপক, শিক্ষক, গবেষক, বিশেষ অতিথি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় এআইইউবির গবেষণা দলের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রচলিত তিন চাকার রিকশার বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক যানবাহন ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড বৈদ্যুতিক যানবাহন নিয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের গবেষণা পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো, স্মার্ট ও নিরাপদ চলাচল এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।অনুষ্ঠানে ৩লিফ টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহ তাজুল ইসলাম রুমেল বলেন- বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে গবেষণা ও সম্ভাব্যতা যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক গবেষণার মাধ্যমে একটি সম্ভাবনাময় ধারণাকে বাস্তব, কার্যকর ও টেকসই প্রকল্পে রূপ দেওয়া সম্ভব।প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এআইইউবির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভবিষ্যতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি ও টেকসই পরিবহন নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানানো হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ তরুণ গবেষকদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব সমাধানে রূপ দিতে পারে। গবেষণা যেন শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্ভাবন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনে কার্যকর প্রভাব ফেলে, এ ধরনের উদ্যোগ সেই পথ তৈরি করতে পারে।অনুষ্ঠানে তরুণদের গবেষণা, মেধা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, উদ্ভাবন থেকে বাস্তবায়ন এবং সেখান থেকে মানুষের জন্য কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি হবে।

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে খুঁজে বের করা উদ্ধারকারীদের জন্য কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের বদলে ছোট ছোট আরশোলা পাঠিয়ে অনুসন্ধান চালানোর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক। শুধু আটকে পড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করাই নয়, প্রয়োজনে তাঁর কাছে জরুরি চিকিৎসা সহায়তাও পৌঁছে দিতে পারবে এসব ‘সাইবর্গ পতঙ্গ’।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স গবেষকদের নেতৃত্বে এই প্রকল্পে কাজ চলছে। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিকেল প্রকৌশলীরাও।গবেষকেরা এসব পতঙ্গকে ‘প্যারাবর্গ’ নামে অভিহিত করছেন। আরশোলার শরীরে যুক্ত করা হয়েছে ক্যামেরা, ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিশেষ ‘অটো-ইনজেকশন’ ব্যবস্থা। লক্ষ্য হলো ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবন, গুহা কিংবা সংকীর্ণ ও বিপজ্জনক জায়গায় মানুষের কাছে পৌঁছে জরুরি সহায়তা দেওয়া।ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত ইনজেকশন ব্যবস্থাগবেষণার অংশ হিসেবে ফার নর্থ কুইন্সল্যান্ডের বিশেষ প্রজাতির গর্ত খোঁড়া আরশোলার শরীরে হালকা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ ও ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইনজেকশন ব্যবস্থা।গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো প্যারাবর্গ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আহত ব্যক্তিকে শনাক্ত করলে তার কাছাকাছি গিয়ে নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করা হবে। তবে চিকিৎসাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মানুষের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স প্রকৌশলী থাং ভো-ডোয়ান বলেন, এত দিন সাইবর্গ পতঙ্গকে মূলত সেন্সর বহন বা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহারের কথা ভাবা হয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য সেই ধারণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে এসব পতঙ্গকে ক্ষুদ্র ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’-এ পরিণত করা।তাঁদের গবেষণার মূল প্রশ্ন হলো—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া কোনো মানুষকে যদি একটি সাইবর্গ পতঙ্গ খুঁজে পায়, তাহলে শুধু অবস্থান শনাক্ত না করে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জরুরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব কি না।ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ সাফল্যপ্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন গবেষকেরা। লক্ষ্যবস্তুর ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় প্যারাবর্গগুলোর সাফল্যের হার ছিল ৯৫ শতাংশ।তবে একই সঙ্গে নেভিগেশন ও ইনজেকশন দেওয়ার কাজ করতে গেলে সাফল্যের হার কমে দাঁড়ায় ৭২ শতাংশে।পিএইচডি গবেষক হাই নান লে বলেন, আরশোলাকে লক্ষ্যবস্তুর কাছে নিয়ে গিয়ে সঠিক অবস্থানে স্থির রাখা প্রকল্পটির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। ইনজেকশন দেওয়ার সময় পতঙ্গটির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।গবেষকদের মতে, মানুষের কাছে এমন বড় আকারের আরশোলা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে ধ্বংসস্তূপ বা গুহার ভেতরে কেউ আটকে থাকলে এই প্রযুক্তি তাঁর কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে পারে।গবেষণা শেষে আরশোলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেসাইবর্গ পতঙ্গ তৈরির জন্য আরশোলার শরীরে ইলেকট্রোড ও মাইক্রোচিপ স্থাপন করা হয়। এ কাজের সময় তাদের অচেতন করা হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।গবেষণা বা উদ্ধার কার্যক্রম শেষে এসব ইলেকট্রনিক যন্ত্র খুলে ফেলা সম্ভব। এরপর আরশোলাগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা ও জীবনযাপন করতে পারে।ভবিষ্যতে কাজ করবে পুরো ‘আরশোলা বাহিনী’গবেষকেরা ভবিষ্যতে এক বা দুটি নয়, বিশেষায়িত সাইবর্গ পতঙ্গের পুরো একটি দল তৈরির পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের ধারণা, প্রতিটি পতঙ্গকে আলাদা দায়িত্ব দেওয়া গেলে তারা সম্মিলিতভাবে একটি উদ্ধারকারী দলের মতো কাজ করতে পারবে।এতে ধ্বংসস্তূপের বড় এলাকায় দ্রুত অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হতে পারে। নিউ সাউথ ওয়েলস ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউয়ের প্রধান টিম হাসিওটিস মনে করেন, উদ্ধারকারীরা যেখানে সহজে পৌঁছাতে পারেন না, সেখানে সাইবর্গ পতঙ্গ দিয়ে আহত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত ও জরুরি সহায়তা দেওয়া গেলে ভবিষ্যতের নগর অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে।গবেষক থাং ভো-ডোয়ানের আশা, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাস্তব জরুরি পরিস্থিতিতে এ ধরনের সাইবর্গ পতঙ্গের উদ্ধারকারী দল ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

ডিএমেই টাকা পাঠানোর সুবিধা আনছে টিকটক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে এবার সরাসরি অর্থ লেনদেনের সুবিধা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে টিকটক। নতুন ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীরা ডাইরেক্ট মেসেজের (ডিএম) মাধ্যমেই একে অন্যকে টাকা পাঠাতে পারবেন।প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ, ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, টিকটকের নিজস্ব পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করেই এই লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। আইফোনের জন্য টিকটক অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণের কোড বিশ্লেষণ করে নতুন ফিচারটির অস্তিত্বের তথ্য পাওয়া গেছে।প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কোনো ব্যবহারকারী টাকা পাঠালে প্রাপক নির্দিষ্ট একটি বোতামে চাপ দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। লেনদেনের সঙ্গে ছোট বার্তা যুক্ত করার সুবিধাও থাকতে পারে।তবে টিকটক জানিয়েছে, সুবিধাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। কবে এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি।বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে টিকটক শপের কেনাকাটায় টিকটকের পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। নতুন ফিচার চালু হলে একই প্ল্যাটফর্মে কেনাকাটার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের মধ্যে সরাসরি অর্থ লেনদেনের সুযোগও তৈরি হবে।আর্থিক সেবায় টিকটকের আগ্রহ অবশ্য এর আগেও দেখা গেছে। চলতি বছরের মার্চে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলে ঋণ ও অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার অনুমতি চেয়েছিল টিকটক।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরেও নিজেদের সেবার পরিধি বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। উন্নত সার্চ, অনলাইন কেনাকাটা, স্থানীয় স্থান খোঁজার ম্যাপ, গেমিং ও হোটেল বুকিংয়ের পর এবার অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রেও প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন সুবিধা চালু হলে ভেনমো ও জেলের মতো ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারে টিকটক। একই পথে এগোচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সও। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ‘এক্স মানি’ সেবা চালু করেছে।তবে টিকটকের অর্থ লেনদেন সুবিধাটি এখনো পরীক্ষামূলক উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এটি শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী চালু হবে কি না কিংবা কোন কোন দেশে প্রথমে পাওয়া যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ডিএমেই টাকা পাঠানোর সুবিধা আনছে টিকটক

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করতে হবে। শুধু ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।ভিডিওতে শুধু ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন, কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না। রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন।এ ছাড়া সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক পোস্টও কার্যকর হতে পারে।ফেসবুক থেকে আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

প্রকৌশলীদের মেধা-উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে হবে: ফকির মাহবুব

দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রকৌশলীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে ২৭তম বিসিএস টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে যোগ দেওয়া সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলীদের সঙ্গে আয়োজিত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমান বিশ্বে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশও দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে দক্ষ মানবসম্পদ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি।সরকারি দায়িত্ব জনগণের সেবা করার সুযোগনতুন যোগ দেওয়া প্রকৌশলীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরি শুধু চাকরি নয়, এটি জনগণের সেবা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, পেশাদারিত্ব, জবাবদিহি ও দেশপ্রেমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়মিতভাবে বাড়ানোর জন্যও প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগসেবা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সাশ্রয়ী, মানসম্মত ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।প্রকৌশলীদের মতবিনিময়সভায় ২৭তম বিসিএস টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে যোগ দেওয়া সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলীরা নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন। তাঁরা টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে নিজেদের প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।এর আগে পরিচিতি সভার শুরুতে মন্ত্রী টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে অবস্থিত সাইবার থ্রেট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (সিটিডিআর) সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং এর কার্যক্রম দেখেন।টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং নবনিযুক্ত সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকৌশলীদের মেধা-উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে হবে: ফকির মাহবুব

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X) কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। বর্তমান ‘ক্রিয়েটর আর্নিংস’ কর্মসূচি বন্ধ করে এর পরিবর্তে ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ নামে নতুন একটি প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা করেছে প্ল্যাটফর্মটি।নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্তমান পদ্ধতিতে আয় করার সুযোগ থাকবে। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন যোগ্য নির্মাতারা।নতুন কর্মসূচিতে অংশ নিতে ব্যবহারকারীর এক্স প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ৫০০ যাচাইকৃত ফলোয়ার এবং গত ৯০ দিনে যাচাইকৃত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অন্তত ৫ লাখ ভিউ পাওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।নতুন আয় ব্যবস্থায় মৌলিক কনটেন্টকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্মাতার নিজের তৈরি ছবি, ভিডিও, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, মন্তব্য, মিম ও গ্রাফিকস এ কর্মসূচির আওতায় থাকবে।অন্যের কনটেন্টে সামান্য পরিবর্তন এনে পুনরায় প্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অন্য অ্যাকাউন্টের পোস্ট কপি করা কিংবা কোনো কনটেন্ট ডাউনলোড করে পুনরায় প্রকাশ করলেও আয় পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।এক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুরোনো আয় ব্যবস্থার কিছু প্রণোদনা সময়ের সঙ্গে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছিল না। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে নির্মাতাদের আরও বেশি নিজস্ব ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য।এক্সের অ্যালেগ্রা জাকিয়া মনে করেন, নির্মাতাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত প্ল্যাটফর্মে নতুন ও মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করা, কেবল বেশি অর্থ উপার্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া নয়।এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলেও কনটেন্ট থেকে আয়ের নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল এক্স। তখন অন্যের কনটেন্ট কপি বা সংগ্রহ করে প্রকাশ করা এবং অতিরিক্ত আকর্ষণনির্ভর কনটেন্টের ওপর নির্ভরশীল অ্যাকাউন্টগুলোর আয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।নতুন ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ কর্মসূচির মাধ্যমে মৌলিক, সৃজনশীল ও নতুন কনটেন্টকে আরও বেশি পুরস্কৃত করতে চায় এক্স। ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে কর্মসূচিটির নিয়মে আরও পরিবর্তন আনা হতে পারে।

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম

টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে বিটিএমএ-বিজিএমইএর সমঝোতা

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।সমঝোতা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একটি ইভেন্ট অর্গানাইজারের সহযোগিতায় বিশ্বমানের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন (বিটমা) আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকায়ন, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রদর্শনীর পরিচালনা ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে নিয়ে ১০ সদস্যের একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দুই সংগঠনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হবে। প্রথম বছর চেয়ারম্যান হবে বিটিএমএ এবং কো-চেয়ারম্যান হবে বিজিএমইএর প্রতিনিধি।বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্বজুড়ে পোশাকশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও গ্রিন টেকনোলজির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে রাখাই তাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, টেক্সটাইল ও পোশাক খাত পরস্পরনির্ভরশীল। এই সমঝোতা শুধু একটি প্রদর্শনী আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের একটি দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।অনুষ্ঠানে উভয় সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতারা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট খাতের নীতিনির্ধারকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে বিটিএমএ-বিজিএমইএর সমঝোতা