ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ, বললেন মেহজাবীন

এআই দিয়ে ভুয়া কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ, বললেন মেহজাবীন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি।আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন এই অভিনেত্রী।পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ। একই কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজারো মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। এ পরিস্থিতিতে সমাজ হিসেবে আমরা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করার জন্য তাঁকে নিজের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন—এমন প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন। তিনি লেখেন, এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদে ‘এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত’—এ কথা বলতেও তাঁর আর ইচ্ছা করে না। কারণ, একজন মানুষকে সম্মান করার জন্য তাঁর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার প্রয়োজন কেন?অপমান করে আয়, প্রশ্ন মেহজাবীনেরসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ, লাইক, শেয়ার ও ট্রেন্ডিংয়ের মাধ্যমে আয় করার প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মেহজাবীন।তিনি লেখেন, কিছু ভিউ, লাইক ও শেয়ার পাওয়া, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা কিংবা সেখান থেকে কয়েক ডলার আয়—এসবের জন্য অন্য একজন মানুষের অপমান ও অসম্মানকে কীভাবে উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নেওয়া হচ্ছে, সেটি ভাবার বিষয়।মেহজাবীন বলেন, মানুষের জীবনে নানা ধরনের সংগ্রাম রয়েছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। তিনি সেই বাস্তবতা অস্বীকার করেন না। তবে প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান ও অসম্মান মানুষের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?শিকার হতে পারেন যে কেউএ ধরনের ঘটনা শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন মেহজাবীন। তাঁর মতে, ভিউ, এনগেজমেন্ট ও ট্রেন্ডিংয়ের প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখা ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে যে কেউ যুক্ত হতে পারেন, আবার এর শিকারও হতে পারেন যে কেউ।মেহজাবীন লেখেন, তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই ব্যক্তি নন, যিনি এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করছেন; বরং সেই অসংখ্য মানুষও, যাঁরা স্বেচ্ছায় সেগুলো শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিয়ে একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেওয়া হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

অরিজিৎ সিংয়ের ‘গেরুয়া’ নিয়ে চার লাইনের ছড়া, রাজনৈতিক জল্পনা

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চার লাইনের একটি ছড়া পোস্ট করেন তিনি। ছড়াটিতে ‘গেরুয়া’ শব্দের বারবার ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক ও বিনোদন অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।অরিজিতের গোপন এক্স-হ্যান্ডেল থেকে দেওয়া পোস্টে লেখা হয়, ‘হে গেরুয়া বসনধারী! আপনার কথা না শুনে কি পারি? গেরুয়ার ভয়ে করি গেরুয়ার জয়গান, গেরুয়াময় হয়েছে আমার প্রাণ।’পোস্টটি সামনে আসার পর অনেকেই এর মধ্যে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত খুঁজছেন। তবে এ বিষয়ে গায়ক নিজে বিস্তারিত কিছু জানাননি।রাজনৈতিক ইঙ্গিত, নাকি নিছক কবিতা?সাধারণ জীবনযাপন ও নিজস্ব গায়কীর জন্য পরিচিত অরিজিৎ সিং নিজের মতো করে জীবনযাপন এবং মত প্রকাশের জন্যও আলোচিত। পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনে তাঁর ছড়ায় ‘গেরুয়া’ শব্দটির বারবার ব্যবহার নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।কেউ কেউ মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিজেপির উত্থান নিয়ে আত্মব্যঙ্গ বা তির্যক মন্তব্য করেছেন অরিজিৎ। আবার অন্যদের ধারণা, কোনো রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজস্ব কাব্যিক ভঙ্গিতেই মনের ভাব প্রকাশ করেছেন তিনি।তবে পোস্টটির প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।আগেও আন্দোলনের বিষয়ে সরব হয়েছেনএর আগে আরজি করের ঘটনা ঘিরে আন্দোলনের সময় অরিজিৎ সিংয়ের ‘আর কবে’ গান নাগরিক আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। পরে নিট আন্দোলন নিয়েও নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচনা করেছিলেন তিনি।এসব ঘটনার কারণে অরিজিতের নতুন পোস্টটিকেও অনেকে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।এদিকে পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। তবে ‘গেরুয়া’ নিয়ে লেখা এই চার লাইনের ছড়া রাজনৈতিক কটাক্ষ, নাকি কেবল কাব্যিক অভিব্যক্তি—সে বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি সংগীতশিল্পী।সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

অরিজিৎ সিংয়ের ‘গেরুয়া’ নিয়ে চার লাইনের ছড়া, রাজনৈতিক জল্পনা

বেনামি ফটোকার্ডে অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেনামি গণমাধ্যমের ফটোকার্ড ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেন কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি না ঘটে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব বিষয় নজরে রেখেই সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বেনামি ফটোকার্ডে অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডমিন প্রধানের ফেনসিডিল সেবনের ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর ব্রাইট মাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমি নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক (এডমিন) প্রধানের ফেনসিডিল সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি ফেনসিডিলের বোতলসদৃশ একটি বস্তু হাতে নিয়ে তা পান করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে ওই ব্যক্তিকে ব্রাইট মাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমির এডমিন প্রধান মোহাম্মাদ মিফতাহুল ফেরদাউস বলে দাবি করা হয়েছে।তবে ভিডিওটির সত্যতা, ধারণের সময় ও স্থান এবং ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মাদ মিফতাহুল ফেরদাউসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক সেবনের মতো অভিযোগ উঠলে বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডমিন প্রধানের ফেনসিডিল সেবনের ভিডিও ভাইরাল

শিশুদের ক্ষতির অভিযোগ, কয়েক বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে মেটা

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের করা অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়েছিল, মেটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের ক্ষতির কারণ হয়েছে। এসব অভিযোগের নিষ্পত্তিতে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে মেটাকে কিশোর ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন কিছু নিয়ম চালু করতে হবে।চুক্তির আওতায় কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় সীমিত করার পাশাপাশি রাতে তাদের অ্যাকাউন্ট ব্লক করার মতো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা রয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য শিশু ও কিশোরদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে মেটার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছিল। এসব অভিযোগের মধ্যে প্ল্যাটফর্মের নকশা ও ব্যবহারের ধরন শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।তবে চুক্তিটি কার্যকর করতে আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।সূত্র: বিবিসি বাংলা

শিশুদের ক্ষতির অভিযোগ, কয়েক বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে মেটা

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করতে হবে। শুধু ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।ভিডিওতে শুধু ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন, কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না। রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন।এ ছাড়া সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক পোস্টও কার্যকর হতে পারে।ফেসবুক থেকে আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X) কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। বর্তমান ‘ক্রিয়েটর আর্নিংস’ কর্মসূচি বন্ধ করে এর পরিবর্তে ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ নামে নতুন একটি প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা করেছে প্ল্যাটফর্মটি।নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্তমান পদ্ধতিতে আয় করার সুযোগ থাকবে। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন যোগ্য নির্মাতারা।নতুন কর্মসূচিতে অংশ নিতে ব্যবহারকারীর এক্স প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ৫০০ যাচাইকৃত ফলোয়ার এবং গত ৯০ দিনে যাচাইকৃত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অন্তত ৫ লাখ ভিউ পাওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।নতুন আয় ব্যবস্থায় মৌলিক কনটেন্টকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্মাতার নিজের তৈরি ছবি, ভিডিও, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, মন্তব্য, মিম ও গ্রাফিকস এ কর্মসূচির আওতায় থাকবে।অন্যের কনটেন্টে সামান্য পরিবর্তন এনে পুনরায় প্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অন্য অ্যাকাউন্টের পোস্ট কপি করা কিংবা কোনো কনটেন্ট ডাউনলোড করে পুনরায় প্রকাশ করলেও আয় পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।এক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুরোনো আয় ব্যবস্থার কিছু প্রণোদনা সময়ের সঙ্গে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছিল না। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে নির্মাতাদের আরও বেশি নিজস্ব ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য।এক্সের অ্যালেগ্রা জাকিয়া মনে করেন, নির্মাতাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত প্ল্যাটফর্মে নতুন ও মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করা, কেবল বেশি অর্থ উপার্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া নয়।এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলেও কনটেন্ট থেকে আয়ের নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল এক্স। তখন অন্যের কনটেন্ট কপি বা সংগ্রহ করে প্রকাশ করা এবং অতিরিক্ত আকর্ষণনির্ভর কনটেন্টের ওপর নির্ভরশীল অ্যাকাউন্টগুলোর আয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।নতুন ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ কর্মসূচির মাধ্যমে মৌলিক, সৃজনশীল ও নতুন কনটেন্টকে আরও বেশি পুরস্কৃত করতে চায় এক্স। ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে কর্মসূচিটির নিয়মে আরও পরিবর্তন আনা হতে পারে।

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম