ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে খুঁজে বের করা উদ্ধারকারীদের জন্য কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের বদলে ছোট ছোট আরশোলা পাঠিয়ে অনুসন্ধান চালানোর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক। শুধু আটকে পড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করাই নয়, প্রয়োজনে তাঁর কাছে জরুরি চিকিৎসা সহায়তাও পৌঁছে দিতে পারবে এসব ‘সাইবর্গ পতঙ্গ’।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স গবেষকদের নেতৃত্বে এই প্রকল্পে কাজ চলছে। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিকেল প্রকৌশলীরাও।গবেষকেরা এসব পতঙ্গকে ‘প্যারাবর্গ’ নামে অভিহিত করছেন। আরশোলার শরীরে যুক্ত করা হয়েছে ক্যামেরা, ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিশেষ ‘অটো-ইনজেকশন’ ব্যবস্থা। লক্ষ্য হলো ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবন, গুহা কিংবা সংকীর্ণ ও বিপজ্জনক জায়গায় মানুষের কাছে পৌঁছে জরুরি সহায়তা দেওয়া।ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত ইনজেকশন ব্যবস্থাগবেষণার অংশ হিসেবে ফার নর্থ কুইন্সল্যান্ডের বিশেষ প্রজাতির গর্ত খোঁড়া আরশোলার শরীরে হালকা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ ও ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইনজেকশন ব্যবস্থা।গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো প্যারাবর্গ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আহত ব্যক্তিকে শনাক্ত করলে তার কাছাকাছি গিয়ে নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করা হবে। তবে চিকিৎসাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মানুষের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স প্রকৌশলী থাং ভো-ডোয়ান বলেন, এত দিন সাইবর্গ পতঙ্গকে মূলত সেন্সর বহন বা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহারের কথা ভাবা হয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য সেই ধারণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে এসব পতঙ্গকে ক্ষুদ্র ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’-এ পরিণত করা।তাঁদের গবেষণার মূল প্রশ্ন হলো—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া কোনো মানুষকে যদি একটি সাইবর্গ পতঙ্গ খুঁজে পায়, তাহলে শুধু অবস্থান শনাক্ত না করে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জরুরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব কি না।ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ সাফল্যপ্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন গবেষকেরা। লক্ষ্যবস্তুর ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় প্যারাবর্গগুলোর সাফল্যের হার ছিল ৯৫ শতাংশ।তবে একই সঙ্গে নেভিগেশন ও ইনজেকশন দেওয়ার কাজ করতে গেলে সাফল্যের হার কমে দাঁড়ায় ৭২ শতাংশে।পিএইচডি গবেষক হাই নান লে বলেন, আরশোলাকে লক্ষ্যবস্তুর কাছে নিয়ে গিয়ে সঠিক অবস্থানে স্থির রাখা প্রকল্পটির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। ইনজেকশন দেওয়ার সময় পতঙ্গটির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।গবেষকদের মতে, মানুষের কাছে এমন বড় আকারের আরশোলা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে ধ্বংসস্তূপ বা গুহার ভেতরে কেউ আটকে থাকলে এই প্রযুক্তি তাঁর কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে পারে।গবেষণা শেষে আরশোলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেসাইবর্গ পতঙ্গ তৈরির জন্য আরশোলার শরীরে ইলেকট্রোড ও মাইক্রোচিপ স্থাপন করা হয়। এ কাজের সময় তাদের অচেতন করা হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।গবেষণা বা উদ্ধার কার্যক্রম শেষে এসব ইলেকট্রনিক যন্ত্র খুলে ফেলা সম্ভব। এরপর আরশোলাগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা ও জীবনযাপন করতে পারে।ভবিষ্যতে কাজ করবে পুরো ‘আরশোলা বাহিনী’গবেষকেরা ভবিষ্যতে এক বা দুটি নয়, বিশেষায়িত সাইবর্গ পতঙ্গের পুরো একটি দল তৈরির পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের ধারণা, প্রতিটি পতঙ্গকে আলাদা দায়িত্ব দেওয়া গেলে তারা সম্মিলিতভাবে একটি উদ্ধারকারী দলের মতো কাজ করতে পারবে।এতে ধ্বংসস্তূপের বড় এলাকায় দ্রুত অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হতে পারে। নিউ সাউথ ওয়েলস ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউয়ের প্রধান টিম হাসিওটিস মনে করেন, উদ্ধারকারীরা যেখানে সহজে পৌঁছাতে পারেন না, সেখানে সাইবর্গ পতঙ্গ দিয়ে আহত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত ও জরুরি সহায়তা দেওয়া গেলে ভবিষ্যতের নগর অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে।গবেষক থাং ভো-ডোয়ানের আশা, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাস্তব জরুরি পরিস্থিতিতে এ ধরনের সাইবর্গ পতঙ্গের উদ্ধারকারী দল ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জাকারবার্গ এবার কঠোর ও আক্রমণাত্মক, আসছে ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’

ফেসবুকের উত্থানের গল্প নিয়ে নির্মিত আলোচিত সিনেমা ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’-এর প্রায় ১৬ বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা অ্যারন সরকিন। এবার তাঁর নতুন সিনেমার নাম ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’। তবে ফেসবুকের সাফল্যের গল্প নয়, নতুন সিনেমায় গুরুত্ব পাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি ও এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সংকট, বিতর্ক ও অভিযোগ।সম্প্রতি প্রকাশিত সিনেমাটির ট্রেলারে গল্পের একটি ধারণা পাওয়া গেছে। এতে মার্ক জাকারবার্গের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেরেমি স্ট্রং। আর ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর সাংবাদিক জেফ হরউইৎজের চরিত্রে দেখা গেছে জেরেমি অ্যালেন হোয়াইটকে।সিনেমার গল্পে আধুনিক জীবনে ফেসবুকের প্রভাব এবং এর নেতিবাচক দিক নিয়ে অনুসন্ধানে নামেন হরউইৎজ। ফেসবুকের কার্যক্রম ও এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে তাঁর অনুসন্ধানই গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।ফেসবুকের অন্দরমহলের নথিসিনেমার আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ফ্রান্সেস হাউগেন। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাইকি ম্যাডিসন। ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথি এবং প্রতিষ্ঠানটির বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গল্পের একটি বড় অংশ এগিয়েছে।ট্রেলারে হরউইৎজকে ফেসবুকের প্রভাব নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করতে দেখা যায়। অন্যদিকে হাউগেনের মাধ্যমে সামনে আসে এমন কিছু অভ্যন্তরীণ নথি, যা প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।নতুন সিনেমায় জেরেমি স্ট্রংয়ের অভিনয়ে জাকারবার্গকে আগের সিনেমার তুলনায় আরও কঠোর, রুক্ষ ও আক্রমণাত্মক চরিত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।কেন এত বছর পর সিক্যুয়েল?‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ মুক্তির এত বছর পর কেন এর পরবর্তী গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করা হলো, সে বিষয়েও কথা বলেছেন অ্যারন সরকিন।সরকিনের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপযুক্ত গল্প খুঁজে পাননি। ব্রেক্সিট, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কিংবা ফেসবুককে ঘিরে নতুন কোনো বিতর্ক সামনে এলেই তাঁকে সিনেমার গল্প লেখার পরামর্শ দেওয়া হতো। কিন্তু এসব ঘটনার মধ্যে দীর্ঘদিন সিনেমার জন্য উপযুক্ত গল্প খুঁজে পাননি তিনি।তাঁর মতে, একটি সিনেমা শুধু চিন্তাশীল, প্রাসঙ্গিক কিংবা গুরুত্বপূর্ণ হলেই হয় না। দর্শককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার মতো শক্তিশালী গল্পও প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত সেই ধরনের একটি গল্প খুঁজে পাওয়ার পরই তিনি ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’ নির্মাণের কাজে এগিয়ে যান।মুক্তি ৯ অক্টোবর২০১০ সালের ১ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছিল ফেসবুকের উত্থান নিয়ে অ্যারন সরকিনের চিত্রনাট্যে নির্মিত ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’। সিনেমাটি ফেসবুক প্রতিষ্ঠার পেছনের গল্প এবং মার্ক জাকারবার্গের উত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছিল।প্রায় ১৬ বছর পর এবার সেই গল্পের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে আসছে ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’। নতুন সিনেমায় ফেসবুকের সাফল্যের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ, বিতর্ক ও জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে আসবে।সিনেমাটি আগামী ৯ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

জাকারবার্গ এবার কঠোর ও আক্রমণাত্মক, আসছে ‘দ্য সোশ্যাল রেকনিং’

ডিএমেই টাকা পাঠানোর সুবিধা আনছে টিকটক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গণ্ডি পেরিয়ে এবার সরাসরি অর্থ লেনদেনের সুবিধা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে টিকটক। নতুন ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীরা ডাইরেক্ট মেসেজের (ডিএম) মাধ্যমেই একে অন্যকে টাকা পাঠাতে পারবেন।প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ, ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, টিকটকের নিজস্ব পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করেই এই লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। আইফোনের জন্য টিকটক অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণের কোড বিশ্লেষণ করে নতুন ফিচারটির অস্তিত্বের তথ্য পাওয়া গেছে।প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কোনো ব্যবহারকারী টাকা পাঠালে প্রাপক নির্দিষ্ট একটি বোতামে চাপ দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। লেনদেনের সঙ্গে ছোট বার্তা যুক্ত করার সুবিধাও থাকতে পারে।তবে টিকটক জানিয়েছে, সুবিধাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। কবে এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি।বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে টিকটক শপের কেনাকাটায় টিকটকের পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। নতুন ফিচার চালু হলে একই প্ল্যাটফর্মে কেনাকাটার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের মধ্যে সরাসরি অর্থ লেনদেনের সুযোগও তৈরি হবে।আর্থিক সেবায় টিকটকের আগ্রহ অবশ্য এর আগেও দেখা গেছে। চলতি বছরের মার্চে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলে ঋণ ও অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার অনুমতি চেয়েছিল টিকটক।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরেও নিজেদের সেবার পরিধি বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। উন্নত সার্চ, অনলাইন কেনাকাটা, স্থানীয় স্থান খোঁজার ম্যাপ, গেমিং ও হোটেল বুকিংয়ের পর এবার অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রেও প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন সুবিধা চালু হলে ভেনমো ও জেলের মতো ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারে টিকটক। একই পথে এগোচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সও। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ‘এক্স মানি’ সেবা চালু করেছে।তবে টিকটকের অর্থ লেনদেন সুবিধাটি এখনো পরীক্ষামূলক উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এটি শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী চালু হবে কি না কিংবা কোন কোন দেশে প্রথমে পাওয়া যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ডিএমেই টাকা পাঠানোর সুবিধা আনছে টিকটক

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করতে হবে। শুধু ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।ভিডিওতে শুধু ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন, কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না। রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন।এ ছাড়া সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক পোস্টও কার্যকর হতে পারে।ফেসবুক থেকে আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে বাংলাদেশে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও কাজের গতি বাড়াতে এর ব্যবহার হচ্ছে। তবে একই সঙ্গে এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও ও কণ্ঠ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ায় মিস-ইনফরমেশন ও ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রযুক্তিবিদদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এআইয়ের অপব্যবহার সাইবার অপরাধ আরও জটিল করে তুলতে পারে।প্রযুক্তিবিদদের মতে, এআই ব্যবহার করে এমন ছবি ও ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে, যা দেখে সাধারণ মানুষের পক্ষে সহজে বোঝা সম্ভব নয় যে সেগুলো ভুয়া। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, ডেটা নিরাপত্তা এবং এআই মডেলের পক্ষপাত নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ তানভীর হাসান জোহা বলেন, আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভুয়া তথ্য ও ডিপফেক। এগুলো মোকাবিলায় মানুষের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন।এখনো হয়নি এআই নীতিমালাদেশে এআইয়ের ব্যবহার বাড়লেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নীতিমালা প্রণয়ন হয়নি। সরকার জানিয়েছে, এআই নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে এবং এ ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।গত ৭ জুলাই আইসিটি টাওয়ারে টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের কাছে এআই নীতিমালা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সরকার এ বিষয়ে কাজ করছে এবং শিগগির নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এআই যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে, তেমনি এর অপব্যবহারও নানা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভুয়া তথ্য, ডিপফেক ও জনমত প্রভাবিত করার কাজে এআই ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার সক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাড়ছে ভুয়া ভিডিওসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব কনটেন্ট এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যে অনেকেই সেগুলোকে বাস্তব ঘটনা মনে করছেন। বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ও তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হলেও প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক মানুষ তা করতে পারছেন না।সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শেখ হাসিনাকে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন করতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি ভুয়া বলে জানা যায়।তথ্য যাচাইকারী সংস্থা ডিসমিসল্যাবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুলাই মাসে বাংলাদেশে ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে এআই দিয়ে তৈরি প্রায় এক হাজার ভুয়া ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। এসব ভিডিও জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।রাজনৈতিক কনটেন্টেও অপব্যবহারের অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক বিরোধের ক্ষেত্রেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নামে পরিচালিত ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।এআইয়ের অপব্যবহার শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বজুড়েই আলোচনার বিষয়। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক বট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নির্বাচনী জনমত প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছিল। এ নিয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক দ্বিদলীয় নীতি কেন্দ্র ‘Preparing for Artificial Intelligence and Other Challenges to Election Administration’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।দক্ষতা বাড়ানোর তাগিদপ্রযুক্তিবিদদের মতে, এআইয়ের কারণে ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে অনেক কাজের ধরন বদলে যেতে পারে। ফলে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে এআই ব্যবহারে নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা, কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও ডিজিটাল সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এআই নীতিমালা তৈরির জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি ইউনেস্কোর পরামর্শ নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।

এআইয়ের অপব্যবহার ঠেকাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X) কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। বর্তমান ‘ক্রিয়েটর আর্নিংস’ কর্মসূচি বন্ধ করে এর পরিবর্তে ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ নামে নতুন একটি প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা করেছে প্ল্যাটফর্মটি।নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্তমান পদ্ধতিতে আয় করার সুযোগ থাকবে। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন যোগ্য নির্মাতারা।নতুন কর্মসূচিতে অংশ নিতে ব্যবহারকারীর এক্স প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ৫০০ যাচাইকৃত ফলোয়ার এবং গত ৯০ দিনে যাচাইকৃত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অন্তত ৫ লাখ ভিউ পাওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।নতুন আয় ব্যবস্থায় মৌলিক কনটেন্টকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। নির্মাতার নিজের তৈরি ছবি, ভিডিও, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, মন্তব্য, মিম ও গ্রাফিকস এ কর্মসূচির আওতায় থাকবে।অন্যের কনটেন্টে সামান্য পরিবর্তন এনে পুনরায় প্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অন্য অ্যাকাউন্টের পোস্ট কপি করা কিংবা কোনো কনটেন্ট ডাউনলোড করে পুনরায় প্রকাশ করলেও আয় পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।এক্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুরোনো আয় ব্যবস্থার কিছু প্রণোদনা সময়ের সঙ্গে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হচ্ছিল না। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে নির্মাতাদের আরও বেশি নিজস্ব ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করাই লক্ষ্য।এক্সের অ্যালেগ্রা জাকিয়া মনে করেন, নির্মাতাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত প্ল্যাটফর্মে নতুন ও মূল্যবান কনটেন্ট তৈরি করা, কেবল বেশি অর্থ উপার্জনের দিকে মনোযোগ দেওয়া নয়।এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলেও কনটেন্ট থেকে আয়ের নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল এক্স। তখন অন্যের কনটেন্ট কপি বা সংগ্রহ করে প্রকাশ করা এবং অতিরিক্ত আকর্ষণনির্ভর কনটেন্টের ওপর নির্ভরশীল অ্যাকাউন্টগুলোর আয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।নতুন ‘অরিজিনাল কনটেন্ট রিওয়ার্ডস’ কর্মসূচির মাধ্যমে মৌলিক, সৃজনশীল ও নতুন কনটেন্টকে আরও বেশি পুরস্কৃত করতে চায় এক্স। ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে কর্মসূচিটির নিয়মে আরও পরিবর্তন আনা হতে পারে।

X–এ কনটেন্ট নির্মাতাদের আয় ব্যবস্থা, আসছে নতুন প্রোগ্রাম

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

র্তমান ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে 'জিমেইল' একটি অত্যন্ত পরিচিত নাম। একসময় যেকোনও ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আলাদা করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হত, আর এখন অনেক ক্ষেত্রেই ‘লগ ইন উইথ জিমেইল’ অপশনেই সেরে ফেলা যায় কাজ। কিন্তু জিমেইল ব্যবহারের এই সহজতাই কখনো কখনো নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।জিমেইল এবং হ্যাকিংকোনো ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে জিমেইল দিয়ে লগ ইন করার অর্থ, সেখানে আপনার জিমেল আইডিটি সিঙ্কড হয়ে থাকছে। একের পর এক লগ ইনের পরে অনেক সময়েই মনে থাকে না কোথায় কোথায় ব্যক্তিগত ইমেল আইডিটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ইমেল আইডির নিরাপত্তা বলয় কমে যায়। দীর্ঘদিন কোনো ওয়েবসাইটে ইমেল আইডি অব্যবহৃত থাকলে, তখন হ্যাকারেরা সেই আইডিকে নিশানা করে। ফলে আপনার মূল্যবান জিমেইল আইডিটিও হ্যাক্ড হতে পারে। তার ফলে ওই ইমেলের যাবতীয় তথ্য হ্যাকারেরা হাতিয়ে নিতে পারে।পাশাপাশি থার্ড পার্টি বা পরিচিত নয় এ রকম কোনো ওয়েবসাইটে ইমেলের মাধ্যমে লগ ইন করার অর্থ সেই আইডি তাদের সার্ভারেও জমা থাকছে, যা ইমেল আইডিকে বিপদের সম্মুখীন করতে পারে।অনেক সময়েই প্রয়োজনে সাইবার ক্যাফে বা অন্য কারো মোবাইল বা ল্যাপটপে জিমেল ব্যবহার করতে হতে পারে। ধরা যাক, তার পর কেউ লগ আউট করতে ভুলে গেলেন। তা হলে কিন্তু অন্য কোনো ব্যক্তি চাইলে অ্যাকাউন্টটিকে ব্যবহার করতে পারেন!এখন অনেকেই ঘন ঘন মোবাইল ফোন পরিবর্তন করেন। বাড়িতে একাধিক গ্যাজেটের মধ্যেও জিমেইল আইডি লগড ইন থাকে। পুরনো অব্যবহৃত ফোন বা কোনো টিভি বা ল্যাপটপেও কিন্তু ইমেল আইডি সিঙ্কড হয়ে থাকে। তাই আপনার জিমেইল কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।গুগলের সুরক্ষাকবচজিমেল কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে তা জানার জন্য গুগল নিজেই আইডিটি ট্র্যাক করে। আপনার ইমেল যাতে সুরক্ষিত থাকে তার জন্য গুগল ট্র্যাকিংয়ের পাশাপাশি ওই আইডিটি কোন কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হচ্ছে বা কবে কখন লগ ইন করা হয়েছে, সেটিও নজরে রাখে গুগল।

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে স্টারলিংকের সেবা কার্যক্রম শুরুর পর এটি নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে মানুষ। চলুন জেনে নেই স্টারলিংকের পরিষেবা নিয়ে খুঁটিনাটি। অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ দিয়ে শুরু করছে-স্টার্লিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। স্টারলিংক রেসিডেন্সের মাসিক খরচ ৬ হাজার টাকা, রেসিডেন্স লাইটের খরচ ৪ হাজার ২০০ টাকা। সেটাপ যন্ত্রপাতির জন্য ৪৭ হাজার টাকা এককালীন খরচ হবে। এখানে কোনো স্পীড ও ডাটা লিমিট নেই। ব্যক্তি ৩০০ এম্বিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার করতে পারবেন।ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ কীভাবে পাবেনস্টারলিংক ইন্টারনেটের পুরো প্রক্রিয়ায় তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাউন্ড স্টেশন, স্যাটেলাইট ও রিসিভার অ্যান্টেনা। স্টারলিংক সংযোগের জন্য স্ট্যান্ডার্ড কিটে থাকে একটি স্যাটেলাইট ডিশ, ওয়াইফাই রাউটার, মাউন্টিং ট্রাইপড ও ক্যাবল। এটি সেটআপ করা অত্যন্ত সহজ। প্রয়োজনীয় সংযোগ দিয়ে স্যাটেলাইট ডিশটির ফাঁকা জায়গায় আকাশের দিকে মুখে করে স্থাপন করতে হবে।তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কীভাবে স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন। বাংলাদেশে এখনো স্টারলিংকের গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়নি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক পেতে হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘রেসিডেনশিয়াল’ ও ‘রোম’ নামের দুটি অপশন পাবেন।রেসিডেনশিয়ালে ‘অর্ডার নাউ’ অপশনে গিয়ে নিজের স্থান নির্বাচন করতে হবে। তবে সরকার ‘রোম’, অর্থাৎ ভ্রাম্যমাণ সেবার অনুমোদন এখনো দেয়নি। এখানে প্রথমে আপনার ঠিকানা দিয়ে সেখানে এই সেবা পৌঁছাবে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।এরপর চেকআউট অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরে ‘প্লেস অর্ডার’ ক্লিক করতে হবে। তারপর একটি সার্ভিস প্ল্যান বেছে নিয়ে হার্ডওয়্যার কিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে পুরো সেট গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে।স্টারলিংকে ৩০ দিনের একটি ট্রায়াল অপশনও রয়েছে। পরবর্তিতে গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে পুরো টাকা রিফান্ড নিতে পারবেন। তবে বাংলাদেশে এই সুযোগ এখনই আসছে কি না তা জানতে আর একটু সময় লাগতে 

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

মহাকাশের সুপারকম্পিউটার, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করল চীন

চীনের এডিএ স্পেস, ঝিজিয়াং ল্যাবরেটরি এবং নিঝিয়াং হাই-টেক জোন এ স্যাটেলাইটগুলো নির্মাণ করেছে। প্রতিটি স্যাটেলাইটে রয়েছে ৮ বিলিয়ন প্যারামিটারের এআই মডেল এবং ৭৪৪ TOP/s গতিতে ডেটা বিশ্লেষণের ক্ষমতা। বর্তমানে উৎক্ষেপণকৃত স্যাটেলাইটগুলো একসঙ্গে POP/s গতিতে কাজ করতে পারছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এসব স্যাটেলাইট নিজেদের মধ্যেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, ফলে পৃথিবীতে তথ্য পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে।স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে উন্নত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি যেমন এক্স-রে পোলারাইজেশন ডিটেক্টর, যা গামা রশ্মির বিস্ফোরণের মতো তীব্র কসমিক ঘটনা শনাক্ত করতে পারে। এগুলো ১০০ গিগাবিট/সেকেন্ড গতিতে লেজার লিংকের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ টেরাবাইট ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এসব স্যাটেলাইট থ্রিডি ডিজিটাল টুইন ডেটা তৈরিতেও সক্ষম, যা ব্যবহার করা যাবে জরুরি সেবা, গেমিং, স্মার্ট ট্যুরিজমসহ নানা ক্ষেত্রে।সাধারণত কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের মাত্র ১০ শতাংশ ডেটা পৃথিবীতে পৌঁছায়। কারণ ব্যান্ডউইথ সীমিত এবং স্থলভিত্তিক স্টেশনও পর্যাপ্ত নয়। তবে মহাকাশে নিজস্ব তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে এই সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে।

মহাকাশের সুপারকম্পিউটার, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করল চীন

স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব, খাপ খাওয়াতে কতটুকু প্রস্তুত আপনি?

২০২৫ সালের পর আমরা এক স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রবেশ করছি, যেখানে সচেতন নাগরিকদের জন্য কিছু প্রযুক্তি জানা ও ব্যবহার করা হবে অপরিহার্য। নিচে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জেনারেটিভ এআইএআই এখন কেবল কাজের বিকল্প নয় মানুষের চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকে শক্তিশালী করেছে। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি এর মতো এআই টুল আমাদের লেখালেখি, ডিজাইন, গবেষণা এমনকি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে এআই আমাদের জীবনের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হয়ে যাবে।কোয়ান্টাম কম্পিউটিংএই প্রযুক্তি বর্তমানে প্রায় অসম্ভব গাণিতিক সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে, নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাবে। এটি হবে ভবিষ্যতের সুপারকম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।ব্লকচেইন, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ওয়েব৩

স্মার্ট ও জটিল প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব, খাপ খাওয়াতে কতটুকু প্রস্তুত আপনি?

গুগল ম্যাপে চমকপ্রদ নতুন ফিচার, স্ক্রিনশট থেকে খোঁজ মিলবে লোকেশনের

চিনতে, ট্রাফিক জানতেও এ অ্যাপটি আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। এবার আরও চমকপ্রদ এক ফিচার যুক্ত হয়েছে এতে। স্ক্রিনশট থেকে সরাসরি লোকেশন খুঁজে পাওয়ার সুবিধা!ধরুন, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ঘাঁটতে ঘাঁটতে একটি রেস্টুরেন্ট বা সুন্দর কোনো জায়গার ছবি দেখলেন। জায়গাটির নাম ঠিক বুঝতে পারলেন না, তাই স্ক্রিনশট নিয়ে রাখলেন পরে খুঁজবেন বলে। এখন আর খুঁজতে হবে না। গুগল ম্যাপ নিজেই সেই স্ক্রিনশট বিশ্লেষণ করে লোকেশন বের করে দেবে।এ কাজটি সম্ভব হয়েছে গুগলের এআই প্রযুক্তি ‘জেমিনি’-র কারণে। স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা টেক্সট বা ভিজ্যুয়াল ইনফরমেশন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুগল ম্যাপ শনাক্ত করতে পারবে আপনি কোন জায়গার কথা জানতে চাচ্ছেন। এরপর আপনাকে জানাবে সে জায়গাটি সংরক্ষণ করতে চান কি না। আপনি অনুমতি দিলেই তা সেভ হয়ে যাবে আপনার গুগল ম্যাপ লিস্টে।এ ফিচার ব্যবহারের জন্য আইফোনে ইনস্টল করা গুগল ম্যাপ অ্যাপটি আপডেট করে নিতে হবে। এরপর ‘You’ ট্যাবে গিয়ে ‘Screenshots’ নামে একটি নতুন প্রাইভেট লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখানে প্রবেশ করলেই একটি ডেমো দেখিয়ে দেবে কীভাবে কাজ করবে এ ফিচারটি। ব্যবহারকারীকে চিন্তা না করেই জায়গা খোঁজার সুবিধা এনে দিয়েছে এ ফিচার। ডিজিটাল যুগে তথ্য পাওয়ার এ স্বাচ্ছন্দ্য গুগল ম্যাপকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।

গুগল ম্যাপে চমকপ্রদ নতুন ফিচার, স্ক্রিনশট থেকে খোঁজ মিলবে লোকেশনের

ফেসবুকে ডিলিট হওয়া পোস্ট ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

আসলে, কোনো পোস্ট মুছে ফেললে তা সঙ্গে সঙ্গে চিরতরে মুছে যায় না। বরং এটি ফেসবুকের ‘রিসাইকেল বিন’ নামের একটি গোপন ফোল্ডারে সংরক্ষিত থাকে ৩০ দিন পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে চাইলে আপনি পোস্টটি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।পোস্ট ফিরিয়ে আনতে চাইলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-১. স্মার্টফোনে ফেসবুক অ্যাপ চালু করুন।২. উপরের বাম পাশে থাকা নিজের প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করে প্রোফাইল পেজে যান।৩. এবার ডান পাশে ওপরের কোণে থাকা তিনটি ডট আইকনে চাপ দিন।৪. মেনুতে গিয়ে ‘অ্যাক্টিভিটি লগ’ অপশনে ট্যাপ করুন।৫. ওপরে থাকা সেকশনগুলো ডানে স্ক্রল করে ‘রিসাইকেল বিন’ খুঁজে বের করে তাতে ট্যাপ করুন।৬. এখানে আপনি গত ৩০ দিনের মধ্যে ডিলিট করা সব পোস্টের তালিকা দেখতে পাবেন।৭. যে পোস্টটি ফিরিয়ে আনতে চান, সেটির পাশে থাকা চেকবক্সে ট্যাপ করুন।৮. এরপর নিচে থাকা ‘রিস্টোর’ বাটনে ট্যাপ করলেই পোস্টটি আপনার প্রোফাইলে ফিরে আসবে। চাইলে ‘আর্কাইভ’ অপশনে রেখে পরেও ব্যবহার করতে পারবেন।এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে খুব সহজেই ডিলিট হয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। সুতরাং ভুলে কিছু মুছে গেলেও আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, ফেসবুক আপনাকে সে সুযোগ দিচ্ছে।

ফেসবুকে ডিলিট হওয়া পোস্ট ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে