ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুরে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন আনুমানিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।শনিবার দুপুরে কূপটি থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি খাতে চলমান জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে খনন করা তিতাস-২৮ কূপটির গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার। কূপটি থেকে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট, গড়ে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। মূসক ও আয়করসহ কূপটি খননে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় কূপটি খনন করা হয়। এ প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল চুক্তি হয়। তিতাস-২৮ কূপের খননকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর এবং তা ২০২৬ সালের ১৯ জুন সফলভাবে শেষ হয়।উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী ও অতিথিরা তিতাস-৩১ ও তিতাস-২৯ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের চলমান খননকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।