ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিবন্ধটির সঙ্গে জিয়াউর রহমানের তৎকালীন একটি ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবিও যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।এনসিটিবি জানিয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম স্মৃতিকথা হিসেবে আলোচিত এই নিবন্ধ পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)। গত ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)কে বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। তাঁর ভাষ্য, যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিতিতে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, ২৫ মার্চের গণহত্যার পর শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হলে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষের জন্য ‘তুর্যধ্বনির মতো’ ছিল।প্রস্তাবিত নিবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখসমরের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর গতিবিধি, ২৫-২৬ মার্চের রাতের পরিস্থিতি এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘটনাও এতে উঠে এসেছে।সশস্ত্র দায়িত্ব গ্রহণের অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে নিবন্ধে জিয়াউর রহমান লিখেছেন, ‘সবাই আমরা যুদ্ধ করেছি। সৈনিক, জনগণ সবাই। জাতির চরম সংকটের মুহূর্তে কাউকে না কাউকে সামনে এগিয়ে আসতে হয়। নিতে হয় দায়িত্ব। আমি কেবল সেই দায়িত্ব পালন করেছি।’চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি ২০তম বেলুচ রেজিমেন্টের ‘রহস্যজনক গতিবিধি’ এবং ২৫-২৬ মার্চের রাতের ঘটনাপ্রবাহের কথা উল্লেখ করেন। আগ্রাবাদে ব্যারিকেডের সামনে মেজর খালিকুজ্জামানের কাছ থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরুর খবর পাওয়ার পর তিনি ‘উই রিভোল্ট’ বলার কথা লিখেছেন।নিবন্ধে জিয়াউর রহমান আরও লিখেছেন, ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর পটিয়ার পাহাড়ের দিকে যাত্রা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখসমরের কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারের স্মৃতিও নিবন্ধে রয়েছে। জিয়াউর রহমানের বর্ণনা অনুযায়ী, সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রেডিও স্টেশনে গিয়ে একটি এক্সারসাইজ খাতার পৃষ্ঠায় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম ঘোষণার কথা লিখেছিলেন। পরে বেতার তরঙ্গে সেই ঘোষণা প্রচার করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।এনসিটিবি জানায়, নিবন্ধের আগে দেওয়া ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে অধুনালুপ্ত ‘দৈনিক দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের অনন্য দলিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরাও নিবন্ধটি পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মত দিয়েছেন। জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বাসসকে বলেন, জিয়াউর রহমানের লেখা এই নিবন্ধের ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারবে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বাসসকে বলেন, এনসিসিসির সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও নির্মোহ ইতিহাস জানতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

জিয়াউর রহমানই দেশে প্রথম বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে প্রথম বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে উন্নয়নের রাজনীতির সূচনা করেন।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত না হলেও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ভূমিকার সূচনা হয়। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তাঁর আহ্বানে ছাত্র-জনতা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেন।তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে দেশ যখন আবারও পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছিল, তখন ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে মেজর জিয়াউর রহমান দেশকে সেই সংকট থেকে রক্ষা করেন। পরে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উন্নয়নের রাজনীতির সূচনা করেন।নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই তাঁর রাজনীতিতে হাতেখড়ি। জীবনের এই পর্যায়ে এসে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়াকে তিনি নিজের জীবনের অন্যতম সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন।‘ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন জিয়া’সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এমন এক সময়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যখন বাংলাদেশ টিকে থাকবে কি না, তা নিয়েই বিশ্ববাসীর মধ্যে নানা আশঙ্কা ছিল।তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই জিয়াউর রহমান প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেন। তাঁর পররাষ্ট্রনীতিও ছিল দূরদর্শী। অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা সুদৃঢ় করতে তিনি সক্ষম হন।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের ভাষ্য, কৃষি ও শিল্পসহ দেশের প্রায় প্রতিটি খাতে জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রভাব ছিল। তাঁর সময়ে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যায় এবং চাল রপ্তানি শুরু করে। দেশের মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে নেওয়া তাঁর উদ্যোগগুলো এখনো গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের অনুসারী হিসেবে তাঁর আদর্শ ও মর্যাদা সমুন্নত রেখে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাবা ও মায়ের মতো বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে দেশের উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিচ্ছেন।আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, দেশের মানুষ বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।সিলেটের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়স্বাগত বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিপাহসালার হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির নেতা-কর্মীদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গঠনে নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তাঁর সৈনিক হিসেবে আগামী দিনে সিলেট সিটি করপোরেশনসহ পুরো সিলেটের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরও গতিশীল করতে কাজ করা হবে। সিলেটবাসীর প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও এগিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।অনুষ্ঠানে যারা ছিলেনসিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপির সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালিক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সহ-সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, কেন্দ্রীয় সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।জেলা ওলামা দলের সদস্যসচিব মাওলানা কামাল উদ্দিনের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে কেক কেটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন প্রধান অতিথি, প্রধান বক্তাসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

জিয়াউর রহমানই দেশে প্রথম বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন

নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্য জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা

বিএনপির নবনির্বাচিত চার স্থায়ী কমিটির সদস্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা দলের দায়িত্ব পালনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নবনির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে জনগণের এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে তাঁরা কাজ করবেন।আমান উল্লাহ আমান বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দল ও সরকারকে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে তাঁরা কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সব কর্মসূচি যেকোনো ত্যাগের বিনিময়ে বাস্তবায়নের জন্য তাঁরা শপথ নিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা দায়িত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হবে। জিয়াউর রহমানের মাজার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করছেনবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন, তা জনগণ গ্রহণ করেছে। তাঁর ভাষ্য, বিভিন্ন মহলে এখন আলোচনা হচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।তিনি বলেন, দেশে কিছু সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কারওয়াইলে দেওয়া বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় নবনির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্য জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা