ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন করা অংশ এবং সেখানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল ১০টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন।প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়নের পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ শেষে উদ্যানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা রয়েছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। উদ্যানটির আধুনিকায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে সাজানো হয়েছে। এর ফলে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা, অবসর যাপন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।জুলাই অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিওসমানী উদ্যানের প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’।স্মৃতিস্তম্ভটির মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক আন্দোলনের ঘটনাবলি ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করার সুযোগ পাবেন। উদ্যানের আধুনিকায়নের পাশাপাশি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগকে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উদ্যানটি চালু হওয়ায় রাজধানীবাসীর জন্য নতুন করে অবসর কাটানোর একটি উন্মুক্ত স্থান তৈরি হলো। আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অবস্থানের সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বিএনপির মুখে জুলাই থাকলেও অন্তরে রয়েছে আওয়ামী লীগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলটির কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডের এই দ্বৈত অবস্থান দেশজুড়ে অস্বস্তি তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।মঙ্গলবার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জুলাই গণহত্যার বিচার: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ব্যবধান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, বর্তমানে বিএনপিতে দুটি ধারা দেখা যাচ্ছে। একটি ধারা গত দেড় থেকে দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে এবং জেল-জুলুম ও মামলার শিকার হয়েছে। অন্য ধারাটি ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন করে বিএনপির পরিচয়ে সক্রিয় হয়েছে।হাসনাতের অভিযোগ, এই সুযোগসন্ধানী অংশ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে জুলাই অভ্যুত্থানের মামলাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাচ্ছে।মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে না জানিয়ে দুই থেকে আড়াই শ ব্যক্তিকে আসামি করে গণহারে মামলা করা হচ্ছে। পরে আসামিপক্ষের বাড়িতে লোক পাঠিয়ে অর্থের বিনিময়ে সমঝোতা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত খুনি ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলাগুলোর কতটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। হাসনাতের দাবি, অভিযোগপত্র দেওয়া হলে মামলা বাণিজ্যের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে—এ কারণেই মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র দাখিলে দীর্ঘসূত্রতা করা হচ্ছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন, বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলমের সম্পদ নিয়ন্ত্রণ, বালুমহাল ও সিএনজি স্ট্যান্ড দখল এবং সারের ডিলারশিপের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে একটি পক্ষ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। জুলাই গণহত্যায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। তা না হলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আঁতাতের দায় বিএনপিকে নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আবদুল্লাহ

হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

জুলাই অভ্যুত্থান দমনে নির্যাতন, ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি রোববার সকালে প্রকাশ করা হয়েছে।রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে প্রসিকিউশন। এর আগে গত ৫ জুলাই বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মামলার একমাত্র আসামি ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বাকি পাঁচটি অভিযোগে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।যে তিন অভিযোগে সাজা৩ নম্বর অভিযোগে সাক্ষী রাইসুল হকসহ ভুক্তভোগীদের রাজনৈতিক নিপীড়ন, নির্যাতন ও আহত করার দায়ে ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।৬ নম্বর অভিযোগে অপরাধের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও দুষ্কর্মে সংযোগের দায়ে তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।৭ নম্বর অভিযোগে অপরাধের ষড়যন্ত্রের দায়ে তাঁকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।রায়ে বলা হয়েছে, ইনুর ওপর আরোপিত সব সাজা যুগপৎ চলবে। ফলে সব মিলিয়ে তাঁকে ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী, এ রায়ের বিরুদ্ধে এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।আট অভিযোগের বিবরণইনুর বিরুদ্ধে ৩৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন। এতে ২০ জনকে সাক্ষী করা হয়।প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ১৮ জুলাই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘মিরর নাও’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে বল প্রয়োগের উসকানি এবং মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন ইনু।দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, ১৯ জুলাই গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের সভায় সারা দেশে সেনা মোতায়েন, কারফিউ জারি এবং ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্তে তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০ জুলাই কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের ভিডিও দেখে শনাক্ত করে দমন ও হত্যার নির্দেশ দেন তিনি।চতুর্থ অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করে ছত্রীসেনা নামানো এবং হেলিকপ্টার থেকে বোমা হামলার মাধ্যমে হত্যার পরিকল্পনায় সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২৭ জুলাই ‘নিউজ টোয়েন্টিফোর’-এ আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন ইনু।ষষ্ঠ অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের সভায় জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর পরিচালিত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।সপ্তম অভিযোগে ৪ আগস্ট আন্দোলনকারীদের জঙ্গি আখ্যা দিয়ে কারফিউ জারি, গুলি বর্ষণের কঠোর সিদ্ধান্ত এবং তা বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।অষ্টম অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর মডেল থানা এলাকায় ইনুর নির্দেশে ছয় আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।তবে রায়ে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়াপ্রসিকিউশনের তদন্ত দল ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। শুনানি শেষে ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর কৌঁসুলি আব্দুস সোবহান তরফদারের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ১ ডিসেম্বর প্রথম সাক্ষী হিসেবে মেহেরপুরের বাসিন্দা রাইসুল হকের জবানবন্দি নেওয়া হয়।বিচার চলাকালে প্রসিকিউশনের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১০ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। আসামিপক্ষের দুজন সাফাই সাক্ষীও সাক্ষ্য দেন। মামলায় ২০ সিরিজের নথি ও পাঁচটি বস্তুগত আলামত উপস্থাপন করা হয়।গত ১১ মার্চ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালে ৬৪ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য দেন ইনু। সেখানে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে কাল্পনিক, বিদ্বেষপ্রসূত ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।২ এপ্রিল তাঁর পুনর্তদন্ত ও সাক্ষী তলবের আবেদন খারিজ করে ট্রাইব্যুনাল। এরপর আসামিপক্ষ টানা নয় দিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। ৬ মে ইনুর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী যুক্তিতর্ক শেষ করে খালাস দাবি করেন। ১৪ মে প্রসিকিউশনও যুক্তিতর্ক শেষ করে। পরে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক জীবন২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার একটি বাসা থেকে হাসানুল হক ইনুকে আটক করা হয়। শুরুতে নিউ মার্কেট থানায় করা একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর মধ্যে ২১ আগস্ট কুষ্টিয়ায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।ইনুর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দেখানো মামলার সংখ্যা ৮৭টি। এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনেও তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।১৯৪৬ সালের ১২ নভেম্বর জন্ম নেওয়া হাসানুল হক ইনু ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি করেন। ১৯৭২ সালে জাসদ গঠনের সময় তিনি প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি ছিলেন। ১৯৮৬ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০২ সাল থেকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত হলেও ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।

হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ