ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নিউইয়র্কে হাম ছড়াচ্ছে, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

নিউইয়র্কে হাম ছড়াচ্ছে, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে হামের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যটিতে ১০৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।সোমবার নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হকুল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত এ জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় নিবন্ধিত নার্সরা সন্দেহভাজন হাম রোগীর পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারবেন। একই সঙ্গে ফার্মাসিস্টদের দুই বছর বয়সী শিশুদেরও হাম, মাম্পস ও রুবেলা (এমএমআর) টিকা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।অঙ্গরাজ্যটিতে শনাক্ত ১০৮ রোগীর মধ্যে ৭ জন নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দা। বাকি ১০১ জন অঙ্গরাজ্যের অন্যান্য এলাকার। এর মধ্যে ১৫ জুলাইয়ের পরই ৯২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই অঙ্গরাজ্যের ১৮টি গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দা, যেখানে টিকাদানের হার তুলনামূলক কম।গভর্নর ক্যাথি হকুল বলেন, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব এমন কোনো রোগে মানুষের গুরুতর অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যুর ঘটনা কাম্য নয়।নিউইয়র্কের পাশের অঙ্গরাজ্য পেনসিলভানিয়াতেও হামের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সোমবার পর্যন্ত সেখানে ১ হাজার ৪টি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৯৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তিন দশকের বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অঙ্গরাজ্যে এটিই হামের সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব।এ ছাড়া টেক্সাস, ইউটা, ওহাইও ও সাউথ ক্যারোলাইনাতেও হাম ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩ হাজার ৯০০টি হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৯৯১ সালের পর দেশটিতে হামের পরিস্থিতি এতটা খারাপ আর হয়নি।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে টিকাদানের হার ৯৫ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়াই হামের পুনরায় বিস্তারের অন্যতম কারণ। ২০০০ সালে দেশটিতে স্থানীয়ভাবে হামের সংক্রমণ নির্মূল করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকাদানের হার কমে যাওয়ায় রোগটি আবারও ছড়িয়ে পড়ছে।আগামী নভেম্বরে প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশনের (পাহো) কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো হামমুক্ত দেশের মর্যাদা ধরে রাখতে পারবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হাম-রুবেলা টিকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল, টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ শিশু

চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু টিকা নিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এসেছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের মার্চের শেষ দিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। এর প্রথম ধাপে ৫ এপ্রিল দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১২ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ—এই চার সিটি করপোরেশনে টিকাদান শুরু করা হয়। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, যা এখনো চলমান।তবে দেশে এখনো হামের প্রাদুর্ভাব থাকায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাম প্রতিরোধে সরকার নতুন করে ব্যাপক টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুরুতে সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে টিকাদানের হার।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়া। কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকা নিয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু।বিভাগভিত্তিক টিকাদানস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-রুবেলা টিকার সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে ১১ লাখ ১০ হাজার ৬৯৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৮ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৯১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২ লাখ ১৩ হাজার ১৯৭ জন, রংপুর বিভাগে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৫ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে।সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে বরিশালে ৪৪ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রামে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭০ জন, কুমিল্লায় ৪৮ হাজার ৬৪৩ জন, ঢাকা উত্তরে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৮ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৯৭২ জন, গাজীপুরে ২ লাখ ৬ হাজার ৯২৭ জন, নারায়ণগঞ্জে ৮৩ হাজার ৬৯৭ জন, খুলনায় ৯৬ হাজার ৭৯২ জন, ময়মনসিংহে ৬২ হাজার ৩০৫ জন, রাজশাহীতে ৬৩ হাজার ৫৯ জন, রংপুরে ৮২ হাজার ২৫৩ জন এবং সিলেটে ৭২ হাজার ৩৪৯ জন শিশু টিকা নিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, শিশুদের টিকাদান একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেটি সরকারের বাড়তি তৎপরতার অংশ।তিনি বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য, যাতে কোনো শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে।

হাম-রুবেলা টিকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল, টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ শিশু

হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭

একসময় হাম নির্মূলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই দেশেই এখন ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯ জনে। এ ছাড়া গত এক দিনে নতুন করে ৮৫৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর দেশে হামে কোনো মৃত্যুর রেকর্ড ছিল না। অথচ চলতি বছর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে হামে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। অনেক পরিবার সন্তানকে বাঁচাতে ধারদেনা করে চিকিৎসার খরচ জোগাচ্ছে, কেউ আবার শেষ সম্বলটুকুও ব্যয় করছেন। আবার সন্তান হারানো পরিবারগুলোকে শোকের পাশাপাশি বহন করতে হচ্ছে ঋণের বোঝাও।২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবার টিকাদানহামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় টিকাদান কার্যক্রমকে সংক্রমণ মোকাবিলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭

হামে মারা যাওয়া শিশুদের ৮২ শতাংশই পূর্ণ ছয় মাস বুকের দুধ পায়নি

হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশুদের বড় একটি অংশ জীবনের প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি। একই সঙ্গে মারা যাওয়া শিশুদের ৬৫ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল। এর মধ্যে ১২ শতাংশ ছিল তীব্র অপুষ্টিতে এবং ৫৩ শতাংশ মাঝারি অপুষ্টিতে।বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (বাশিহাই) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।বুধবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে শিশুদের হাম নিয়ে করা গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ সভায় গবেষণার তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাশিহাইয়ের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান।৩৫৪ শিশুকে নিয়ে গবেষণাগবেষণায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৫৪ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের ৪৩ শতাংশের বয়স ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে। এসব শিশুর ৩৮ শতাংশ জন্মের পর প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি।মারা যাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৮২ শতাংশে। অর্থাৎ হামে মারা যাওয়া শিশুদের বড় একটি অংশ জীবনের প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি।গবেষণায় আরও দেখা যায়, মারা যাওয়া শিশুদের ৬৫ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল। এর মধ্যে ১২ শতাংশ তীব্র অপুষ্টি এবং ৫৩ শতাংশ মাঝারি অপুষ্টিতে আক্রান্ত ছিল।টিকা নেওয়ার তথ্যেও পার্থক্যগবেষকেরা বয়স ও টিকা নেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪১ শিশুকে চারটি দলে ভাগ করেন।নিয়মিত টিকা পাওয়ার বয়স হয়নি—এমন ৯ মাসের কম বয়সী ১৪৬ শিশুর মধ্যে ১৪২ জনের, অর্থাৎ ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়।টিকা নেওয়ার বয়স হলেও কোনো ডোজ না পাওয়া ১২৬ শিশুর মধ্যে ১২২ জনের বা ৯৭ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়েছে। এক ডোজ টিকা নেওয়া ৪৮ শিশুর মধ্যে ৪৪ জনের বা ৯২ শতাংশ এবং দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ শিশুর মধ্যে ১৬ জনের বা ৭৬ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়েছে।তবে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের ৭৬ শতাংশের হাম শনাক্ত হওয়ার এই তথ্যকে টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে হাম আক্রান্ত হওয়ার সাধারণ হার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।কারণ, গবেষণায় অংশ নেওয়া সব শিশুই সন্দেহভাজন হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ফলে দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ জন সন্দেহভাজন রোগীর মধ্যে ১৬ জনের হাম শনাক্ত হওয়ার হিসাব শুধু এই হাসপাতালভিত্তিক গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।আরও গবেষণার প্রয়োজনগবেষকেরা বলেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও ওই শিশুদের হাম শনাক্ত হওয়ার কারণ জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। টিকা নেওয়ার পর পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি না হওয়া, সময়ের সঙ্গে অ্যান্টিবডির সুরক্ষা কমে যাওয়া, অপুষ্টি কিংবা ব্যক্তিভেদে অন্য কোনো কারণ এতে ভূমিকা রাখতে পারে।তবে এসব সম্ভাব্য কারণের কোনটি সংক্রমণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে, তা বর্তমান গবেষণায় নির্ধারণ করা হয়নি।সভায় বাশিহাই পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এবং আইইডিসিআরের পরিচালক কাজী আহমেদ জাকীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

হামে মারা যাওয়া শিশুদের ৮২ শতাংশই পূর্ণ ছয় মাস বুকের দুধ পায়নি