ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
লর্ডস টেস্টে ফিরছেন বাবর, ৯০ শতাংশ ফিট

লর্ডস টেস্টে ফিরছেন বাবর, ৯০ শতাংশ ফিট

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফিরছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। হাতের আঙুলের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না উঠলেও নিজেকে ৯০ শতাংশ ফিট বলে জানিয়েছেন তিনি।লর্ডসে বৃহস্পতিবার শুরু হবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট। গত সপ্তাহে হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে আঙুলের চোটের কারণে খেলতে পারেননি বাবর। তাঁর অনুপস্থিতিতে পাকিস্তান এক ইনিংস ও ১০৩ রানে হেরে যায়। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।বুধবার লর্ডসে সংবাদ সম্মেলনে বাবর বলেন, তিনি মঙ্গলবার কয়েকটি অনুশীলন সেশনে অংশ নিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন শেষ করেও তাঁর আরেকটি অনুশীলনে যাওয়ার কথা ছিল। পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছেন বলেও জানান তিনি।পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেওয়া তাঁর জন্য সব সময়ই সম্মানের বলে উল্লেখ করে বাবর বলেন, ‘আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। অধিনায়ক হিসেবে মাঠে থাকি কিংবা ব্যাটিং করি, আমি শুধু আমার স্বাভাবিক খেলাটাই খেলব।’প্রথম টেস্টে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও ইংল্যান্ডকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বাবর। তিনি বলেন, পাকিস্তান তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি। তবে ইংল্যান্ড যেভাবে খেলেছে, তার জন্য তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে। নিজেদের ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করে এখন পরের ম্যাচে মনোযোগ দেওয়ার কথা জানান তিনি।সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ড্র হওয়া দুই টেস্টের সিরিজে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করেছিলেন বাবর। লর্ডসে তিনি চার নম্বরে ব্যাটিং করলে আজান ওয়াইসকে একাদশ থেকে জায়গা ছাড়তে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শান মাসুদ বা আবদুল্লাহ শফিক ওপেনিংয়ে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।বোলিং লাইনআপেও পরিবর্তন আনতে পারে পাকিস্তান। হেডিংলিতে দলের পেস আক্রমণে গতি কম থাকায় ২০ বছর বয়সী উবাইদ শাহকে একাদশে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তিনি খেললে একটি জায়গার জন্য খুররম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আলীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের পেসারদের মধ্যে মোহাম্মদ আব্বাস ছিলেন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। আর বাঁহাতি স্পিনার আলী উসমান টেস্ট ক্রিকেটে নিজের প্রথম পাঁচ উইকেট পাওয়ার আত্মবিশ্বাস নিয়েই লর্ডসে নামবেন।

জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের অবস্থান এখন বেশ শক্ত। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানের জবাবে ৪২৬ রান করে ২২৮ রানের লিড নেওয়ার পর তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬১ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলিয়ার লিড এখন ৬৭ রান। ম্যাচের বাকি দুই দিন।তবে এতটা সুবিধাজনক অবস্থানেও এখনই জয়ের কথা ভাবছেন না বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর লক্ষ্য আপাতত একেকটি উইকেট করে এগিয়ে যাওয়া।মারারা স্টেডিয়ামের উইকেট সময় গড়ানোর সঙ্গে ব্যাটিংয়ের জন্য আরও ভালো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার জশ হ্যাজলউডও মনে করছেন, উইকেটে এখনো ব্যাট করা তুলনামূলক সহজ। ফলে হাতে থাকা ছয় উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে লড়াই জমিয়ে তুলতে পারে।দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘আমরা ওইভাবে চিন্তা করছি না। আমরা চেষ্টা করছি ভালো জায়গায় বল করার জন্য। প্রতিটি উইকেট নিতে গেলে কষ্ট করে বল করতে হবে, কারণ উইকেট অত সহজ নয়।’জয়ের পরিকল্পনা নিয়ে মিরাজ বলেন, ‘যত কম রান হয়, ততই ভালো। এখনো খেলার দুদিন বাকি। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো এখান থেকে দ্রুত তিনটি উইকেট নেওয়া, কারণ ওরা সবাই ভালো ব্যাটিং করে। উইকেট সময়ের সঙ্গে আরও ভালো হচ্ছে। আমরা বড় লক্ষ্য নিয়ে চিন্তা না করে ছোট ছোট পদক্ষেপে এগোনোর চেষ্টা করছি।’অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের উইকেট পাওয়া সহজ হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। মিরাজ বলেন, ‘আমরা যে উইকেটগুলো পেয়েছি, অনেক কষ্ট করেই নিতে হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি রান যতটা আটকানো যায়। এই রানের ভেতরে যদি আরও তিন-চারটা উইকেট নিতে পারি, তখন আমাদের জন্য সহজ হবে। হয়তো রানের লক্ষ্যটাও বেশি থাকবে না।’প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪২৬ রানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মিরাজ। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৬৫ রান। মুশফিকুর রহিম আউট হওয়ার পর মূলত লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তিনি।নিজের ব্যাটিং নিয়ে মিরাজ বলেন, ‘আমার জন্য ব্যাটিংটা একটু কঠিন ছিল। আমি যখন নেমেছিলাম, তখন মুশফিক ভাই আউট হয়ে গেছেন। আমি বোলারদের নিয়েই যা রান করার করেছি। ওই সময়ে রান করাটা আমার জন্য একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল।’বল হাতেও অবদান রেখেছেন মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে দলের অন্যতম ভরসা স্টিভ স্মিথকে নিজের বলে ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সালের মিরপুর টেস্টেও স্মিথের উইকেট নিয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার।স্মিথের উইকেটকে নিজের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে মিরাজ বলেন, ‘এটি আমার জন্য দারুণ একটি মুহূর্ত ছিল। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান, আর তাঁর উইকেট নেওয়াটা আমার জন্য দারুণ একটি মুহূর্ত।’সাম্প্রতিক ব্যর্থতা পেছনে ফেলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে দলের আত্মবিশ্বাসকে বড় কারণ মনে করছেন মিরাজ। তাঁর ভাষায়, ‘আমাদের সবার বিশ্বাস ছিল যে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারি। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছি এবং প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যে বিশ্বাসটা ছিল।’এখন সেই আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়তে পারে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিন শেষে ৯৬/১ বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামার আগে বাংলাদেশের জন্য পরিস্থিতি খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হার, ৫৪ রানে অলআউট-সব মিলিয়ে ডারউইন টেস্টের আগে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের দিকে আশাবাদী চোখ ছিল কমই। তবে প্রথম দিনেই সেই হিসাব বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ।মারারা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। আর্দ্র উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের পেসাররা স্বাগতিকদের ১৯৮ রানে অলআউট করে দেন। জবাবে দিন শেষে ১ উইকেটে ৯৬ রান করেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এখনো ১০২ রানে পিছিয়ে তারা।দিন শেষে মুমিনুল হক ৩৫ ও তানজিদ হাসান ৩২ রানে অপরাজিত। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৬০ রান। বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি হারিয়েছে সাদমান ইসলাম, ২০ রান করে।দিনের মূল নায়ক হাসান মাহমুদ। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের কোনো বোলারের এটাই সেরা বোলিং।প্রথম ঘণ্টার শেষ দিকে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে হাসান ফিরিয়ে দেন জ্যাক ওয়েদারাল্ডকে। ২৩ রান করা ওপেনারকে ফেরানোর পরের ওভারেই ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করেন তিনি। হেড করেন ২২ রান।এরপর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে একের পর এক আঘাত হানেন এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। এবাদতের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মার্নাস লাবুশেন। লাঞ্চের ঠিক আগে তাসকিনের বলে ক্যামেরন গ্রিন ১৩ রানে ফিরলে ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।তবে ব্যক্তিগত ২ রানে জীবন পাওয়া স্টিভেন স্মিথই অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসকে কিছুটা টেনে নেন। অ্যালেক্স ক্যারিকে নিয়ে ৫৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। ক্যারিকে ১৯ রানে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন এবাদত।এরপর বাউ ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন তাসকিন। অন্য প্রান্তে টিকে থেকে স্মিথ খেলেন ৭১ রানের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত হাসানের নতুন স্পেলে অস্ট্রেলিয়ার শেষ প্রতিরোধও ভেঙে যায়। প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে পরপর দুই ওভারে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরে স্মিথ ও নাথান লায়নকে আউট করে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ১৯৮ রানে শেষ করেন হাসান।টেস্টে এটি হাসানের তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। এর আগে পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে তাঁদের মাটিতে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটই নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা—হাসান ৬টি, তাসকিন ও এবাদত ২টি করে। টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের পেসাররা প্রতিপক্ষের সব কটি উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন। এর আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেও এমন হয়েছিল।বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে ২১৭ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।জবাবে বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল স্বস্তির। অবশ্য দ্বিতীয় ওভারেই জীবন পান তানজিদ হাসান। মিচেল স্টার্কের বলে তাঁর ক্যাচ নিতে পারেননি নাথান লায়ন। পরে নবম ওভারে স্টার্কের বলে সাদমান ২০ রানে ফিরলে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি।এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি মুমিনুল ও তানজিদ। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে দুজন দিন শেষ করেছেন স্বস্তিতে। প্রথম দিন শেষে তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেশ ভালো অবস্থানেই বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিন শেষে ৯৬/১ বাংলাদেশ

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, একাই ৮ উইকেট নিলেন থম্পসন

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচেই বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের জন্য বড় হুমকি হয়ে ওঠেন ২২ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার ক্যাম্পবেল থম্পসন।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৬৩ রান করে। জবাবে ৩৫৫ রান তুলে ৯২ রানের লিড নেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। সেই লিড পুষিয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২১.৬ ওভারে ৫৪ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন থম্পসন। মাত্র ১১ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৮ উইকেট। বাংলাদেশের ১০ ব্যাটারের মধ্যে ৮ জনকেই সাজঘরে ফেরান এই তরুণ পেসার।আগের দিন দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই সাদমান ইসলামকে ৬ রানে আউট করেন থম্পসন। এরপর মুমিনুল হকও তাঁর বলে ৬ রান করে বোল্ড হন।শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ ২ উইকেটে ১৯ রান করেছিল। তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেই আবার বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কোনো রান না করেই থম্পসনের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর সৌম্য সরকার ৫ ও মুশফিকুর রহিম ২ রান করে একই বোলারের শিকার হন।৩৬ রানেই চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ২২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে অমিত হাসান ৪ রান করে কোরি রকিচোলির বলে আউট হলে আবারও দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।মেহেদী হাসান মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৪৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের ইনিংস আর বেশি দূর এগোয়নি। শেষদিকে হাসান মাহমুদ ২ রানে অপরাজিত থাকলেও অন্য প্রান্তে কেউ তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি।তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ করেন থম্পসন। ১১ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলিং করেছেন তিনি। রকিচোলি নিয়েছেন ২ উইকেট।দুই টেস্টের সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের এমন ব্যাটিং বিপর্যয় বড় সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়ায় সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, একাই ৮ উইকেট নিলেন থম্পসন