ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নোটিশ, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিল পুলিশ

ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নোটিশ, ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিল পুলিশ

বলিউড অভিনেতা আমির খানের ভাগনে ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নোটিশ দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার পর এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের অগাস্ট ক্রান্তি ময়দানে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত আন্দোলনে অংশ নেন ইমরান। এ সময় পুলিশ তাঁকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।প্রতিবাদে অংশ নেওয়ায় তদন্তপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় নাগরিক না হয়েও ইমরান খান কীভাবে এ ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নিলেন, তা নিয়ে তদন্ত করে পুলিশ। তদন্তের পর তাঁকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশ দেওয়ার সঙ্গে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

পেছন দিক থেকে ছবি তুললে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি সালমানের

পাপারাজ্জিদের বিরুদ্ধে ফের সরব হয়েছেন বলিউড তারকা সালমান খান। অভিনেত্রীদের সম্মতি ছাড়া পেছন দিক থেকে আপত্তিকর ছবি তোলার প্রবণতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।‘বিগ বস ২০’-এর মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর ও সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সালমানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।সালমানের দাবি, আগে সতর্ক করার পরও পাপারাজ্জিদের এ ধরনের ছবি তোলার প্রবণতা কমেনি, বরং বেড়েছে। কিছু তারকা নিজেরাই পাপারাজ্জিদের ডেকে এনে এ ধরনের ছবি তোলার জন্য অর্থ দেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সালমান বলেন, কিছু নারী এবং কিছু পুরুষও পাপারাজ্জিদের ডেকে আনেন, তাঁদের টাকা দেন এবং এ ধরনের ছবি তুলতে বলেন। তাঁরা কী-ই বা করবেন?তবে সব তারকা যে এমন ছবি পছন্দ করেন, তা নয় বলে মনে করেন এই অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা এ ধরনের ছবি তুলতে স্বচ্ছন্দ, তাঁদের ক্ষেত্রে তা করা যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা চান না, তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।নেহাকে উদ্দেশ করে সালমান বলেন, “তোমরা যখন এসে বলো যে এ ধরনের ছবি তোলা যাবে না, তারপরও যদি তাঁরা একই কাজ করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”‘বিষয়টিকে মজা হিসেবে নিচ্ছেন’পাপারাজ্জিরা তাঁর আগের সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সালমান। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টিকে তাঁরা মজা হিসেবে নিচ্ছেন। এমনকি কিছু বড় প্ল্যাটফর্মও এ ধরনের কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সালমান বলেন, আমি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।অভিনেত্রীদের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের ছবি তোলার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায় সালমানকে ধন্যবাদ জানান নেহা ধুপিয়া। তাঁর মতে, গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চে বিষয়টি তুলে ধরে অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর এবং তাঁদের মতামতের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন সালমান।

পেছন দিক থেকে ছবি তুললে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি সালমানের

৭৫ বছরে মারা গেলেন অভিনেতা নানা পাটেকর

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়িতে বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।অভিনয়ে পথচলা ‘গমন’ দিয়েনানা পাটেকরের আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের মুরুদ-জঞ্জিরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন নানা পাটেকর। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি।অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক ও লেখকঅভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ ও লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর পরিচয় দিয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ারে সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কারও পেয়েছেন এই অভিনেতা।ক্রান্তিবীর -এ তুমুল প্রশংসাক্রান্তিবীর সিনেমায় প্রতাপনারায়ণ তিলকের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পান নানা পাটেকর। চরিত্রটির ক্রোধ, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের তীব্র প্রকাশ তাঁর অভিনয়কে আলাদা মাত্রা দেয়। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।এরপর অগ্নিসাক্ষী সিনেমায় মানসিকভাবে বিপজ্জনক এক স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেও জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পান নানা পাটেকর। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। 

৭৫ বছরে মারা গেলেন অভিনেতা নানা পাটেকর

ক্যাটরিনার মা বেছে নিয়েছেন ভিন্ন জীবন, প্রত্যন্ত গ্রামে গড়েছেন স্কুল

বলিউডের ঝলমলে জগতের সঙ্গে ক্যাটরিনা কাইফের পরিচয় দীর্ঘদিনের। অভিনয় ও জনপ্রিয়তায় তিনি প্রতিষ্ঠিত তারকা। তবে তাঁর মা সুজান টরকোটের জীবনযাপন সম্পূর্ণ ভিন্ন। শহুরে জীবন ছেড়ে তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত এলাকায় শিশুদের শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তিনি।২০০৮ সালে লন্ডন থেকে তামিলনাড়ুতে চলে যান সুজান। গ্রামাঞ্চলের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিশুদের জন্য কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে সেখানে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তোলেন। শুরুতে শিশুদের বিনা মূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ করেন তিনি।২০১৫ সালে সুজান প্রতিষ্ঠা করেন মাউন্টেন ভিউ স্কুল। ৩০ জনেরও কম শিশু নিয়ে শুরু হওয়া স্কুলটিতে আশপাশের গ্রামের দরিদ্র পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করত। সময়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে স্কুলটিতে ৩০০-র বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।আট সন্তানকে একাই বড় করেছেন সুজান। মায়ের জীবন ও সমাজসেবার কাজ নিয়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন ক্যাটরিনা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মা মাদুরাইয়ে থাকেন এবং নিজেই শিশুদের পড়ান।ক্যাটরিনা বলেছিলেন, আমার মা মাদুরাইয়ে থাকেন। সেখানে তিনি শিশুদের জন্য একটি স্কুল তৈরি করেছেন। তিনি নিজেই শিক্ষকতা করেন। সেখানে তিনি খুব খুশি। মায়ের সমাজসেবা এবং আশীর্বাদের কারণেই আমি জীবনে এতটা এগোতে পেরেছি।তবে প্রত্যন্ত এলাকায় মায়ের জীবন সহজ নয়। ক্যাটরিনা জানিয়েছেন, সেখানে সব সময় বিদ্যুৎ থাকে না। দিনে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেট না থাকায় অনেক সময় মায়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলাও সম্ভব হয় না।প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই বলেও জানিয়েছেন ক্যাটরিনা। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বছরের পর বছর শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তাঁর মা।মায়ের সমাজসেবামূলক কাজ ক্যাটরিনার শৈশবেও প্রভাব ফেলেছে। অভিনেত্রীর ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই তিনি ও তাঁর ভাইবোনেরা দারিদ্র্যের বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। বিভিন্ন দেশে থাকার সময় দরিদ্র মানুষের জীবন কাছ থেকে দেখেছেন তাঁরা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ক্যাটরিনার মা বেছে নিয়েছেন ভিন্ন জীবন, প্রত্যন্ত গ্রামে গড়েছেন স্কুল

মারা গেলেন ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৭ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কুকু কোহলি। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। তবে এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়েও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।কুকু কোহলির ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে বলিউডের সম্পর্কও ছিল ঘনিষ্ঠ। তাঁর স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী অরুণা ইরানি। প্রথম স্ত্রী রিতা কোহলির ঘরে তাঁর দুই সন্তান পূজা ও কারিশমা।১৯৯১ সালে পরিচালক হিসেবে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কুকু কোহলির। তাঁর প্রথম সিনেমা ‘ফুল অউর কাঁটে’ মুক্তির পরই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সিনেমাটি অভিনেতা অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারেরও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এতে অরুণা ইরানিও অভিনয় করেন।একই বছর ‘কোহরাম’ সিনেমা পরিচালনা করেন কুকু কোহলি। এরপর ১৯৯৪ সালে অজয় দেবগনকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘সুহাগ’। অক্ষয় কুমার, কারিশমা কাপুর ও নাগমাও অভিনয় করেছিলেন সিনেমাটিতে। ছবিটি বক্স অফিসে সফলতা পায়।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কুকু কোহলি বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা নির্মাণ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘হাকিকত’, ‘আনাড়ি নম্বর ১’, ‘জুলমি’ ও ‘ইয়ে দিল আশিকানা’।২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওহ তেরা নাম থা’ ছিল পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলির সর্বশেষ সিনেমা।তাঁর মৃত্যুতে বলিউডের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক নেমে এসেছে।

মারা গেলেন ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি

মারা গেলেন ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৭ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কুকু কোহলি। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। তবে এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়েও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।কুকু কোহলির ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে বলিউডের সম্পর্কও ছিল ঘনিষ্ঠ। তাঁর স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী অরুণা ইরানি। প্রথম স্ত্রী রিতা কোহলির ঘরে তাঁর দুই সন্তান পূজা ও কারিশমা।১৯৯১ সালে পরিচালক হিসেবে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কুকু কোহলির। তাঁর প্রথম সিনেমা ‘ফুল অউর কাঁটে’ মুক্তির পরই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সিনেমাটি অভিনেতা অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারেরও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এতে অরুণা ইরানিও অভিনয় করেন।একই বছর ‘কোহরাম’ সিনেমা পরিচালনা করেন কুকু কোহলি। এরপর ১৯৯৪ সালে অজয় দেবগনকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘সুহাগ’। অক্ষয় কুমার, কারিশমা কাপুর ও নাগমাও অভিনয় করেছিলেন সিনেমাটিতে। ছবিটি বক্স অফিসে সফলতা পায়।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কুকু কোহলি বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা নির্মাণ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘হাকিকত’, ‘আনাড়ি নম্বর ১’, ‘জুলমি’ ও ‘ইয়ে দিল আশিকানা’।২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওহ তেরা নাম থা’ ছিল পরিচালক হিসেবে কুকু কোহলির সর্বশেষ সিনেমা।তাঁর মৃত্যুতে বলিউডের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক নেমে এসেছে।

মারা গেলেন ‘ফুল অউর কাঁটে’র পরিচালক কুকু কোহলি