ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

সেপ্টেম্বর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বঙ্গোপসাগরে এ মাসে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় সেপ্টেম্বর মাসের এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। এর ফলে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মৃদু তাপপ্রবাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহে ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।এ ছাড়া চলতি মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্রঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।নদ-নদীর বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাত হলে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, এ মাসে দেশে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম

অতিবৃষ্টিতে আবারও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ নগরীর সাধারণ বাসিন্দারা।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল ভূইয়া জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ দিনভর চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।সকালের বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা ও আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সকালে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে বের হওয়া মানুষকে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশাচালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন নগরবাসী। এ ছাড়া কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।বহদ্দারহাটের খাজা রোডের বাসিন্দা হাবিব বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের নিচতলায় পানি উঠে যায়। আজ সকালে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় খুব কষ্ট হয়েছে।’টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম