ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম



অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম
অতিবৃষ্টিতে আবারও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে

অতিবৃষ্টিতে আবারও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ নগরীর সাধারণ বাসিন্দারা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল ভূইয়া জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ দিনভর চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

সকালের বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা ও আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সকালে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে বের হওয়া মানুষকে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশাচালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন নগরবাসী। এ ছাড়া কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

বহদ্দারহাটের খাজা রোডের বাসিন্দা হাবিব বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের নিচতলায় পানি উঠে যায়। আজ সকালে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় খুব কষ্ট হয়েছে।’

টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : আবহাওয়া চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা অতিবৃষ্টি বৃষ্টিপাত পাহাড়ধস

দৈনিক নবকাল

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অতিবৃষ্টিতে আবারও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ নগরীর সাধারণ বাসিন্দারা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল ভূইয়া জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ দিনভর চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

সকালের বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা ও আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সকালে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে বের হওয়া মানুষকে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশাচালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন নগরবাসী। এ ছাড়া কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

বহদ্দারহাটের খাজা রোডের বাসিন্দা হাবিব বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের নিচতলায় পানি উঠে যায়। আজ সকালে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় খুব কষ্ট হয়েছে।’

টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম
0:00 0:00
1.0x