ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের পূর্বাভাস, রেড অ্যালার্ট জারি

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের পূর্বাভাস, রেড অ্যালার্ট জারি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় এ সতর্কতা জারি করা হয়। পূর্বাভাসে ঘণ্টায় ১৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।দিল্লির পাশাপাশি আশপাশের নয়ডা, গুরুগ্রাম ও গাজিয়াবাদেও বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দিল্লির করোলবাগ এলাকার ঝান্ডেওয়ালা মন্দিরের কাছে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সকালের ব্যস্ত সময়ে এ পরিস্থিতিতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।আগামী ছয় দিন কেমন থাকবে আবহাওয়াআবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সকালের বৃষ্টির পর আগামী ছয় দিন দিল্লির আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে এ সময়ে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাত দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর দিল্লিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।১৪ অক্টোবর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। সেদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।১৫ অক্টোবর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।এ ছাড়া ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এসব দিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামীকাল শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের পর বাতাসের আর্দ্রতা কমে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি দুর্বল অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্য এলাকাগুলো থেকেও এর বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মৌসুমি বায়ুর বিদায়লগ্নে পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দেশের আকাশ অনেকটাই মেঘলা ছিল। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি বৃষ্টিও হয়েছে। এদিন সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। দেশের সর্বোচ্চ ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ মিলিমিটার।বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে—৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসা এবং বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি কিছুটা কমেছে।আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। রাজধানীতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হতে পারে। এতে তাপমাত্রা খুব বেশি না কমলেও বাতাসের আর্দ্রতা কমবে। ফলে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতিও আরও কমতে পারে।শনিবারের পর কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতাআবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় থাকতে পারে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। ফলে শনিবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে।

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে, বেশি সম্ভাবনা রংপুর-ময়মনসিংহে

৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।তবে নতুন এই লঘুচাপ শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তিশালী হবে কিংবা এটি নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপে রূপ নেবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। আবহাওয়াবিদদের মতে, লঘুচাপটি সৃষ্টির পর এর অবস্থান, গতিপথ ও শক্তি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন নেসা বলেন, আগামী মঙ্গলবারের মধ্যেই লঘুচাপটি সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী সময়ে এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ, নিম্নচাপ কিংবা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না, তা সিস্টেমটি সৃষ্টির পর এর গতিপথ ও শক্তি বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে।তিনি বলেন, অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা ঐতিহাসিকভাবে থাকলেও বর্তমান পর্যায়ে নতুন সিস্টেমটিকে ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া অনেকটা শুষ্ক থাকার পর শুক্রবার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে।এদিকে আগামী কয়েক দিন পুরোপুরি বৃষ্টিশূন্য থাকবে না দেশ। রোববার সন্ধ্যা থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্য বিভাগগুলোর দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারও কয়েকটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অর্থাৎ, আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অঞ্চলভেদে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি এবং বৃষ্টির বিরতিতে গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়া থাকতে পারে।রোববার দেশের কোথাও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি। শুধু মানিকগঞ্জের আরিচায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এ কারণে অনেক এলাকায় তাপমাত্রা বেড়ে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হয়েছে। এদিন দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ঢাকা, চাঁদপুর, ফেনী ও খুলনায়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সোমবার দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। মঙ্গলবার দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, নতুন লঘুচাপটি সৃষ্টি হওয়ার পর এর গতিপথ ও শক্তি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তাই আপাতত এটিকে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা হিসেবে দেখার চেয়ে সম্ভাব্য লঘুচাপ এবং এর প্রভাবে বৃষ্টির পরিবর্তন হিসেবেই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল এবং এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

সেপ্টেম্বর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বঙ্গোপসাগরে এ মাসে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় সেপ্টেম্বর মাসের এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। এর ফলে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মৃদু তাপপ্রবাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহে ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।এ ছাড়া চলতি মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্রঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।নদ-নদীর বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাত হলে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, এ মাসে দেশে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।

সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ বৃষ্টি, তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে

ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দিনের কোনো একসময় আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়া অধিদপ্তরের দুপুর ১টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজধানীতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে।আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।নদীবন্দরে নেই সতর্কসংকেতআবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্কসংকেত নেই। ফলে এ সময় নদীবন্দরগুলোকে কোনো সংকেত দেখাতে হবে না।অন্যদিকে, গতকাল রাতে দেওয়া আবহাওয়ার সার্বিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে। আগামীকাল শুক্রবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে।

ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ বৃষ্টি, তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম

অতিবৃষ্টিতে আবারও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ নগরীর সাধারণ বাসিন্দারা।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল ভূইয়া জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১০৯ মিলিমিটার।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ দিনভর চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনকে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।সকালের বৃষ্টিতে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা ও আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। সকালে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে বের হওয়া মানুষকে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।জলাবদ্ধতার সুযোগে রিকশাচালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন নগরবাসী। এ ছাড়া কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।বহদ্দারহাটের খাজা রোডের বাসিন্দা হাবিব বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের নিচতলায় পানি উঠে যায়। আজ সকালে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় খুব কষ্ট হয়েছে।’টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম

৬ জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যেই শনিবার রাতের মধ্যে ছয় জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত রাত ১টার মধ্যে যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এসব জেলার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।ভোলায় সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিআবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ভোলায়।এ ছাড়া নেত্রকোনায় ৫৫ মিলিমিটার, কক্সবাজারের টেকনাফে ৩৭, বরিশালে ৩৬, চট্টগ্রামে ২৭, কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২৬ এবং কুমিল্লায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকাতেও বৃষ্টি হয়েছে।আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির সম্ভাবনাআবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে।

৬ জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের ১০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫–৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।এদিকে সংস্থাটির ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত