ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুরে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন আনুমানিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।শনিবার দুপুরে কূপটি থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি খাতে চলমান জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে খনন করা তিতাস-২৮ কূপটির গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার। কূপটি থেকে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট, গড়ে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। মূসক ও আয়করসহ কূপটি খননে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় কূপটি খনন করা হয়। এ প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল চুক্তি হয়। তিতাস-২৮ কূপের খননকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর এবং তা ২০২৬ সালের ১৯ জুন সফলভাবে শেষ হয়।উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী ও অতিথিরা তিতাস-৩১ ও তিতাস-২৯ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের চলমান খননকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।

আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নেই, বললেন সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের ফিরে আসার আলোচনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভারতে দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সারজিস আলম।তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার বাতাস শুধু দুই জায়গায় দেখা যায়। একটা সোশ্যাল মিডিয়া, আরেকটা হলো ভারতে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ফেরার কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডে গণহত্যাকারী, খুনি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরতে পারবে না।’জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী যদি বলেন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করা উচিত। শুধু একজন মন্ত্রীকে দায়ী করলে হবে না।তিনি বলেন, এ দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এড়াতে পারেন না। কোনো মন্ত্রী সঠিকভাবে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে না পারলে প্রধানমন্ত্রীকে তাঁকে অপসারণ করতে হবে। ব্যর্থতার পরও কাউকে দায়িত্বে রাখলে এর দায় সরকারপ্রধানকেও নিতে হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন সারজিস আলম। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। সারজিস বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর প্রক্সি হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু এ কারণে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি যথাযথভাবে নজর দিতে পারছেন না। মন্ত্রণালয়ের দিকে আরও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নেই, বললেন সারজিস আলম

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করায় নিজেদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। শনিবার দুপুরে এনসিপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথা জানায় সংগঠনটি।তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। সেখানে এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা হওয়ার কথা ছিল।এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে এনসিপির অনুষ্ঠান প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা।এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল ৩টায় এনসিপির অনুষ্ঠানস্থলে ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।তবে শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কর্মসূচি প্রত্যাহারব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।তিনি বলেন, এনসিপির কর্মসূচিতে আমাদের কোনো বাধা থাকবে না।শিল্পকলায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তিএদিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠান করার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক সমাবেশ হবে, এমন তথ্য আগে জানানো হয়নি।জেলা প্রশাসক বলেন, শিল্পকলায় কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। তারা সেখানে অনুষ্ঠান করতে পারবে না। এনসিপির অনুষ্ঠানকে ঘিরে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করায় আপাতত ওই পক্ষের কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের অবসান হয়েছে। তবে শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

সীমান্তপথে ভারত থেকে আসছে মাদক-অস্ত্র

ভারত সীমান্তঘেঁষা লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় মাদক চোরাচালান কমেনি। বরং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো কারবারিদের জায়গায় নতুন পৃষ্ঠপোষক ও নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।সীমান্তের বিভিন্ন দুর্গম পথ, নদীপথ ও কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে ফেনসিডিল, গাঁজা, ইয়াবা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে ঢুকছে। এসব চালান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। নারী ও শিশুদেরও বাহক হিসেবে ব্যবহার করার তথ্য পাওয়া গেছে। কুড়িগ্রামে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে ১২১ কেজি গাঁজা, ৬ হাজার ৮১১টি ইয়াবা, ১ হাজার ৬টি ফেনসিডিল, ২২০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ১৪ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ১৭৮টি মামলা হয়েছে এবং ১৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তেও মাদক চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সরাইল ব্যাটালিয়নের অভিযানে ছয় কোটি ২৬ লাখ টাকার বেশি মূল্যের মাদক জব্দ করা হয়েছে। কুমিল্লায় গত তিন বছরে বিজিবি প্রায় ২০ হাজার ২০০টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক জব্দ করেছে। এসব অভিযানে ৫২৬ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে সিসি ক্যামেরা, নদীপথ, যানবাহনের গোপন কুঠুরি এবং বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে। কোথাও কোথাও উল্টো পুলিশের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে সিসি ক্যামেরা বসানোর তথ্যও পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের যোগসাজশ এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগও রয়েছে। ফলে ছোট কারবারিরা গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

সীমান্তপথে ভারত থেকে আসছে মাদক-অস্ত্র

খদরে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই ফিরলেন প্রবাসী বর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে বড় থালা ‘খদরে’ খাসির মাংস না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিয়ে না করেই ফিরে গেছেন জাপানপ্রবাসী বর জুনায়েদ। সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।কনের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে আত্মীয়স্বজন নিয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছান জুনায়েদ। সেখানে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। গেট ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত আসনে বসানো হয়।পরে বরপক্ষের জন্য খদরে খাবার পরিবেশন করা হয়। এ সময় খদরে খাসির মাংস না থাকায় আপত্তি জানান জুনায়েদ। খাসি ছাড়া তিনি খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানান।কনের পক্ষের লোকজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে নববধূকে নিয়ে তাঁর করা কিছু আপত্তিকর মন্তব্য কনের বাবা শফিক মিয়ার কানে যায়।কনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা এবং বরের আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে শেষ পর্যন্ত মেয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান কনের বাবা। পরে বিয়ে না করেই কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান জুনায়েদ।অতিরিক্ত কাবিনের দাবি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন বক্তব্যঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে জুনায়েদ দাবি করেন, অতিরিক্ত কাবিনের টাকা দাবি করাকে কেন্দ্র করেই মূলত পরিস্থিতির অবনতি হয়।তিনি দাবি করেন, পূর্বনির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাবিন দাবি করেছিল কনেপক্ষ। তিনি ও তাঁর পরিবার এতে রাজি না হওয়ায় কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং তাঁদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, সঙ্গে নিয়ে যাওয়া উপহারসামগ্রী ও লাগেজও ফেরত পাঠানো হয় এবং কনের সঙ্গে তাঁকে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কনের বাবা শফিক মিয়া।তিনি বলেন, ‘খাবারে খাসির বিষয়টি আগে জানানো হলে অবশ্যই ব্যবস্থা করতাম। এ বিষয়ে আমাকে আগে কিছুই বলা হয়নি। এরপরও আত্মীয়স্বজনসহ সবাই তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি রাজি হননি। উল্টো খারাপ আচরণ করেছেন।’স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়া বলেন, খাসির বিষয়টি সামনে আসার পর জুনায়েদকে অনেক বোঝানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি খাসি ছাড়া বিয়ে করবেন না বলে অনড় ছিলেন। পরে তাঁর আচরণ ও মন্তব্যের কারণে কনের বাবা বিয়ে সম্পন্ন না করার সিদ্ধান্ত নেন।

খদরে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই ফিরলেন প্রবাসী বর