ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
দিল্লি বিক্ষোভে মমতা-কেজরিওয়ালসহ ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

দিল্লি বিক্ষোভে মমতা-কেজরিওয়ালসহ ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। শনিবার দিনভর চলা অভিযানে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারসহ বিরোধী দলের বহু নেতা ও আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটক বিক্ষোভকারীর সংখ্যা অন্তত ৩ হাজার।ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ থেকে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করা হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পেয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।শনিবার সকাল থেকেই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের জমায়েত ঠেকাতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন সড়কে বসানো হয় ব্যারিকেড। কয়েকটি মেট্রো স্টেশন ও বাজার বন্ধ রাখা হয়। কেন্দ্রীয় দিল্লির কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও স্থগিত করা হয়।বিমানবন্দর থেকেই আটক সিজেপির নেতারাসিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে বিমান থেকেই আটক করা হয়।বিমান থেকে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে অভিজিৎ দীপকেকে বলতে শোনা যায়, তাঁরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নিতে দিল্লিতে এসেছেন। অথচ তাঁদের অপরাধীর মতো আটক করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এর আগে সিজেপির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিংকেও আটক করা হয়। দলটির অভিযোগ, রাস্তায় গাড়ির ভেতর থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়।মমতা-কেজরিওয়ালসহ বিরোধী নেতারা আটকদুপুরে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করে পুলিশ। যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার সময় তাঁকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।একই দিন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আটক করা হয়। তিনি দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতাকেও আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে রাজ্যসভার সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন রয়েছেন।পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী নেতারা অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে তাঁদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।পিনারাই বিজয়নসহ বামপন্থী নেতারাও আটকবিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ একাধিক বামপন্থী নেতা আটক হন। তাঁদের মধ্যে সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, বাম নেত্রী বৃন্দা কারাট, এম ভি গোবিন্দন ও পি কে শ্রীমতীর নামও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়।সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাস অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের কয়েকজনকে দীর্ঘ সময় দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যায়। সেখানে কিছুক্ষণ রাখার পর আবার অন্যত্র নেওয়া হয়। তবে কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। আটকের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আন্দোলনকারীদের যেখানে বাধা দেওয়া হবে, সেখানেই বসে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।গুরুদোয়ারা থেকে মিছিলে বাধা, লাঠিচার্জের অভিযোগগত রাত থেকে দিল্লির বাংলা সাহিব গুরুদোয়ারায় আশ্রয় নিয়েছিলেন কয়েক শ বিক্ষোভকারী। শনিবার সকালে তাঁরা যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ ওঠে।বিক্ষোভকারীদের দাবি, গুরুদোয়ারা এলাকায় প্রায় ৬০০ জন জমায়েত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।হায়দরাবাদের সফটওয়্যার প্রকৌশলী অজয় জিঙ্গাদের অভিযোগ, সকাল থেকে আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিপুলসংখ্যক পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পরে লাঠিচার্জ করে অনেককে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।দিল্লির বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির খবরও পাওয়া যায়। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ দিল্লি হাট এলাকায় জড়ো হন। সিজেপি নেতা আজিঙ্ক্যা শিন্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বান জানান, যেখানে আন্দোলনকারীদের থামানো হবে, সেখানেই যেন তাঁরা প্রতিবাদ চালিয়ে যান।সাংবাদিক ও আইনজীবীদের আটকের অভিযোগবিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সামনে প্রতিবাদ করা কয়েকজন আইনজীবীকে আটকের খবর পাওয়া যায়। পরে তাঁদের কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়।সিজেপির অভিযোগ, দলটির কয়েকজন সদস্যের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার তথ্যভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছিল। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এর ফলে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, যাচাই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ মানুষের স্থানান্তর, ৩ কোটি মানুষের খোঁজ না পাওয়া এবং ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যুর বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।কমিশনের বক্তব্য, যাচাইয়ে চিহ্নিত নামগুলোই বাদ দেওয়া হয়েছে। কোনো যোগ্য ভোটারের নাম ভুল করে বাদ পড়লে তিনি পুনরায় নিবন্ধন করতে পারবেন।অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়নি। বিজেপি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, নির্বাচনে তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা ও সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।শনিবারের ধরপাকড় ও বিক্ষোভে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের নির্বাচনব্যবস্থার নিরপেক্ষতা, ভোটার তালিকা সংশোধনের স্বচ্ছতা এবং বিরোধীদের প্রতিবাদ করার অধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।সূত্র: বিবিসি

ভোট চুরির অভিযোগে বিক্ষোভ, দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার সাউথ অ্যাভিনিউয়ে ধর্নায় বসার পর তাঁকে আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর দলের নেতারাও কর্মসূচিতে অংশ নেন। একই দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ দলটির নেতাদের আটকের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি—শরদচন্দ্র পাওয়ার (এনসিপি-এসসিপি) দলের সংসদ সদস্য সুপ্রিয়া সুলে।এদিকে সর্বভারতীয় ছাত্র সমিতির (এআইএসএ) সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। এআইএসএর ভাষ্য অনুযায়ী, নেহা বোরাকে একটি পুলিশ বাসে রাখা হয়েছিল। পরে বিক্ষোভকারীরা বাসটি ঘিরে ফেলেন।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এআইএসএ জানায়, দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে জ্ঞানেশ কুমার ও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে তাদের নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে দিল্লি হাটে বিক্ষোভের স্থান নির্ধারণ করা হয়।অন্যদিকে আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা মানিশ সিসোদিয়াকে চণ্ডীগড়ে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। শনিবার এক্সে দেওয়া পোস্টে এ দাবি জানিয়ে আটকের দৃশ্যের ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে আপ।দলটির পোস্টে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভিন্নমতের কণ্ঠস্বর দমন করতে পারবেন না। পোস্টে জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ করে আরও বলা হয়, ‘ভোটচোর জ্ঞানেশ কুমার, আপনার সময় শেষ। সব শেষ, ভাই!’তবে মানিশ সিসোদিয়াকে আটকের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যেই দিল্লি ও চণ্ডীগড়ে এসব আটকের ঘটনা ঘটল।

ভোট চুরির অভিযোগে বিক্ষোভ, দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গ সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে বীরভূমে তাঁর বাড়ির কাছের তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কার্যালয় থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি কথিত সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, তৃণমূলের কার্যালয়ের ভেতরে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।পুলিশের হাতে পাওয়া কথিত সুইসাইড নোটে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তিনি জীবনে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা ঘুষের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় তাঁকে মিথ্যাভাবে জড়ানোর অভিযোগও করেছেন তিনি। রাজনীতিতে আসাকে নিজের ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হওয়ার পর আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন।আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় রামপুরহাট বিধানসভা আসন থেকে টানা পাঁচবার নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি ওই আসনের বিধায়ক ছিলেন।পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায়ও দায়িত্ব পালন করেন আশিস। তিনি রাজ্যের সাবেক স্কুলশিক্ষামন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

পশ্চিমবঙ্গ সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার