মেরুল বাড্ডায় মামুনকে ঘিরে ইয়াবা ও ধর্ষণের অভিযোগ
রাজধানীর মেরুল
বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায় মামুন নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে
একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্যের
ভিত্তিতে এসব অভিযোগ সামনে
এসেছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদক সেবন, যৌনসম্পর্কে
জড়ানো এবং ধর্ষণের মতো
গুরুতর বিষয়।অভিযোগ অনুযায়ী,
কাশেম সাহেবের ছেলে মামুনের বাসায়
এক ডিভোর্সি নারী ভাড়াটিয়া হিসেবে
থাকার সময় তাঁর সঙ্গে
মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। ভুক্তভোগীদের
ভাষ্য, ওই সময় মামুন
নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতেন এবং
ওই নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।তবে মামুনকে
ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি করেছেন তাঁর পরিবারেরই একজন
সদস্য। নাম প্রকাশ না
করার শর্তে ওই স্বজনের দাবি,
মামুন তাঁর ফুফুর সঙ্গে
জোরপূর্বক যৌনসম্পর্ক স্থাপন করে আসছেন। এ
অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগীদের বক্তব্যসহ বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে উঠে
এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।ভুক্তভোগীদের ভিডিও
সাক্ষাৎকারসহ এ বিষয়ে কিছু
তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি
করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের
সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর তদন্ত এবং আদালতের বিচারিক
প্রক্রিয়া।একই ব্যক্তির
বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও এতদিন
বিষয়গুলো প্রকাশ্যে না আসার কারণ
নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগগুলোর পেছনে কী ধরনের ঘটনা
রয়েছে, কারা ভুক্তভোগী এবং
সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে কি না এসব
বিষয়ও অনুসন্ধানে গুরুত্ব পাচ্ছে।এদিকে, এসব অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ নিয়ে নবকালের ডিজিটাল মিডিয়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানী ভিডিও প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীদের ভিডিও বক্তব্য, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ এবং
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা
থাকবে। একই সঙ্গে মামুনের
বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা
যাচাই এবং এসব ঘটনায়
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।নবকালের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হবে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের
আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্য-প্রমাণ
যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অভিযোগগুলোর সত্যতা
পাওয়া গেলে আইনগতভাবে কী
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বা নেওয়া হবে
সেটিও অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর অভিযোগগুলো
অসত্য বা বিভ্রান্তিকর হলে
সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও ব্যাখ্যাও প্রতিবেদনে
তুলে ধরা হবে।
মামুনের
বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের
বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া
গেলে তা-ও প্রতিবেদনে
যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।