রাজধানীর ব্রাইট মাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমি নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক (এডমিন) প্রধানের ফেনসিডিল সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।ভিডিওতে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি ফেনসিডিলের বোতলসদৃশ একটি বস্তু হাতে নিয়ে তা পান করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে ওই ব্যক্তিকে ব্রাইট মাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমির এডমিন প্রধান মোহাম্মাদ মিফতাহুল ফেরদাউস বলে দাবি করা হয়েছে।তবে ভিডিওটির সত্যতা, ধারণের সময় ও স্থান এবং ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মাদ মিফতাহুল ফেরদাউসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক সেবনের মতো অভিযোগ উঠলে বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বাড়ানোর লক্ষ্যেই শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে এ প্রতিযোগিতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৮ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তখন তিনি বলেছিলেন, শিক্ষার সব ক্ষেত্রে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলেও তখন জানিয়েছিলেন তিনি।নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ের কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।