ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড: সিটি করপোরেশনের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করলেন সাদিক কায়েম

চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড: সিটি করপোরেশনের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করলেন সাদিক কায়েম

রাজধানীর চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।এ সময় অগ্নিকাণ্ডে মানুষের সর্বস্ব হারানোর জন্য সিটি করপোরেশনের অব্যবস্থাপনা ও রাষ্ট্রের উদাসীনতাকে দায়ী করেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যথাযথভাবে তদারকি করছে না সিটি করপোরেশন। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, উন্নত প্রশিক্ষণ ও জনবলের ঘাটতি রয়েছে।সাদিক কায়েম আরও বলেন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের অভাবে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে ফায়ার ফাইটারদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অনেকে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, আবার অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।সোমবার রাতে চকবাজারে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে চারজন ফায়ার ফাইটার আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই ফায়ার ফাইটাররা আহত ও নিহত হচ্ছেন। বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি ফায়ার সার্ভিসের জন্য আধুনিক প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সরবরাহ এবং প্রশিক্ষিত কর্মী গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।নগরবাসীর উদ্দেশে সাদিক কায়েম বলেন, আগামীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পেলে ঢাকাকে পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, চকবাজার-বংশাল জোনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যক্ষ এস এম আহসান উল্লাহ, চকবাজার দক্ষিণ থানা আমির আনিছুর রহমান, পূর্ব থানা আমির রফিকুল ইসলাম সিকদারসহ চকবাজার থানা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও ব্যবসায়ীরা।

রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপির পদত্যাগের নির্দেশকে ‘সেইফ এক্সিট’ বললেন সাদিক কায়েম

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত সংসদ সদস্যকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়াকে ‘সেইফ এক্সিটের প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তাঁর দাবি, মূল অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, অতীতে বিএনপির তথাকথিত বহিষ্কার নাটক বারবার দেখেছে জনগণ। গুরুতর অপরাধ ধামাচাপা দিতে এ ধরনের রাজনৈতিক কৌশল আর গ্রহণযোগ্য নয়।তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে সরকারকে আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে।‘রাজনৈতিক স্যাক্রিফাইস ও পিআর স্টান্ট’ মনে করবে জনগণসাদিক কায়েমের ভাষ্য, হামলার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জনগণ পুরো ঘটনাটিকে জনরোষের মুখে রাজনৈতিক স্যাক্রিফাইস ও জনসংযোগের কৌশল হিসেবেই বিবেচনা করবে।তিনি অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নানা ধরনের অসংলগ্ন ও স্ববিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, এসব বক্তব্যের মাধ্যমে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।রাড্ডা ক্লিনিক পুনর্নির্মাণের দাবিবিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা ক্লিনিক দ্রুত পুনর্নির্মাণ করে সেখানে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পুনরায় চালু করার দাবি জানান ডাকসু ভিপি।একই সঙ্গে সারা দেশে সরকারি দলের নির্বাচিত ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দখলদারি ও চাঁদাবাজির রাজনীতির অভিযোগের লাগাম টানতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সাদিক কায়েমের বক্তব্য অনুযায়ী, রাড্ডা ক্লিনিকে হামলার ঘটনায় শুধু পদত্যাগের মতো রাজনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; বরং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপির পদত্যাগের নির্দেশকে ‘সেইফ এক্সিট’ বললেন সাদিক কায়েম

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ডাকসুর তীব্র দাবির মুখে অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় মসজিদের এসিগুলো চালু রয়েছে এবং কয়েকজন মুসল্লি সেখানে নামাজ আদায় করছেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি