ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি ২০২৭

পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি ২০২৭

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি দেশের ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ করা হবে।নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের ভোট হবে ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা শুরু হয়।বৈঠকে অন্য চার নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারকে সক্ষম করতে ইউএনডিপির সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার

দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্ষম ও কার্যকর করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ইউএনডিপির সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় আসে।মন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির কারিগরি অভিজ্ঞতা সরকারের জন্য সহায়ক হতে পারে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও এসডিজি বাস্তবায়নের বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত। এ কারণে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ খাতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতি ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা গেলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার আসাদুজ্জামান ও আনোয়ারুল হক, আন্তর্জাতিক প্রকল্প ব্যবস্থাপক যুগেশ প্রধানাং এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারকে সক্ষম করতে ইউএনডিপির সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার

ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় পরিবর্তন হতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্ট্রাটেজি ও তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রয়োজনে ইসির ঘোষিত সময় পেছানো বা এগিয়ে দেওয়া হতে পারে।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচন। এর বাইরে অন্যান্য নির্বাচন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন নিজেদের মতো করে সময় ঘোষণা করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যকেই বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।আজ সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। এর আগে নির্বাচন কমিশন নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এ নিয়ে কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে ‘গ্যাপ’ হিসেবে দেখার কিছু নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে থেকেই কাজ করবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। একটা টাইমলাইন তো আপনাদের কাছে জানানো হয়েছে। এটাকে ফলো করে সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কোলাবোরেট করে নির্বাচনে যাবে। নির্বাচন তো করবেই, নির্বাচন তো হবেই এটা নিয়ে কোনো কনফিউশনের কিছু নেই।তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়কে সরকারের সিদ্ধান্তের নির্দিষ্ট টাইমলাইন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার চাইলে ওই সময়ে নির্বাচন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আবার আলোচনার মাধ্যমে সময় পেছানো বা এগিয়ে নেওয়াও হতে পারে। ফলে ইসি যে তারিখ ঘোষণা করেছে, ঠিক সেই তারিখেই নির্বাচন হবে এমনটি নিশ্চিত করে বলা যায় না।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে কি না, এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন পরিবর্তন করে কোনো কোনো নির্বাচন সরকারের মাধ্যমে আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া সম্ভব। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দুটি নির্বাচন স্বতন্ত্রভাবে পায়, আর অন্যান্য নির্বাচন আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়।ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সময় উল্লেখ করে আইন ভঙ্গ করেছে কি না এমন প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তিনি বিষয়টিকে এভাবে বলতে চান না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেওয়াই ভালো হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে কি না জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার এই অবস্থানেই থাকবে। বিষয়টিকে সংঘাত হিসেবে দেখার চেষ্টা করা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইসির ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় পরিবর্তন হতে পারে:  তথ্য উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কোনো দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখিয়েছেন বলেও জানান তিনি।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।ব্রিটেনকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে, বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করতে আগ্রহী।ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ বা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করতে চান বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে দাপ্তরিক যোগাযোগ এগিয়ে নিতে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি দল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনস্থানীয় সরকার নির্বাচনকে জাতীয় নির্বাচনের মতো অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সরকার আইন সংশোধন করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। এটি সাধারণ নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে এবং বৈধ যেকোনো ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন।রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, যেহেতু নির্বাচনটি দলীয় নয়, তাই কোনো বিশেষ দলের প্রশ্ন আসে না। তবে বিএনপি স্থানীয়ভাবে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কৌশল নিতে পারে।একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।বদলাচ্ছে অর্থবছরপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করেছে বলেও জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। ২০২৮ সাল থেকে অর্থবছর ১ এপ্রিল শুরু হয়ে ৩১ মার্চ শেষ হবে।ব্রিটিশ প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের মতে, এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।মীর শাহে আলম বলেন, অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তনের জন্য সংবিধানে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হবে। মহান সংসদ গঠিত সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে এ বিষয়ে কাজ চলছে। এ ছাড়া জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং বিএনপির প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোও সংবিধান সংশোধনের সময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সিইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।সিইসি বলেন, আমরা অতীতে একটি সফল নির্বাচন করতে পেরেছি। স্থানীয় নির্বাচনও সফলভাবে করতে পারব। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইন মেনে সবাই অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হাসান ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সিইসি

দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী

দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্মে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।সোমবার দুপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।রিজভী বলেন, ৫ আগস্টের পর দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাই নেতাকর্মীদের গঠনমূলক কাজে যুক্ত থেকে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।বিএনপির জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া জনকল্যাণে কাজ করেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশের আর্থিক উন্নয়নে তাঁদের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বিএনপির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান নতুন কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যেগুলো জনগণের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।রিজভীর দাবি, ‘এত অপপ্রচার, চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের পরও জরিপে বিএনপির জনপ্রিয়তা ৫৪, ৫৫ বা ৫৬ শতাংশের মতো রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা আরও বেশি- ৬৫ থেকে ৬৬ শতাংশ।’তিনি বলেন, জনগণের পক্ষে, জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের জন্য কাজ করলে সেই দলের সরকার কখনো ব্যর্থ হবে না। সেই সরকার জনগণের সমাদৃত সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা, থানা ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ইউপি নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন। এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে না বলেও জানান তিনি।রিজভী বলেন, দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা দলীয় সমর্থিত প্রার্থীর পাশে থাকবেন এবং একজন দলীয় সমর্থিত ব্যক্তি অবশ্যই নির্বাচিত হবেন।

দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী